মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলনের নির্দেশ আওয়ামী লীগের

বুধবার, ১৫ মে ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কেন্দ্রীয় সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে তৃণমূল পর্যায় থেকে সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর যৌথ সভায় এ নির্দেশ দেয়া হয়। আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয় ধানমন্ডিতে অনুষ্ঠিত ওই সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। এ সময় দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত, মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানসহ সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা উপস্থিত ছিলেন।

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, আগামী অক্টোবরে আওয়ামী লীগের বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে সারা দেশে ৮টি সাংগঠনিক টিম করা হয়েছে। তারা প্রত্যেকে জেলা এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করবেন। তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজানোর নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে আওয়ামী লীগকে ডিজিটালাইজড করার জন্য ডাটাবেজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ জন্য প্রত্যেক উপজেলার দলের দপ্তর সম্পাদকদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় বৈঠক করবেন। প্রত্যেক উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে দলের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরি করা হবে।

বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়া প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, বিএনপি রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া দল। এই দলের কোনো আদর্শিক চেতনা নেই। এই দলে কে যে কখন কোন নির্দেশনা দেয় তা খুঁজে পাওয়া যায় না। বিএনপিকে এ দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। আমরাও এই দলকে নিয়ে আর কিছু বলতে চাই না। একেক এক সময় একেক জায়গা থেকে নেতৃত্ব আসে। কখনো জেলখানা থেকে, আবার কখনো লন্ডন থেকে আবার কখনো অন্য নেতাদের নির্দেশে চলে। যে কারণে কারো নির্দেশনাই এখন পালিত হয় না। তারা কেউ কাউকে মানে না।

১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন যথাযথভাবে পালন করার জন্য সারা দেশের দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ওই দিন কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj