সৈয়দ মুজতবা আলী

সোমবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। মুজতবা আলী শান্তিনিকেতনে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর অধ্যয়ন করে ১৯২৬ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯২৯ সালে ‘হুমবল্ট’ বৃত্তি নিয়ে তিনি জার্মানি গিয়ে বার্লিন ও বন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন। সেখানে তিনি দর্শন বিভাগে তুলনামূলক ধর্মশাস্ত্রে গবেষণা করে ১৯৩২ সালে ডি ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর চাকরি জীবন শুরু হয় কাবুলের কৃষিবিজ্ঞান কলেজে ফরাসি ও ইংরেজি ভাষার প্রভাষক হিসেবে। ১৯৩৫ সালে তিনি বরোদা কলেজে তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক হন। তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামের ইতিহাস বিভাগে খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবেও কিছুকাল দায়িত্ব পালন করেন। সবশেষে তিনি বিশ্বভারতীর ইসলামের ইতিহাস বিভাগে রিডার (১৯৬১) হিসেবে যোগদান করে সেখান থেকেই ১৯৬৫ সালে অবসর গ্রহণ করেন। গ্রন্থাকারে তাঁর মোট ৩০টি উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী প্রকাশিত হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো : ভ্রমণকাহিনী দেশে-বিদেশে, জলে-ডাঙায়; উপন্যাস অবিশ্বাস্য, শবনম, শহরইয়ার; রম্যরচনা পঞ্চতন্ত্র, ময়ূরকণ্ঠী এবং ছোটগল্প চাচা-কাহিনী, টুনি মেম। তাঁর আরেকটি অনবদ্য গ্রন্থ পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj