স্বপ্ন সারথি মাশরাফি : স্টার অব দ্য উইক

মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০১৯

দরজায় কড়া নাড়ছে ওয়ানডে বিশ^কাপ টুর্নামেন্ট। এই টুর্নামেন্ট ঘিরে এবার টাইগার ভক্তদের প্রত্যাশা একটু বেশি। কারণ ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে অভিজ্ঞতার দিক থেকে সবচেয়ে অভিজ্ঞ অধিনায়ক মাশরাফি। টাইগার দলের ওয়ানডে অধিনায়কের জন্য এটা চতুর্থ বিশ্বকাপ। এ ছাড়া এই বিশ্বকাপ তার ক্যারিয়ারের শেষ এটা মোটামুটি সবারই জানা। বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো দলকে নেতৃত্ব দেয়ার অপেক্ষায় আছেন এই অধিনায়ক। তাই ক্রিকেটের জন্মভূমিতে এবার বিশ^কাপে সেমিফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছেন মাশরাফি। বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের ঠিক আগ মুহূর্তে ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর দেশের ক্রিকেটে যেটি আবার প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়। বিশ্বকাপের আগে এমন সাফল্য দলের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়েই থাকবে বলে মনে করছেন ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি।

১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন এ দুর্দান্ত ক্রিকেটার। ছোটবেলায় দুরন্ত মাশরাফি ফুটবল আর ব্যাডমিন্টন খেলতেই বেশি পছন্দ করতেন। আর সুযোগ পেলেই চিত্রা নদীতে সাঁতার কাটতেন তিনি। তারুণ্যের শুরুতে ক্রিকেটের প্রতি তার আগ্রহ জন্মে। শুরুতে ব্যাটিংয়ে আগ্রহ থাকলেও পরে বোলার হিসেবেই তিনি বেশি খ্যাতি অর্জন করেন। মাশরাফি বাইক চালাতে খুব ভালোবাসেন। তাকে সবাই খুব হাসিখুশি আর উদারচেতা মানুষ হিসেবেই জানে। নিজের শহরে তিনি বেশ জনপ্রিয়। নড়াইলে তাকে প্রিন্স অব হার্টস বলা হয়।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০১ সালের ৮ নভেম্বর টেস্ট অভিষেক হয় মাশরাফির। এর ১৫ দিন পরেই ২৩ নভেম্বর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় ।

২০০৯ সালের ৯ জুলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন তিনি। টেস্ট ক্যারিয়ারে বল হাতে ৩৬ ম্যাচে ৭৮টি উইকেট পেয়েছেন। তবে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা পেস বোলার ও সেরা অধিনায়ক তিনি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০৯ ম্যাচে ২৬৫ উইকেট শিকার করেছেন।

এ ছাড়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৮ নভেম্বর ২০০৬ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় ম্যাশের। মাশরাফির নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন ওয়ানডে ক্রিকেটে সমীহ জাগানো শক্তি।

:: কামরুজ্জামান ইমন

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj