বিরতির সময়টি কাজে লাগান

রবিবার, ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

অধিকাংশ কর্মজীবীই দৈনিক প্রায় আট ঘণ্টা কর্মস্থলে কাটান। এ সময়ে একটি বড় অংশ ছোট-বড় বিরতি নেন। বিরতির এ সময়টি সাধারণত কোনো কাজে ব্যয় হয় না। কিন্তু বিরতির এ সময়টিকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যয় করলে সৃষ্টিশীলতা বৃদ্ধি করা সম্ভব। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তার কিছু উপায়-

অগ্রাধিকার ঠিক করুন : কাজের সময় কোন কাজটির গুরুত্ব বেশি এবং কোনটির গুরুত্ব কম এ বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তাভাবনার সময় থাকে না। ফলে অনেকেই কম গুরুত্বপূর্ণ কাজে সময় নষ্ট করেন। এক্ষেত্রে বিরতির সময়টিতে আপনি কোনো কাজ না করলেও পরবর্তীতে কোন কাজটির গুরুত্ব বেশি তা নিয়ে ভেবে রাখতে পারেন। কাজ শুরু করার পর সেই অগ্রাধিকার অনুযায়ী কাজ করলে যথেষ্ট সুফল পাবেন।

উদ্যম ফেরানোর উপায় নির্ণয় : কাজ করতে করতে উদ্যম হারিয়ে যাবে। বিরতির সময়টিতে সে উদ্যম ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে। কাজের সময় যে উদ্যমগুলো হারিয়ে গেছে তা বিরতিতে কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় তা নির্ণয় করুন। কোন উপায়ে উদ্যম সবচেয়ে ভালোভাবে ফিরে আসে তা লক্ষ্য করুন। হতে পারে এটি কোনো পুষ্টিকর খাদ্য-পানীয় গ্রহণ, অন্য কোনো অর্থবহ কাজ, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা কিংবা সংবাদপত্র পড়ে নেয়া।

সঠিক সময় বিরতি : কর্মক্ষেত্রে বিরতি নেয়া উচিত কাজের সুবিধার্থেই। এক্ষেত্রে আপনার খেয়াল রাখতে হবে এটি যেন সঠিক সময়ে হয়। আপনি আবার যেন পূর্ণ উদ্যমে কাজে ঝাপিয়ে পড়তে পারেন সেজন্য বিরতির সময় প্রস্তুতি নেয়া উচিত। আর এক্ষেত্রে আপনি যদি কাজে অতিরিক্ত ক্লান্ত হয়ে পড়েন তাহলে বিরতি নেয়ার পরেও সে ক্লান্তি থাকতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সকালে কাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল ও দুপুরের মাঝামাঝি সময়ে একটি বিরতি নেয়া উচিত। এ সময়ে নেয়া বিরতি আপনার উদ্যম ও সৃজনশীলতা বাড়াবে।

ছোট বিরতিকে কাজে লাগান : অনেকেই কাজের সময় ছোট ছোট বিরতি নেন। তবে এ বিরতির সময়টি কোনো কাজে লাগানো সম্ভব হয় না।

আপনি যদি গত ৪৮ ঘণ্টার হিসাব করেন তাহলেও এরকম অসংখ্য সময়ের সন্ধান পাবেন। এ সময়গুলো সাধারণত কোনো কাজে লাগানো হয় না। কিন্তু একটু সতর্ক থাকলেই ১০-১৫ মিনিটের বিরতিগুলোকে ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনি চাইলেই আপনার মানসিক চাপ কমাতে এ বিরতিকে কাজে লাগাতে পারেন।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj