অপমানিত হয়েই লিখতে বসা : হরিশংকর জলদাস

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর ২০১৮

বাবা জেলে। দাদা কখনো জেলে, কখনো সুইপার। টানাপড়েনের জীবন। সমুদ্রে ঠাকুরদা চন্দ্রমণি পাতরের মৃত্যু। অতঃপর ছেলেকে পড়ালেখা শেখাবেন বলে পণ করেন যুধিষ্ঠির জলদাস। যেই কথা সেই কাজ। বিসিএস ক্যাডার (শিক্ষা) হলেন ছেলে হরিশংকর জলদাস। তবে পরিবারের অনটন তখনো কাটেনি। রাতভর মাছ ধরে দিনে কলেজে যেতেন পরিপাটি হয়ে। জীবন সংগ্রামে টিকে থাকতে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত সমুদ্রে মাছ ধরতে হয়েছে তাঁকে। তবে এত লড়াই-সংগ্রামের পরও পিছু ছাড়েনি জাওলার পোলার অপবাদ। ফলে আবারো ঘুরে দাঁড়ালেন হরিশংকর জলদাস। ৫৫ বছর বয়সে প্রথম উপন্যাস লিখে হৈচৈ ফেলে দেন হরিশংকর। তাঁর পরের ইতিহাস বাংলাদেশের কথাসাহিত্যের ইতিহাসে যোগ করে এক নতুন মাত্রা। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হরিশংকর জলদাসের জন্ম ১৯৫৫ সালের ১২ অক্টোবর। চট্টগ্রামের উত্তর পতেঙ্গার জেলে পরিবারে জন্মগ্রহণ করা এ কথাকার নিজেকে ‘জলপুত্র’ হিসেবে পরিচয় দিতে বেশি ভালোবাসেন। এ পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ প্রায় ত্রিশটি। কথাসাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন শব্দের এই জাদুকর। এ ছাড়া তাঁর লেখা উপন্যাস ‘দহনকাল’ প্রথম আলো বর্ষসেরা গ্রন্থ নির্বাচিত। অন্যান্য সাহিত্য পুরস্কার তো প্রচুর। নিম্নবর্গের নতুন রূপকার হরিশংকরের জীবনের নানা গল্প মানুষকে আশান্বিত করবে, আলোর পথ দেখাবে। নিজের চারপাশে দেখা গল্পগুলোকেই উপন্যাসে সাজিয়েছেন তিনি। সমুদ্রপাড়ের জেলেদের লড়াই-সংগ্রামের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে তাঁর লেখার বাঁকে বাঁকে। হরিশংকর নারীর সংগ্রামী জীবনের পাশাপাশি জলপুত্রদের অধিকার সচেতন হয়ে ওঠার গল্প শুনিয়েছেন বারংবার। সমীর চক্রবর্তীর সাথে দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে তাঁর জীবনের নানা গল্প। একই সাথে উঠে এসেছে শিল্প, সাহিত্য, সাম্প্রদায়িকতাসহ নানা প্রসঙ্গ। সে সবই তুলে ধরা হলো পাঠকদের সামনে।

প্রশ্ন: জেলে পরিবারের সন্তানের কেন পড়তে চাওয়া?

হরিশংকর জলদাস: আমার জন্ম যে পাড়ায়, সেখানে কেউ স্কুলে গেছে- সেটা ছিল অবাক করার মতো। তার উপর স্কুল, কলেজ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পার হওয়া ছিল স্বপ্নাতীত। বাবা বলতেন, তোকে পশ্চিম ছেড়ে পূর্বদিকে আলোর পথে যেতে হবে। আমাদের পাড়ার পশ্চিমে সমুদ্র, পূর্বে স্কুল। আমাকে স্কুলমুখী করতে তার অবদানই সবচেয়ে বেশি। আমার দাদা চন্দ্রমণি পাতর বার্মা অয়েল কোম্পানিতে কিছুদিনের জন্য সুইপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

তবে সমুদ্রের নীলজলের প্রতি ছিল তাঁর বিশাল টান আর উন্মাদনা। ফলে চাকরি ছেড়ে তিন মাসের জন্য কালীদহ সমুদ্রে দল নিয়ে মাছ ধরতে গেলেন তিনি। সমুদ্রে থাকা অবস্থায় আশ্বিন মাসের কোনো এক তারিখে ঝড়ের কবলে পড়ে মারা যান তিনি। লাশটাও পাওয়া যায়নি। বাবার বয়স তখন মাত্র আড়াই বছর।

কঠিন বাস্তবতায় তিনি পঞ্চম শ্রেণির বেশি পড়তে পারেননি। পরিবারের ভাতের নিশ্চয়তা প্রদান বড় কাজ হয়ে দাঁড়ায় তখন। পিতার মৃত্যু এবং সমুদ্রের সাথে নিজের নিরন্তর লড়াইয়ের কারণেই হয়তো সমুদ্রের বিরুদ্ধে তাঁর অলিখিত একটা যুদ্ধ ছিল। প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, তাঁর জীবন সমুদ্র সংগ্রামে কাটাবেন কিন্তু ছেলেদের তিনি সমুদ্রে পাঠাবেন না। কিন্তু ‘বেঁচে থাকার জন্য আমাকে বারবার সমুদ্রে যেতে হয়েছে। তারপরও নিরক্ষর দিদিমা পরাণেশ্বরী দেবীর অনুপ্রেরণা এবং বাবা যুধিষ্ঠিরের সমুদ্রের সঙ্গে যুদ্ধটাই আমাকে পড়া চালিয়ে যাওয়ার শক্তি জোগিয়েছে।’

প্রশ্ন: আপনার পড়াশোনা সম্পর্কে জানতে চাই

হরিশংকর জলদাস: পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম কলেজ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েই আমার পড়াশোনা। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে আমি ‘নদীভিত্তিক বাংলা উপন্যাস ও কৈবর্তজনজীবন’ বিষয়ে গবেষণা করে ২০০৭ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করি।

প্রশ্ন: লেখালেখিতে কীভাবে এলেন?

হরিশংকর জলদাস: মানুষতো ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়ে লেখে। বাংলাদেশে বোধকরি আমিই একমাত্র, যে অপমানিত হয়ে লিখতে বসেছি। অবাক করার বিষয় হচ্ছে, আমার প্রথম উপন্যাস বের হয় ৫৫ বছর বয়সে। তার আগে আমি একটি ছোট গল্পও লিখিনি!

প্রশ্ন: অপমানের সেই গল্পটা কী?

হরিশংকর জলদাস: চাকরি করতে গিয়ে আমি চরম সা¤প্রদায়িকতার শিকার হলাম। পিএইচডি হোল্ডার হিসেবে আমাদের বিভাগীয় প্রধানের বেশ অহঙ্কার ছিল। একই সাথে তাঁর ভেতর প্রবল সাম্প্রদায়িকতা কাজ করতো। তিনি আমাকে জাত-পাত তুলে অপমান করতেন। বলতেন, জাওলার ছাওয়ালটা কই? তার তো ক্লাস ছিল। জেলে স¤প্রদায়ে জন্মগ্রহণ করেছি বলেই কী গালিটা সারাজীবন বয়ে যেতে হবে? তখনই ভাবলাম, আমার শেকড়ের সন্ধান করা প্রয়োজন। তখন থেকেই আমার ভেতর একটা অভিমান চাপলো। সিদ্ধান্ত নিলাম আমি জানবো জেলেরা আসলেই নিন্দিত কিনা। এরপর প্রফেসর ড. ময়ুখ চৌধুরীর কাছে আমার পিএইচডি করতে যাওয়া। কাজ করতে গিয়ে দেখলাম, আমাদের আদি কবি ব্যাসদেব হলেন জেলেনীর সন্তান। মানে ব্যাসদেব আমাদেরই পূর্বপুরুষ। অদ্বৈত মল্লবর্মণ, একুশে পদকপ্রাপ্ত বিনয়বাঁশি জলদাসদের কথা জানলাম। তারপর বসে গেলাম লেখার টেবিলে।

প্রশ্ন: ‘জলপুত্র’ নিয়ে কিছু শুনতে চাই

হরিশংকর জলদাস: ‘জলপুত্র’ আমারই স¤প্রদায়ের ভূগোল-ইতিহাস। জেলেদের প্রাপ্তি-হাহাকার, আনন্দ-বিলাপ, মৃত্যু আর জেগে ওঠার চালচিত্র এটি। এই উপন্যাসে আমি একটি আওয়াজ তুলতে চেয়েছি, অধিকার বোধের আওয়াজ, বেঁচে থাকতে পারার আওয়াজ। ‘জলপুত্র’ আমার প্রথম উপন্যাস, প্রথম সন্তানের মতো। বর্ণবাদীদের সামাজিক অপমানের জবাব দিতে গিয়ে ৫৫ বছর বয়সে হাতে কলম তুলে ‘জলপুত্র’ লেখা।

প্রশ্ন: জেলেজীবন নিয়ে এর আগেও লেখা হয়েছে, তারপরেও ‘জলপূত্র’ পাঠকমহলে ব্যাপক সাড়া জাগানোর কারণ কী?

হরিশংকর জলদাস: বাংলা সাহিত্যে যে উপন্যাসগুলো লেখা হয়েছে, তাতে নদীকেন্দ্রিক জেলেদের নিয়ে উপন্যাস থাকলেও সমুদ্রপাড়ের জেলেদের নিয়ে দুই বাংলার কেউই উপন্যাস লিখেননি। কিছু অসঙ্গতিও ছিল। যেমন ‘পদ্মানদীর মাঝি’র কথা যদি বলি, তাতে কপিলা চরিত্রটার প্রয়োজন ছিল না। সমরেশ বসু যখন ‘গঙ্গা’ লিখছেন, তাতে বিলাসকে নিয়ে প্রেমের জায়গাটাই বেশি বিস্তৃত করেছেন। অন্যদিকে আমার উপন্যাসে সমাজের চিত্রটা তুলে ধরেছি। একই সাথে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার পুরো ব্যবহার করেছি। এই বিষয়গুলো হয়তো পাঠকদের কাছে নতুন লেগেছে।

প্রশ্ন: ‘নোনাজলে তুবসাঁতার’ কেন?

হরিশংকর জলদাস: জন্ম আমার নোনা জলধি বঙ্গোপসাগরের ক‚লে। জীবনের যতটুকু পথ হাঁটা হলো, তার বাঁকে বাঁকে নোনা, তিতা অভিজ্ঞতার ছড়াছড়ি। আমার মনে হলো কাম-ঘাম-রক্ত-পুঁজ-ভালোতে-কালোতে ভরা আমার ছেষট্টি বছরের যে জীবন, তার ইতিহাস লিখলে পাঠক খুব বেশি ঠকবেন না। তাই ‘নোনাজলে ডুবসাঁতার’ লিখতে বসা।

প্রশ্ন: কোন উপন্যাস লিখে বেশি তৃপ্তি বোধ করেছেন?

হরিশংকর জলদাস: ‘রামগোলাম’। হরিজনদের জীবনগাথা এই ‘রামগোলাম’। উপন্যাসটি লিখে আমি সর্বাধিক তৃপ্তি পেয়েছি। এই উপন্যাসটি আমাকে সাধারণ পাঠক পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছে। যাদের নিয়ে কেউ কথা বলে না, তাদের বেদনা-হাহাকারের ইতিহাস লিখতে পেরে আমার আনন্দের সীমা থাকেনি। ২০১২ সালে প্রথম বের করলো উপন্যাসটি। সে বছর রামগোলাম ‘সিটি আনন্দ আলো পুরস্কার’ লাভ করে। সে বছরই উপন্যাসটির জন্য বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সম্মাননা পদক দেয়া হয়। এখন বাজারে ষষ্ঠ মুদ্রণ চলছে।

প্রশ্ন: ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাস নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

হরিশংকর জলদাস: একবার একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় প্রশ্নকর্তা জানতে চেয়েছিলেন, ‘পদ্মা নদীর মাঝি’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ এই দুটি উপন্যাসের মধ্যে কোনটি শ্রেষ্ঠ মনে হয়? সেই অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. শামসুজ্জামান খান, সেলিনা হোসেন ছিলেন। আমি মুহূর্তকাল চিন্তা না করে বললাম, আমার কাছে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সবচেয়ে ভালো বলে মনে হয়। উপস্থিত সবাই কিন্তু ডানে-বামে মাথা নেড়েছিলেন। আমি জেলে ঘরে জন্মেছি। তাই স্বাভাবিকভাবেই জেলেদের খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। মনে হয়েছে, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলে সমাজের যে চিত্র তুলে ধরেছেন সেটা অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের চিত্র। সেখানে কিন্তু কোনো সামাজিক বিন্যাসের কথা বলা হয়নি। এই বিন্যাসের কথা অদ্বৈত মল্লবর্মণের মধ্যে এসেছে। আমরা সবাই বলি, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানসপুত্র হলো হোসেন মিয়া। অথচ সেই হোসেন মিয়াকে দিয়েই কিন্তু লেখক আফিমের চোরাচালানের ব্যবসা করিয়েছেন। মূল ভূখণ্ড থেকে ময়নাদ্বীপে মানুষকে নিয়ে গেছেন জোর করে। নানারকম চালাকি করে। এ বিষয়গুলো আমার কাছে সমর্থনযোগ্য মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছে জেলেজীবনের মূল সূত্রের যে স্পন্দন, সেই প্রকৃত স্পন্দন ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ উপন্যাসের মধ্যে অনুভব করা যায়।

প্রশ্ন: ’৭১-পরবর্তী সময়ে কী এ দেশে সাহিত্যের বিকাশ মন্থর হয়েছে?

হরিশংকর জলদাস: একাত্তর পর্যন্ত আমরা সব সময় মূলের অনুক‚লে থেকে সাহিত্য রচনার চেষ্টা করেছি। বিশেষ করে কবিতা এবং নাটকে প্রবল জোয়ার এসেছিল। কিন্তু ’৭৫-পরবর্তী সময়ে অশুভ শক্তির উদ্বোধনের পরে লেখকদের মধ্যে একটি আপসকামী মনোভাব তৈরি হয়েছে। অল্পতেই আমরা বড় সাহিত্যিক হতে চাই। একটা সময় এমন এমন মানুষকেও একুশে পদক, স্বাধীনতা পদক কিংবা বাংলা একাডেমি পদক দেয়া হয়েছে, যাঁদের মানুষ চিনতোও না। ইদানীং গালিগালাজ করেও বাংলা একাডেমি পদক পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি লজ্জার এবং হতাশার।

প্রশ্ন: সামনে কোন বিষয় নিয়ে লেখার কথা ভাবছেন?

হরিশংকর জলদাস: ‘রামায়ণ’-এর বাংলা অনুবাদক কৃত্তিবাসকে নিয়ে একটি উপন্যাস লেখার পরিকল্পনা রয়েছে আমার। মৎস্যগন্ধা লেখার আগেই সেটিতে হাত দেয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি দৈনিকের অনুরোধে সেটিকে দূরে সরিয়ে রেখে মৎস্যগন্ধার কাজ হাতে নিয়েছি। তবে ইতোমধ্যে কৃত্তিবাস নিয়ে পড়া শুরু করেছি।

প্রশ্ন: আপনার জীবনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি কি করতে পেরেছেন?

হরিশংকর জলদাস: নিশ্চিতভাবে না। কোনোক্রমেই নয়। যে লেখক নিজের লেখা নিয়ে তৃপ্তিবোধ করেন সে লেখক তখন মরে যান। কারণ অতৃপ্তিবোধই আমাদের দিয়ে লিখিয়ে নেয়। আমি অপেক্ষায় আছি যদি মৃত্যুর আগেও অন্তত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’-এর মতো একটি উপন্যাস লিখতে পারি! আমার একটি উপন্যাস যদি কালকে অতিক্রম করে যেতে পারে তাহলে সেদিনই আমার জীবন সার্থক হবে। মৃত্যুর পরও যখন আমার জন্মভিটার খোঁজে মানুষ জেলেপাড়ায় যাবে, তখন বলা যাবে আমি কিছু একটা লিখতে পেরেছি।

প্রশ্ন: আপনার বাবা আপনার কতটুকু দেখে যেতে পেরেছেন?

হরিশংকর জলদাস: বিসিএস করে কলেজে প্রভাষক হওয়া পর্যন্ত তিনি দেখে গিয়েছেন। তখন সব মিলিয়ে ষোলোশ আটান্ন টাকা বেতন পেতাম আমি। নীলফামারিতে চাকরি করে সব খরচ মিটিয়ে মা-বাবাকে তেমনভাবে সাহায্য করার মতো ক্ষমতা আমার তখনো ছিল না। বাবা যখন মারা যাচ্ছে, তখন তার লুঙ্গিতে গিঁট দেয়া ছিল। আমার মায়ের সবথেকে ভালো কাপড়টাও ছেঁড়া ছিল। তবে আমার বেতনের টাকায় মা-বাবার আসক্তি ছিল না, শুধু অহঙ্কার ছিল যে তাদের ছেলে অধ্যাপক হয়েছে। তবে পিএইচডি করা কিংবা আমার লেখা বই তিনি দেখে যেতে পারেনি।

সাময়িকী'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj