পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইজিপির বৈঠক : ঈদ আনন্দ নির্বিঘ্ন ও যাতায়াত নিরাপদ করার নির্দেশ

বুধবার, ২২ মে ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ঘরমুখো মানুষের যাতায়াতকে নিরাপদ ও ঈদের আনন্দকে নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় দেশের বড় বড় শপিংমলে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি নারী পুলিশ ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আইজিপি। মার্কেটসমূহে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে নিরাপত্তা তল্লাশি এবং বড় বড় শপিংমলে আর্চওয়ে ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আইজিপি বলেন, দেশের প্রধান প্রধান ঈদ জামাতস্থলে স্যুইপিং এবং আর্চওয়ে স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ ঈদ জামাতস্থলের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি প্রয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হবে। বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল এবং রেলস্টেশনে টিকেট কালোবাজারি প্রতিরোধ, অজ্ঞান ও মলম পার্টির অপতৎপরতা বন্ধ করা এবং চুরি ও ছিনতাই রোধে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মহাসড়কে সব ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ঈদের ছুটিতে বসতবাড়ি, ফ্ল্যাট এবং অ্যাপার্টমেন্টে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টহল বাড়াতে হবে। সর্ব প্রকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং কেপিআইসমূহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। ট্যুরিস্ট পুলিশ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ট্যুরিস্ট স্পটসমূহে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টাকারীদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। জঙ্গি ও উগ্রপন্থিদের তৎপরতা রোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম বৃদ্ধি ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব ক্ষেত্রে মেট্রোপলিটন, জেলা, হাইওয়ে ও নৌপুলিশ সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

পাশাপাশি সভায় ব্যাংক ও অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে মানি এস্কর্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj