উচ্চশিক্ষায় প্রস্তুতি দরকার

বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৯

বিশ্ববিদ্যালয় এবং পড়ার বিষয় ভেদে ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষা কাজে লাগতে পারে। তাই লক্ষ্য এবং যোগ্যতা অনুসারে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত। কোনো কোনো পরীক্ষার জন্য শুধু ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা থাকাই যথেষ্ট, কোনোটার জন্য আবার একটু বড় পরিসরে প্রস্তুতি নিতে হয়।

উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন পরীক্ষার কোনো না কোনোটার স্কোর মোটামুটি আবশ্যক বলা যায়। আইইএলটিএস, টোয়েফল, জিআরই, জিম্যাট এবং স্যাট কোনটা কী কাজে আসে, সেটাই চলুন জানা যাক।

ইংরেজি ভাষার দক্ষতা প্রমাণের সনদ হচ্ছে আইইএলটিএস বা টোয়েফল। স্নাতক, স্নাতকোত্তর কিংবা পিএইচডি পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টোয়েফল স্কোর বেশ গুরুত্বপূর্ণ। টোয়েফল পরীক্ষার মোট স্কোর ১২০। চার ভাগে পরীক্ষা হয় রিডিং, লিসেনিং, স্পিকিং, ও রাইটিং। টোয়েফল পরীক্ষার ফি ১৮০ ডলার বা প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার টাকা। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে ভাষা দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে আইইএলটিএস স্কোর জমা দিতে হয়। এখন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও আইইএলটিএস স্কোর গ্রহণ করা হয়। আইইএলটিএস পরীক্ষার মোট স্কোর ৯। পরীক্ষা হয় চার ভাগে রিডিং, লিসেনিং, স্পিকিং ও রাইটিং। বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিল ও আইডিপি এডুকেশন অনুমোদিত বিভিন্ন কেন্দ্রে আইইএলটিএসের জন্য নাম নিবন্ধন করা যায় ও পরীক্ষা দেয়া যায়।

এ ছাড়াও, মেধা-দক্ষতা প্রমাণের জন্য জিআরই। বাংলাদেশে আপনি প্রকৌশল, বাণিজ্য কিংবা কলা অনুষদের যে কোনো বিষয়েই পড়ুন না কেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে কোনো বিষয়ে পড়ার ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য জিআরই স্কোর প্রয়োজন হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়েই জিআরই স্কোর গ্রহণ করা হয়। ৩৪০ নম্বরের এই পরীক্ষায় ভারবাল রিজনিং, কোয়ান্টিটেটিভ রিজনিং আর অ্যানালিটিক্যাল রাইটিংয়ের ওপর প্রশ্ন থাকে। জিআরই পরীক্ষার ফি প্রায় ২০৫ ডলার। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরীক্ষার ফি জমা দিতে হয়। নাম নিবন্ধনের সময়েই নির্ধারিত কেন্দ্র নির্বাচন করে পরীক্ষার সময় ঠিক করে নিতে হয়।

আবার সাধারণত ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয়ে পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে জিম্যাট স্কোর গ্রহণ করা হয়। গ্র্যাজুয়েট ম্যানেজমেন্ট অ্যাডমিশন টেস্টের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে জিম্যাট। ৮০০ নম্বরের এই পরীক্ষায় রাইটিং, ইন্টিগ্রেটেড রিজনিং, কোয়ান্টিটেটিভ ও ভারবাল এই চার ভাগে প্রশ্ন করা হয়। এই পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে প্রায় ২৫০ ডলার জমা দিয়ে নাম নিবন্ধন করতে হয়।

আর স্যাট হচ্ছে স্কলাস্টিক অ্যাসেসমেন্ট টেস্টের সংক্ষিপ্ত রূপ।

বাংলাদেশ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে স্নাতক পর্যায়ে কেউ যদি যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে চান, সে ক্ষেত্রে স্যাট স্কোর প্রয়োজন হতে পারে।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj