জেনে নিন : চিকিৎসক হতে চাইলে…

বৃহস্পতিবার, ২৫ অক্টোবর ২০১৮

ক্যারিয়ার গঠনে চিকিৎসা বিদ্যায় পড়াশোনার ইচ্ছা বেশিরভাগ মেধাবী শিক্ষার্থীর। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে যারা পড়তে চান, মার্কস মেডিকেল কলেজ হতে পারে তাদের জন্য অন্যতম প্রধান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে রাজধানী ঢাকায় মার্কস মেডিকেল কলেজ (এমআর এমসি) মার্র্কস গ্রুপের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দক্ষ চিকিৎসক তৈরিই ছিল এ কলেজটির মূল লক্ষ্য। এবছর এমআরএমসিতে ৮ম ব্যাচের এমবিবিএস কোর্সে ২০১৮-১৯ সেশনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। সরকার ঘোষিত এ বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই যথাযথ প্রক্রিায়ার মাধ্যমে মার্কস মেডিকেল কলেজে ভর্তি হতে পারবে।

রাজধানী ঢাকার মিরপুর-১৪তে এ/৩ প্রধান সড়কে অত্যন্ত মনোরম পরিবেশে মার্কস মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১১-১২ সেশনে প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ভর্তির মাধ্যমে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে দেশের সফল চিকিৎসক ও শিক্ষানুরাগী প্রয়াত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মাসুদুর রহমান (এমআর) খান এ কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন দক্ষ চিকিৎসক গড়ার লক্ষ্য নিয়ে। প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দেশে চিকিৎসকের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা করে তিনি এ প্রতিষ্ঠানটি শুরু করেন।

বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছেন আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মেজর জেনা. (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। বর্তমানে উপাধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন অধ্যাপক ডা. ইকবাল মাসুদ খান এবং সার্বিক প্রশাসনিক বিষয়াদি দেখাশোনা করেনে দি মার্কস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) তারিক মাসুদ খান যিনি যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বিবিএ ও এমবিএতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এ কলেজের পাঠদান পরিচালনা করেন উচ্চ ডিগ্রিধারী একদল অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষকমণ্ডলী যার নেতৃত্বে রয়েছেন মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দিন। শিক্ষকমণ্ডলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং প্রভাষকবৃন্দ রয়েছেন যারা শিক্ষার্থীদের মাঝে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে পাঠদান করেন। তারা সবাই দক্ষতার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছেন বলে সবার অভিমত।

এমআরএমসির রয়েছে নিজেস্ব ক্যাম্পাসে ডিজিটাল প্রযুক্তিসমৃদ্ধ শ্রেণীকক্ষ, লেকচার গ্যালারি, কম্পিউটার ও পরীক্ষাগার কক্ষ। এখানকার পাঠদান পদ্ধতি খুবই আধুনিক। এ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকতে হয়। বিষয়ভিত্তিক পাঠদান শেষে শিক্ষার্থীদের সাপ্তাহিক, মাসিক ও টিউটোরিয়াল পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। তাই কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় পাস না করে পরবর্তী সেশনে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ নেই। এ প্রসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ডা. মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ছাত্র-শিক্ষকের সুসম্পর্কের প্রতি যতœবান। শিক্ষার্থীদের যে কোনো সমস্যা সম্পর্কে আমরা সচেতন। তারা প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। ইতিমধ্যেই আমাদের পাস করা শিক্ষার্থীরা নিজস্ব ক্যাম্পাসে ৩৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ইন্টার্নশীপ ট্রেনিং করেছে ও অনেকে ট্রেনিং সম্পূর্ন করে অত্র হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত আছে। যোগাযোগ: এ/৩, মেইন রোড, মিরপুর-১৪ ঢাকা-১২০৬।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj