তিন প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড : সৈয়দপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লাচ্ছা তৈরি

শনিবার, ১৮ মে ২০১৯

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নিম্নমানের তেল ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে লাচ্ছা উৎপাদন বেড়েই চলেছে। সৈয়দপুরের এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী রমজান মাসকে উপলক্ষ করে বেশি মুনাফার আশায় কোনো অনুমোদন ছাড়াই গড়ে তুলেছে ওইসব লাচ্ছা ফ্যাক্টরি। প্রশাসনের চোখকে ফাঁকি দিতে তারা শহরের বাইরে গড়ে তোলা ওইসব ফ্যাক্টরির উৎপাদিত লাচ্ছা সেমাই আশপাশের জেলা উপজেলার বাজারগুলোতে সরবরাহ করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বাহারি মোড়ক ও খোলা লাচ্ছা সেমাই বাজারে সয়লাব হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার সৈয়দপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার।

অভিযানকালে আদালত শহরের বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই তৈরির দায়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে খাজা লাচ্ছা সেমাই ফ্যাক্টরির হায়দার আলীর ১০ হাজার টাকা, একই এলাকার টেস্টি লাচ্ছা সেমাই ফ্যাক্টরির জামালের ১০ হাজার ও নিয়ামতপুর এলাকায় স্পেশাল তাজা লাচ্ছা সেমাই ফ্যাক্টরির মাহাতাব আলীর ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় আদালত তাদের ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করেন। এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রিংকস নালায় ফেলে দুর্গন্ধ সৃষ্টির মাধ্যমে পরিবেশ দূষণের দায়ে মুন্সিপাড়ার জাবেদের পাঁচশ টাকা ও নিষিদ্ধ পণ্য বাজারজাত করার দায়ে আহমেদ মুদি দোকানির পাঁচশ টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে হাইকোর্ট কর্তৃক বিভিন্ন কোম্পানির উৎপাদিত নিম্নমানের ৫২টি পণ্য বাজার থেকে তুলে নেয়ার নির্দেশনা বাস্তবায়ন এবং মানুষজনের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকারের নেতৃত্বে শহরে প্রচারণা চালানো হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরিমল কুমার সরকার বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, বাজারজাত, পরিবেশনকারীদের কোনোক্রমেই ছাড় দেয়া হবে না। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবেই।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj