স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি : কুয়াকাটা সৈকত রক্ষার কাজ শুরু

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক, বরিশাল : দীর্ঘ আন্দোলনের পর শুরু হয়েছে কুয়াকাটা সমুদ্র পাড়ে প্রায় দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে অস্থায়ীভাবে সৈকত রক্ষার কাজ। পাউবোর অর্থয়ানে বেসরকারি ঠিকাদার কোম্পানি (বিজি) ১ কোটি ৯০ লাখ টাকার কাজ হাতে নেয়। জিওটিউব দিয়ে আগামী ২ মাসের মধ্যে এ কাজটি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এ কাজটি গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলেও বাকি ৫ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকত ভাঙনের কবলে পড়ে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এখানকার বিনিয়োগকারীরা।

কুয়াকাটা দীর্ঘ ১৮ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকতের মধ্যে প্রায় ৮ কিলোমিটার সৈকত বালুক্ষয়ের কারণে ছোট হয়ে যাচ্ছে। ধীরে ধীরে বন্যা রক্ষা বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে ঢুকে যেতে পারে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকাবাসী, মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে পর্যটনমুখী বিনিয়োগকারীরা। এ নিয়ে প্রতিবার সৈকত ভাঙন নিয়ে সোচ্চার হয়ে আন্দোলন করে আসছে এখানকার বিভিন্ন সংগঠনগুলো। তবে প্রায় দেড় কিলোমিটার সৈকত রক্ষায় অস্থায়ীভাবে কাজ শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি পেলেও স্থায়ীভাবে সৈকত রক্ষার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছেন এলাকাবাসী। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠন কুয়াকাটা টুরিস্ট বোট মালিক সমিতির সভাপতি জনি আলমগীর বলেন, যেটুকু কাজ করছে সৈকতে তাতে কিছুটা রক্ষা পেলেও মূল ঝুঁকিই থেকে যাবে। কারণ বস্তার নিচ থেকে ঢেউয়ে ঝাপটায় বালু সরিয়ে নিলেই দেবে যাবে জিওটিউব।

কুয়াকাটা সৈকত হোটেলের মালিক জিয়াউর রহমান শেখ জানান, বীচ রক্ষার জন্য যে কাজটি পাউবো অস্থায়ীভাবে প্রায় দেড় কিলোমিটার কাজ করছে। কিন্তু আরো ঝুঁকিতে রয়েছে ৫ কিলোমিটার সৈকত। বর্ষা মৌসুমে তিনটি স্থান কুয়াকাটা দাখিল মাদ্রাসা, খজিুরা লেম্বুর বন, জাতীয় উদ্যান ঝাউবন এগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে। তাই ১৫ কিলোমিটার সৈকত স্থায়ীভাবে রক্ষা করার দাবি জানাই।

কলাপাড়া পাউবোর উপবিভাগীও প্রকৌশলী কুমার স্বত্তিক জানান, এই কাজটি আমাদের পরীক্ষামূলক কাজ, স্থায়ীভাবে করার জন্য বড় একটি প্রকল্প তৈরি করে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে আশা করি সেটা পাস হলেই কুয়াকাটা সৈকত রক্ষার স্থায়ীভাবে কাজ শুরু করা যাবে।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj