গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক সমস্যা : দুর্ভোগে তাহিরপুরের লক্ষাধিক মানুষ

শনিবার, ১৮ মে ২০১৯

সাজ্জাদ হোসেন শাহ্, তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : হাওরবেষ্টিত ভাটির জনপদ তাহিরপুর উপজেলার অন্যতম বাণ্যিজিক কেন্দ্র বাদাঘাটে গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্ক সমস্যায় প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

৬ মাস আগে থেকে এই সমস্যা দেখা দিলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। টাওয়ারে বিদ্যুৎ না থাকলে নেটওয়ার্ক থাকে না। পরে বিদ্যুৎ আসলেও নেটওয়ার্ক সচল হতে সময় লাগে ১০-১২ ঘন্টা। গত কয়েকদিনে এই সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে ভোক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। এমনকি অনেক গ্রাহক গ্রামীনের সিম বদলে অন্য অপারেটরে মাইগ্রেট করছেন। বাদাঘাট বাজারের দন্ত চিকিৎসক চয়ন কুমার, ব্যাবসায়ী সুহেল আহমদ সাজু, কাউসার আহমেদ, সেলিম হায়দার, রয়েল আহমেদ, শিক্ষক মন্টু কুমার, হাবিবুর রহমান, তাজুল ইসলাম, শিক্ষার্থী বশির আহমেদসহ অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন, গত ছ’মাস ধরে টাওয়ারের এই অবস্থা চললেও কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই। আমরা বাধ্য হয়ে এখন অন্য অপারেটরের সিম কিনেছি। তবে গত প্রায় ১০ বছর ধরে গ্রামীণ সিম ব্যবহার করে আসায় হঠাৎ সিম বদলানোয় জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই খুঁজে পায় না। আমরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চাই।

তারা এ ব্যাপারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, বিটিআরসিসহ সংশ্লিস্ট সকল দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামীণফোন সুনামগঞ্জ অঞ্চলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ভোরের কাগজকে বলেন, সমস্যা অনেকটাই সমাধান করা হয়েছে। বাকিটুকু যতদ্রুত সম্ভব সমাধানের চেষ্টা চলছে। রাজধানীতে ৮ ভুয়া ডিবি গ্রেপ্তার

কাগজ প্রতিবেদক : রাজধানীর পল্টন এলাকা থেকে অস্ত্র-গুলি ও মাইক্রোবাসসহ ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়দানকারী সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যারা বিভিন্ন ব্যাংকের সামনে মাইক্রোবাস নিয়ে ওঁৎপেতে থাকত। এরপর কোনো গ্রাহক ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের টাকা তুলে রাস্তায় এলে তারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে দিয়ে ওই ব্যক্তি আটক করত। পরে মাইক্রোবাসে তুলে নির্জন কোনো স্থানে নিয়ে মারধর করে টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিত।

গত বৃস্পতিবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম সুপার মার্কেটের সামনে থেকে এই চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য জানতে পেরেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) দক্ষিণ বিভাগ।

গতকাল শুক্রবার ডিএমপির মিডিয়া শাখার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তাররা হলো মো. মিন্টু গাজী (৪০), মো. সবুজ (৪৫), মো. আ. জলিল হাওলাদার (৫২), মো. আতিকুর রহমান (৩২), মো. বিল্লাল খাঁ (২৬), মো. রিপন হাওলাদার (৪২), মো. সুলতান খান (৫৫) ও মো. আল আমিন (৪৫)। এসময় তাদের হেফাজত থেকে ১টি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ২টি ডিবি লেখা জ্যাকেট, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি ওয়ারলেস সেট (ওয়াকি টকি) ও ১টি মাইক্রোবাস উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে পল্টন থানায় পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj