খালেদার বিচার নিয়ে মওদুদ : কারাগারে বিশেষ আদালত স্থাপন অসাংবিধানিক

বুধবার, ২২ মে ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : বিএনপি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর বিচারে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বিশেষ আদালত স্থাপনের বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ করবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বলেন, আমরা খুব শিগগিরই কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপনার বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করব। আদালতে লড়ব, রাজপথেও লড়ব।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে এই কথা জানান তিনি। সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের পরিচালনায় মানববন্ধনে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক শওকত মাহমুদ, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, গণস্বাস্থ্য সংস্থার ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, কাদের গনি চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মওদুদ বলেন, এই আদালত স্থাপন করা সংবিধান পরিপন্থী। আমরা খুব শিগগিরই কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপনার বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করব। তিনি বলেন, আমরা মনে করি, সংবিধানে যে মৌলিক অধিকার একজন নাগরিককে দেয়া হয়েছে এখানে সেই অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে।

মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা গতকাল (সোমবার) দেখে এসেছি। কী নির্জন একটা অবস্থা সেখানে। কেরানীগঞ্জ একটা উপজেলা। সেখানে কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। ন্যায়বিচার পাওয়ার মতো আদালতের যে পরিবেশ প্রয়োজন, সেই পরিবেশ সেখানে নেই। বই-পুস্তক নেই, লাইব্রেরি নেই। সেখানে আইনজীবীদের যাওয়া-আসা চরম দুর্ভোগের।

কেরানীগঞ্জে আদালত স্থাপনকে ‘ষড়যন্ত্র’ অভিহিত করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া এখন পর্যন্ত মুক্তি পাননি সরকারের বিভিন্ন কলাকৌশল ও ষড়যন্ত্রের কারণে। এখন নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। সরকার চায় না খালেদা জিয়া মুক্ত হোক। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, কিন্তু সরকারের ক‚টকৌশলে সফল হতে পারছি না। তারপরও এই আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে হবে, পাশাপাশি আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj