শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর ২০১৮

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি : রাঙ্গাবালী উপজেলার কাছিয়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মনজুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে ২৬ জন অভিভাবক বরিশাল মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের অনুলিপি শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিব ও জেলা প্রশাসককে দেয়া হয়।

জানা গেছে, ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান অবসর গ্রহণ করলে সহকারী শিক্ষক মো. মনজুরুল আলমকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেয়া হয়। দীর্ঘ ৬ বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ভর্তি ফি, সেশন ফি, জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফি ও ফরম পূরণে বরিশাল বোর্ডের নির্ধারিত ফি থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে জেএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফি ৬৫ টাকা, কিন্তু কোনো প্রকার রসিদ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হয় ৫শ টাকা। ২০১৮-১৯ সেশনে নবম শ্রেণির রেজিস্ট্রেশনে বোর্ড নির্ধারিত ফি ১৬৫ টাকা, আদায় করা হয় ৬শ টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ভর্তি ফি ৫শ টাকা নির্ধারিত হলেও নেয়া হয় ৮শ টাকা এবং অনিয়মিতদের কাছ থেকে নেয়া হয় ১২শ টাকা।

প্রবেশপত্র বিতরণে অর্থ আদায়ের নিয়ম না থকলেও হল ফি দেয়ার নাম করে ১১শ টাকা করে নেয়া হয়। ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণে ১২শ টাকা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত থাকলেও পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি’র নাম করে দেড় হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। কোনো নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলে প্রধান শিক্ষক মনজুরুল ইসলাম আত্মসাৎ করেন।

এ ছাড়া দীর্ঘ ৬ বছরেও ম্যানেজিং কমিটি না করে খেয়াল খুশিমতো প্রতিষ্ঠান চলাচ্ছেন তিনি। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জানতে চাইলে মনজুরুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান জানান, বরিশাল মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে অভিভাবকদের লিখিত অভিযোগের বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে এখনো কোনো ডকুমেন্ট হাতে পাইনি।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj