এনসিএলে একদিনে চার ড্র

শুক্রবার, ১২ অক্টোবর ২০১৮

খেলা প্রতিবেদক : বৃষ্টি বাগড়ার কারণে জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলোতে জিততে পারেনি কোনো দলই। গতকাল ছিল সব কটি ম্যাচের চতুর্থ এবং শেষ দিনের খেলা। ভিন্ন ভিন্ন ভেন্যুতে চারটি ম্যাচই ড্র হয়েছে। বরিশাল ডিভিশন-খুলনার ডিভিশনের বিপক্ষে, রংপুর ডিভিশন-রাজশাহীর বিপক্ষে, চিটাগাং ডিভিশন-সিলেটের বিপক্ষে এবং ঢাকা ডিভিশন-ঢাকা মেট্রোপুলিশের বিপক্ষে ড্র করেছে।

এনসিএলের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা প্রায় ভেস্তেই গেল বৃষ্টি বাগড়ার কারণে। রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে রংপুর ডিভিশন। কিন্তু প্রথম দিনে খেলা হয়েছে মাত্র ২৭ ওভার। দ্বিতীয় দিনের খেলায় ১৫৭ রান করেই গুটিয়ে যায় রংপুরের ইনিংস। অন্যদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাট করতে থাকেন রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা। নাজমুল হোসাইন শান্ত, মিজানুর রহমান এবং জুনায়েদ সিদ্দিকের সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ৪ উইকেটে ৫৮৯ রান সংগ্রহের পর ইনিংস ঘোষণা করে রাজশাহী। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দারুণ খেলতে থাকেন রংপুরের ওপেনার লিটন দাস। মাত্র ১৪২ বলে ২০৩ রান করেন তিনি। বৃষ্টির কারণে গতকাল মাঠে বল গড়ায়নি। ফলে ড্র নিয়েই দুদল মাঠ ছাড়ে। লিটন দাস ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন। বৃষ্টির কারণে একদিনেও ৯০ ওভার অনুষ্ঠিত হয়নি। এ ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সব কটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ২০৬ রান সংগ্রহ করে ঢাকা ডিভিশন। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৮ রান করেন তাইবুর রহমান। মেট্রোপুলিশের হয়ে একাই ৭টি উইকেট নেন আরাফাত সানি। নিজেদের প্রথম ইনিংসে সব কটি উইকেট হারিয়ে ৩৮৭ রান সংগ্রহ করে মার্শাল আইয়ুব বাহিনী। দলীয় ওপেনার সাদমান ইসলাম একাই ১৮৯ রানের ইনিংস খেলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটের বিনিময়ে ৫০ রান সংগ্রহ করে ঢাকা ডিভিশন। গতকাল আর মাঠে বল গড়ায়নি। ফলে ড্র হয় ম্যাচটি। সাদমান ইসলাম ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।

খুলনায় অনুষ্ঠিত বরিশাল ডিভিশন-খুলনা ডিভিশন মধ্যকার ম্যাচে চার দিনে মাত্র ২০০ ওভারের মতো খেলা হয়েছে। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২৯৯ রান সংগ্রহ করে বরিশাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রান করেন নুরুজ্জামান। ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস করেন ৪১ রান। স্বাগতিক খুলনার হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন আল আমিন হোসেন এবং আব্দুর রাজ্জাক। এদিকে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি আব্দুর রাজ্জাক বাহিনী। তবে আফিফ হোসেন এবং জিয়াউর রহমানের ১৫৩ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহে পৌঁছায় খুলনা। ৭ উইকেটে ৩৪৯ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১১২ রান করেন জিয়াউর রহমান। ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন আফিফ। বৃষ্টি বাগড়ায় তৃতীয় এবং চতুর্থ দিনে মাঠে নামা সম্ভব না হলে ম্যাচটি ড্র হয়।

কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত চিটাগাং-সিলেট ডিভিশন মধ্যকার ম্যাচে প্রথম দিন ছাড়া বল আর মাঠে গড়ায়নি। প্রথম দিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৮২ রান সংগ্রহ করে চিটাগাং। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০৬ রান করেন ওপেনার সাদিকুর রহমান।

খেলা-ধূলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj