দুই কানাডীয়র বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনল চীন

শনিবার, ১৮ মে ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : চীন গত ডিসেম্বরে আটক দুই কানাডীয়র বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ দাখিল করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছে। এতে করে চীন এবং কানাডার মধ্যে বিরোধ আরো বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীনা টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝু গত বছর প্রতারণা ও ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের সন্দেহে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে গ্রেপ্তার হওয়ার পর চীন ওই দুই কানাডীয়কে আটক করেছিল।

কানাডীয় মাইকেল কভরিগ একজন সাবেক ক‚টনীতিক এবং মাইকেল স্পাভর একজন ব্যবসায়ী। তাদেরকে ডিসেম্বরে আটক করে চীন। কভরিগের বিরুদ্ধে বিদেশি এজেন্টদের হয়ে জাতীয় গোপন তথ্য চুরি এবং গোয়েন্দাগিরির অভিযোগ আনা হয়েছে। মাইকেল স্পাভরের বিরুদ্ধেও বিদেশের হয়ে চুরি এবং রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য সরবরাহের অভিযোগ আনা হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু কাঙ নিয়মিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে একথা বলেছেন। তবে বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য এ গুপ্তচরবৃত্তি সে বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়ায় অভিযুক্ত দুইজনকে কোনো দেশের সরকার নাকি অন্য কোনো সংগঠনের হয়ে কাজ করার জন্য সন্দেহ করা হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

দুই কানাডীয়কে চীনের অভিযুক্ত করার এ পদক্ষেপে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রæডোর সরকার ক্ষুব্ধ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ট্রæডো প্রাথমিকভাবে কভরিগ এবং স্পাভর আটকের নিন্দা জানিয়েছিলেন।

এ পদক্ষেপকে ইচ্ছাকৃত এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেছিলেন তিনি। কভরিগ এবং স্পাভরের সমর্থকরাসহ বিদেশি আইন বিশেষজ্ঞরা তখন বলেছিলেন, হুয়াওয়ের প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা মেং কানাডায় গ্রেপ্তার হওয়ার পাল্টা জবাবেই চীন এ দুই কানাডীয়কে আটক করেছে।

কানাডীয় স্পাভর চীনের উত্তর কোরিয়া সীমান্তবর্তী শহর ড্যাংডংয়ে থাকেন। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রæডো কভরিগ এবং স্পাভর দুইজনকেই ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj