২২ বছর বয়সে যা পারা উচিত

রবিবার, ৪ নভেম্বর ২০১৮

আপনার বয়স কি ২২ বা ২৩ বছর? লেখাপড়া শেষ করেছেন বা করেননি সেটা কোনো ব্যাপার নয়। বয়সের এই সময়সীমায় পৌঁছানোর পর আপনার কিন্তু কিছু অর্জন, যোগ্যতা বা জ্ঞান অবশ্যই থাকা উচিত। আমি জানি আপনাদের অনেকেরই সেই যোগ্যতাগুলো রয়েছে। যদিও সবার জীবনের চাওয়া পাওয়া এক নয়। এখানে সেরকম একটা লিস্ট দেয়া হলো। মিলিয়ে দেখুন তো কয়টা মিলছে আপনার সঙ্গে।

পাসপোর্ট : খুবই দরকারি। বিদেশে আমাদের দেশের আইডি কার্ডের চেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য এটা।

আজকাল পাসপোর্ট করাও আগের চেয়ে অনেক সহজ। না থাকলে নিজের জন্য করে ফেলুন। যে কোনো সময় কাজে লাগতে পারে।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট : ২২/২৩ বছর বয়সী প্রতিটি তরুণ-তরুণীর জন্য একটা সেভিং অ্যাকাউন্ট থাকা গুরুত্বপূর্ণ। না থাকলে আজই করে ফেলুন আশপাশের কোনো ব্যাংক থেকে। এ কাজে এমন কোনো ঝামেলাও তো নেই।

পাওয়ার পয়েন্ট স্কিল : নিজে নিজে একটা ১৫ ¯øাইডের প্রেজেন্টেশন বানানো আর তা ২০ জনের সামনে উপস্থাপন করার স্কিল থাকতেই হবে।

টিন সার্টিফিকেট : আয় করেন আর নাই করেন, একটা টিন নাম্বার নিয়ে ফেলেন। এই ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেটের মর্যাদাই আলাদা। প্রতি বছর শূন্য ট্যাক্স থাকলেও রিটার্ন দাখিল করেন। নিজেকে অনেক দায়িত্বশীল মনে হবে।

বেসিক এক্সেল : এই ডিজিটাল যুগে সবার জন্যই বেসিক এক্সেল জানা জরুরি। তাই বিপদে পড়ার আগেই শিখে নিন। মাত্র ১ মাস লাগবে। অবশ্য অ্যাডভান্স লেভেলের জন্য সময় আরো বেশি লাগবে।

একাডেমিক পেপার : অন্তত ৩০ পাতার একটা একাডেমিক পেপার বা থেসিস লেখার এক্সপেরিয়েন্স সবারই প্রয়োজন। তাই নানা সনদসহ আজই তৈরি করে ফেলুন। ক্যারিয়ারের জন্য খুবই দরকারি।

ফরমাল লেটার : দুইপাতার একটা ফরমাল বা অফিশিয়াল চিঠি লিখতে না পারলে বিএ/এমএ পাস করে লাভ নেই। আর জিপিএ ৫ কোনো কাজে আসবে না। তাই না জানলে এখনই শিখে ফেলুন।

আদবকায়দা : দৈনন্দিন জীবনে কিছু এটিকেট বা আদবকায়দা না জানলে চলে না। যেমন আপনি কি স্যুট পরেন বা না পরেন, একটা টাই বানতে জানা উচিত। কাটা চামচ দিয়া খাওয়াসহ ফরমাল ডাইনিংয়ের রীতিনীতি শেখাটাও জরুরি। এক্ষেত্রে ইউটিউবের সাহায্য নিতে পারেন। এগুলো শেখার জন্য কয়েক মিনিট সময়ই কিন্তু যথেষ্ট।

সাধারণ জ্ঞান : না আপনাকে বিদ্যার জাহাজ হতে কেউ বলছে না। তবে ভূগোল, ইতিহাস, বিজ্ঞানের কিছু সাধারণ জ্ঞান থাকা দরকার। যাতে আমেরিকা বা ইংল্যান্ড সম্পর্কে কোনো উল্টোপাল্টা প্রশ্ন করে বেকুব না হয়ে যান।

গাড়ি চালানো : নিজের একখানা গাড়ি থাকুক বা না থাকুক ড্রাইভিং শেখা ভালো। গাড়ি চালানো শিখে একটা লাইসেন্স নিয়ে নিন। নিজের কাছেই নিজের গুরুত্ব বেড়ে যাবে।

সাঁতার জানা : সাঁতার জানেন? তাইলে তো জীবন ১৬ আনাই মিছে! খেয়াল করে দেখেন আপনার বাসার আশেপাশেই অনেক পুকুর আছে।

নিজের সিভি : এক্সপেরিয়েন্স নাই, পড়াশোনাও শেষ হয় নাই? তাতে কি। লিখে ফেলুন না একটা! অনেকের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj