ক্রীড়াবচন

মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৯

খেলাধুলা ও শরীর চর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের ছেলেমেয়েরা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অর্জন করবে, মেধা বিকাশের সুযোগ পাবে। এ জন্য এই উদ্যোগটা নিয়েছি। বিভিন্ন ইভেন্টে প্রতিযোগিতা হয়েছে। ক্রিকেট, ফুটবল, হ্যান্ডবল, সুইমিংসহ মোট ১০টি ইভেন্ট ছিল। খেলাধুলার এই প্রতিযোগিতা প্রাথমিক থেকে বিশ^বিদ্যালয় পর্যন্ত নিয়ে এসেছি আমরা। এরপর শুরু করব আন্তঃকলেজ প্রতিযোগিতা। এখান থেকে আমরা অনেক ভালো খেলোয়াড় পাব। যাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিদ্ব›িদ্বতার যোগ্যতা অর্জন করব এবং এক সময় বিশ^কাপ জিতব আমরা।

-বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ^বিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আমরা অতীতে কখনো বিশ^কাপে ৩০০ রান করিনি। কিন্তু আমাদের সামর্থ্য আছে। তামিম, সাকিব, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা অনেক অভিজ্ঞ। গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ইংল্যান্ডের মাটিতে তামিম অসাধারণ খেলেছে। মুশফিকের পারফরমেন্সও ছিল দুর্দান্ত। আর গত বিশ^কাপে মাহমুদউল্লাহ দুটি সেঞ্চুরি করেছে। তাদের সঙ্গে লিটন, সাব্বির ও সৌম্য তো আছেই। আমি মনে করি, যে ধরনের উইকেটে খেলা হবে তাতে ৩০০ রান করা বাংলাদেশের পক্ষে অসম্ভব নয়। প্রতি ম্যাচেই সম্ভব।

-বিশ^কাপে টাইগারদের সম্ভাবনা নিয়ে বলতে গিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ১৭৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলা মোহাম্মদ আশরাফুল।

প্রথম নারী হিসেবে পুরুষদের ক্রিকেটে আম্পায়ার হিসেবে দাঁড়াতে পেরে আমি দারুণ খুশি। এটা এমন এক রোমাঞ্চকর অনুভূতি যা ভাষায়

প্রকাশ করা যাবে না। নারী আম্পায়ারদের বিশ^জুড়ে ছড়িয়ে দিতে এটা দারুণ এক উদ্যোগ।

আর এমন উদ্যোগ নেয়ার জন্য আমি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) ধন্যবাদ জানাই।

-প্রথম নারী হিসেবে ছেলেদের ক্রিকেট ম্যাচে আম্পায়ারিং করার সুযোগ পাওয়া অজি নারী ক্লাইরি পোলোসাক।

:: খেলা ডেস্ক

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj