ঘন কুয়াশা : পদ্মার দুই ঘাটে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত

রবিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : ঘন কুয়াশায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে গতকাল শনিবার ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে সাড়ে ৪ ঘণ্টা এবং পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে আড়াই ঘণ্টা বন্ধ থাকে ফেরি চলাচল। মাঝ পদ্মায় ৪টি ফেরি নোঙর করতে হয়। এ সম্পর্কে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো রিপোর্ট-

শিবচর (মাদারীপুর) : ঘন কুয়াশায় শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে সাড়ে ৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ঘন কুয়াশার কারণে শনিবার ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মাঝ পদ্মায় ৪টি ফেরিসহ নৌরুটের সব ফেরি উভয় ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়। এ সময় প্রচণ্ড শীতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হন। কুয়াশার প্রকোপ কমলে সকাল ৯টার দিক ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাট সূত্র জানায়, শুক্রবার রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে কুয়াশা বাড়তে শুরু করে। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কুয়াশার প্রকোপ বৃদ্ধি পেলে নৌ চলাচলের দিকনির্দেশনামূলক বাতি, মার্কিং পয়েন্ট অস্পষ্ট হয়ে উঠলে দুর্ঘটনা এড়াতে এ রুটের সব ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এ সময় মাঝ পদ্মায় শতাধিক যানবাহন ও ৬ সহ¯্রাধিক যাত্রী নিয়ে ৪টি ফেরি নোঙর করে রাখা হয়। মাঝ পদ্মায় ও উভয় ঘাটে আটকে পড়া যাত্রীরা প্রচণ্ড শীতে চরম ভোগান্তির শিকার হন। গতকাল শনিবার সকাল ৯টার দিকে কুয়াশার প্রকোপ কমলে ফেরি চলাচল শুরু হয়।

বিআইডব্লিউটিসি কাঁঠালবাড়ী ঘাট ম্যানেজার আ. সালাম বলেন, এ শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশা নিত্যনৈমত্তিক সমস্যা। ভোর সাড়ে ৪টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।

মানিকগঞ্জ : ঘন কুয়াশার কারণে গতকাল আড়াই ঘণ্টা ফেরি পারাপার বন্ধ থাকার পর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে স্বাভাবিক হয় ফেরি চলাচল। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ফেরি পারাপার শুরু হয়। এর আগে ঘন কুয়াশার কারণে সকাল ৭টা থেকে ফেরি পারাপার বন্ধ ছিল।

পাটুরিয়া ফেরিঘাট শাখা বাণিজ্য বিভাগের ব্যবস্থাপক সালাউদ্দিন হোসেন জানান, শনিবার ভোর থেকে পদ্মা নদী এলাকায় কুয়াশা পড়তে শুরু করে এবং সকাল ৭টার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যায়। এতে ফেরির মার্কিং বাতির আলো অস্পষ্ট হয়ে গেলে সাময়িকভাবে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুয়াশা কমে গেলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হয়। আড়াই ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় এ নৌরুটের ফেরিঘাট এলাকায় শতাধিক যানবাহনের দীর্ঘ লাইন সৃষ্টি হয়। ফলে যাত্রী দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে যাত্রীবাহী বাস, ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি ও জরুরি পণ্যবাহী ট্রাকগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হয়।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj