সংসদে মন্ত্রী : প্রাথমিকে শিশুদের ঝরে পড়া কমেছে

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, প্রাথমিক স্তরে শিশুদের ঝরে পড়া অনেক কমেছে। গতকাল সোমবার টেবিলে উত্থাপিত চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে একাদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু হয়। মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে সরকার ৮ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বছরের শুরুতে ভর্তি নিশ্চিত করা, নিয়মিত মা সমাবেশ, উঠান বৈঠক এবং হোম ভিজিট করা, বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা, রূপালী ব্যাংক শিউর ক্যাশের মাধ্যমে শতভাগ শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান করা।

অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ৬৫ হাজার ৫৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১ লাখ ৩৪ হাজার ১৪৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। মোহাম্মদ শহিদ ইসলামের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় ৬৪ জেলায় মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত ২৫০টি উপজেলায় ১৫-৪৫ বছর বয়স্ক ৪৫ লাখ নিরক্ষর নারী-পুরুষকে মৌলিক স্বাক্ষরতা প্রদানের কাজ চলমান রয়েছে।প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি-৪ এর সহায়তায় বিদ্যালয় বহির্ভূত ও ঝরে পড়া ৮-১৪ বছর বয়সের ১০ লাখের বেশি শিশুদের জন্য সেকেন্ড চান্স এডুকেশন শীর্ষক কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বেনজীর আহমদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত চালুকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভালো ভৌত অবকাঠামো ও পর্যাপ্ত শিক্ষা উপকরণ রয়েছে এ রকম ৮০৭টি বিদ্যালয় ৬ষ্ঠ শ্রেণি, ৭২৩টি বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণি এবং ৬৫২টি বিদ্যালয়ে ৮ম শ্রেণি চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমগ্র বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করায় শিক্ষার জন্য খাদ্য কর্মসূচি বন্ধ হয়ে যায়।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj