বিপিএলে প্রথম : সুপার ওভারে নিষ্পত্তি হলো ম্যাচ

রবিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

খেলা প্রতিবেদক : বিপিএলের যাত্রা শুরু হয় ২০১২ সালে। এখন চলছে টুর্নামেন্টটির ষষ্ঠ আসরের খেলা। আগের পাঁচ আসরে যা ঘটেনি এবার সেটিরই সাক্ষী হলো বিপিএল। গতকাল চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটান্সের মধ্যকার ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে সুপার ওভারের মাধ্যমে, যা বিপিএলের ইতিহাসে প্রথম।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে গতকাল দিনের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় চিটাগং ভাইকিংস ও খুলনা টাইটান্স। ম্যাচটিতে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৫১ রান সংগ্রহ করে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। জবাব দিতে নেমে চিটাগংও ১৫১ রান করলে টাই হয় ম্যাচটি। ফলে প্রথমবারের মতো বিপিএলের কোনো ম্যাচ সুপার ওভারে গড়ায়। সুপার ওভারে চিটাগংয়ের দেয়া ১২ রানের জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ফ্রিলিঙ্কের ৬ বল থেকে ১০ রান তুলতে সমর্থ হয় খুলনা। ফলে ১ রানের জয় পায় মুশফিকের দল।

বিপিএলের ইতিহাস গড়ার ম্যাচটিতে জয় পেয়েছে চিটাগং ভাইকিংস। তবে ম্যাচ শেষ হলেও এখনো ম্যাচটি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ১৯ রান। সে হিসেবে জয়ের পাল্লাটা খুলনার দিকেই বেশি ভারী ছিল। কিপ্টে বোলার হিসেবে মাহমুদউল্লাহর খ্যাতি আছে। বিপিএলের গত আসরেও বেশ কয়েকটি ম্যাচে বল হাতে অল্প রান দিয়ে চমক দেখিয়েছেন তিনি। তাই সবার ধারণা ছিল শেষ ওভারটি অধিনায়ক নিজেই করবেন। তবে নিজে না এসে আরিফুলের হাতে বল তুলে দেন রিয়াদ। আর ওই ওভারে ৩ ছক্কায় ১৮ রান নিয়ে ম্যাচটি টাই করে চিটাগং। কেন আরিফুলের হাতে বল তুলে দেয়া হলো, ম্যাচ শেষে ঘুরে ফিরে বারবার আসছে এ প্রশ্নটা। উত্তরটা ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে রিয়াদ নিজেই দিয়েছেন। তিনি বলেন, তখন অফস্পিন দিয়ে সফল হওয়াটা কঠিন ছিল। আর আরিফুল যেহেতু ইয়র্কার দিতে পারে, তাই তার হাতে বল তুলে দিই আমি। তার ওপর আমার বিশ^াস ও আস্থা ছিল। তবে ম্যাচ হারের জন্য কাউকেই দায়ী করেননি খুলনার অধিনায়ক। তার মতে, আমরা জেতার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেছি। একে তো আমরা শেষ ওভারে ১৯ রান ডিফেন্ড করতে পারিনি। তার ওপর সুপার ওভারে রান করাও সম্ভব হয়নি। সুপার ওভারে ১২ রান করে জেতা মোটেই অসম্ভব নয়।

এবারের বিপিএলে চার ম্যাচ খেলে এখনো জয়হীন খুলনা টাইটান্স। তাই সেরা চারে থাকাটা কঠিন হয়ে উঠেছে তাদের জন্য। তবে আশা ছাড়ছেন না রিয়াদ। তিনি জানান, সামনের ম্যাচগুলোতে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করতে হবে। তবে চাপ নেয়া যাবে না। কেননা, চাপ নিয়ে খেললে পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে ওঠে। আমি চাই ম্যাচ টু ম্যাচ ভাবতে।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj