পঞ্চপাণ্ডবের ৫০ জয়

বুধবার, ১৫ মে ২০১৯

খেলা প্রতিবেদক : বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাফল্যের পেথ্যে পাঁচটি খুঁটির অবদান অনেক বেশি। এ কারণে মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ডাকা হয় পঞ্চপাণ্ডব নামে। ক্রিকেট নিয়ে তাদের অর্জনের শেষ নেই। এমনকি পঞ্চপাণ্ডব একসঙ্গে গড়েছেন অনেক কীর্তি।

গত পরশু ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে উইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। দারুণ এই জয়ের ম্যাচে একাদশে ছিলেন পঞ্চপাণ্ডবের সবাই। আর এই জয়ের মধ্য দিয়ে ক্রিকেটের তিন সংস্করণ মিলিয়ে অর্থাৎ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এটি পাঁচ ক্রিকেটারের একসঙ্গে অর্জিত ৫০তম জয়, মানে জয়ের হাফসেঞ্চুরি। পঞ্চপাণ্ডব তাদের ৫০তম জয়টি পেয়েছেন একসঙ্গে খেলা ১০৩ নম্বর ম্যাচে এসে।

যেহেতু মাশরাফি বিন মুর্তজা আগেই বলে দিয়েছেন, এটাই তার শেষ বিশ^কাপ। অর্থাৎ পরের বিশ^কাপে একসঙ্গে দেখা যাবে না পঞ্চপাণ্ডবকে। তাই আর সবার মতো পাঁচ ক্রিকেটারও জানেন শেষটা রাঙাতে যা করার এই বিশ^কাপেই করতে হবে!

২০০৫ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয় পঞ্চপাণ্ডবের চার সদস্য সাকিব, তামিম, মুশফিক ও রিয়াদের। মাশরাফি টাইগার দলে ছিলেন আগে থেকেই। আর সেখান থেকেই বদলাতে শুরু করেছে এ দেশের ক্রিকেট। স্বাভাবিকভাবেই ওয়ানডে সংস্করণে তারা একসঙ্গে বেশি ম্যাচ খেলেছেন। কারণ টেস্টে এই পাঁচ ক্রিকেটার মিলে মাত্র একটি ম্যাচই খেলেছেন। ২০০৯ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ সফরে প্রথম টেস্ট। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক হিসেবে সেটি ছিল মাশরাফির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। টেস্টের তৃতীয় দিন পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। ইনজুরির জন্য আর টেস্ট খেলতে পারলেন না। সাকিবের নেতৃত্বে ম্যাচটি জিতেছিল বাংলাদেশ। পঞ্চপাণ্ডবের একসঙ্গে ওটাই প্রথম ও শেষ টেস্ট।

মাঝখানের সময়টাতে মাশরাফি চোটের কারণে হাতছাড়া করেছেন অনেকগুলো ম্যাচ-টুর্নামেন্ট-সিরিজ। এ ছাড়া ছোটখাটো চোটের কারণে সাকিব, তামিম বা অন্যরাও বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। ওই ম্যাচগুলোতে যদি পাঁচজন একসঙ্গে থাকতেন তাহলে জয়ের এই অর্ধশতক হয়তো আরো আগেই পূরণ হয়ে যেত। পঞ্চপাণ্ডব একসঙ্গে মাঠে থাকলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা বাড়ে।

খেলা-ধূলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj