চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা, চালক আটক

বুধবার, ১২ জুন ২০১৯

সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : সোনারগাঁওয়ে স্বদেশ পরিবহনের একটি চলন্ত বাসে এক তরুণীকে (২২) ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ সময় তরুণীর চিৎকার শুনে জনগণ গাড়ি থামিয়ে চালক শামীমকে আটক এবং গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। পুলিশ স্বদেশ পরিবহনের বাসটি জব্দ করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। লম্পট বাসচালক শামীম উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের নানাখী মধ্যপাড়া গ্রামের আব্দুুুর রব মিয়ার ছেলে।

গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনা নিউ টাউন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নির্যাতিত তরুণী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিত তরুণী গত সোমবার রাত ৯টার দিকে স্বদেশ পরিবহনের একটি বাসে (ঢাকা-মেট্রো-ব-১১-৭২৬৫) ঢাকার গুলিস্তান থেকে সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মেঘনাঘাট বাসস্ট্যান্ডের উদ্দেশে রওনা হন। রাত সোয়া ১০টার দিকে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ডে এসে গাড়ি থামালে বাসের সব যাত্রী নেমে যান।

এ সময় ওই তরুণী গাড়ি খালি দেখে নেমে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় বাসচালক শামীম ওই তরুণীকে বলে, তুই বাসে বসে থাক। তোকে মেঘনাঘাট বাসস্ট্যান্ডে ঠিক মতো নামিয়ে দেব। পরে বাসচালক শামীম হেলপার নীরবকে বাস চালাতে দিয়ে তরুণীকে পেছনের সিটে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেঘনা নিউ টাউন শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মার্কেটের সামনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় তারা বাস থেকে এক বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শুনতে পান।

পরে জনতা গাড়িটি থামিয়ে দেখতে পান হেলপার গাড়ি চালাচ্ছে এবং চালক তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করছে। তখন জনতা তরুণীকে উদ্ধার এবং চালককে গণধোলাই দিয়ে পুুুলিশে সোপর্দ করেন। এ সুযোগে হেলপার পালিয়ে যায়।

সোনারগাঁও থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক চালককে গ্রেপ্তার ও বাসটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। চালক ও হেলপারের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj