শিক্ষার্থীদের জন্য অভিভাবক ইন্স্যুরেন্স

বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯

অভিভাবকের অকাল প্রয়াণে শুধুমাত্র আর্থিক সংকটের কারণে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যাবে, এই কথা ভুলেও ভাবেনি বোরহান। তবু সে অপ্রত্যাশিত ঘটনাই ঘটতে যাচ্ছিল তার জীবনে। মাত্র ক’দিন আগে এক দুর্ঘটনায় বাবার মৃত্যু হলে, এই অনাকাক্সিক্ষত দুর্দশা নেমে আসে বোরহানের জীবনে। কী করবে সে এখন? বাবাই যে ছিল তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

আমাদের চারপাশে এমন বোরহানের সংখ্যা কম নয়। কেউ হঠাৎ করেই হারিয়েছে বাবা, কেউবা মা, কেউবা বড় ভাই কিংবা বোন যারা ছিলেন পরিবারের অভিভাবক। অভিভাবক হারিয়ে তারা এখন অথই সমুদ্রে। কে বহন করবে তাদের পড়ালেখার খরচ?

এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে অভূতপূর্ব উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হওয়া এই উদ্যোগের নাম ‘অভিভাবক ইন্স্যুরেন্স’ প্রকল্প। এ প্রকল্পে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী। এ প্রকল্পের অধিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত অভিভাবকদের পলিসির আওতায় আনা হয়েছে। ফলশ্রæতিতে কোন অভিভাবক স্বাভাবিক বা দূর্ঘটনায় মারা গেলেও অভিভাবক হারানো ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী পান আর্থিক সহায়তা, যার মাধ্যমে চলমান থাকে তার অসমাপ্ত শিক্ষাজীবন।

প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সহযোগিতায় ২০ মে এরকম তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবক ইন্স্যুরেন্সের দাবি পরিশোধ করেছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। অভিভাবক ইন্স্যুরেন্সের দাবিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী খাদিজা খালিদ খুশবু, ইলমা আক্তার স্বর্ণা ও ইলেক্ট্রিক্যাল ও ইলেক্ট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী বোরহান উদ্দিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে ‘অভিভাবক বীমা : চেক হস্তান্তর’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মো. জালালুল আজিম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj