দুদক চেয়ারম্যান : মন্ত্রী-সাংসদদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা

বুধবার, ৯ জানুয়ারি ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : সদ্য সমাপ্ত হওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের হলফনামা সংগ্রহ করেছি। যাদের বিরুদ্ধে কালো টাকা ও অনিয়ম চিহ্নিত হবে তাদের সম্পদের তথ্য অনুসন্ধান করা হবে। একই সঙ্গে হলফনামা যাচাই-বাছাই করে সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। গতকাল মঙ্গলবার সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাধীন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ এসব কথা বলেন।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে উল্লেখ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতি দমনে সরকারের যে নির্বাচনী অঙ্গীকার রয়েছে, তাতে দুদক আত্মবিশ^াসী হয়ে নতুনভাবে আরো দৃঢ়তার সঙ্গে দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করবে। এ ছাড়া বেসিক ব্যাংক থেকে শুরু করে ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও নিয়োগ দুর্নীতিসহ সব দুর্নীতির বিরুদ্ধে আগামী দুই মাসের মধ্যে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দুদক চেয়ারম্যান বলেছিলেন, নির্বাচনে বিভিন্ন দল থেকে সাংসদ প্রার্থী হওয়াদের হলফনামা আমলে নিয়ে মন্ত্রী-সাংসদ ও আলোচিত নেতাদের পেশা, সম্পদের পরিমাণ ও আয়-ব্যয়ের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে। দুদকে সরকার আর বিরোধী দল বলে কোনো শব্দ নেই। দুদকের কাছে সবাই সমান। যার বিরুদ্ধেই অভিযোগ আসবে, অনুসন্ধান করা হবে। অনুসন্ধানের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দুদক সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জমা দেয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, প্রার্থীদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও সঞ্চয়পত্রের পরিমাণ দশ বছর আগের তুলনায় কয়েকশ’ গুণ পর্যন্ত বেড়েছে। প্রায় একই হারে বেড়েছে তাদের ওপর নির্ভরশীলদের সম্পদও। হলফনামা অনুযায়ী যারা রাতারাতি আঙুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন, তাদের সম্পদ অনুসন্ধানে শিগগিরই মাঠে নামবে দুদক।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj