উন্নত বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনার নেতৃত্ব অপরিহার্য

রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮


পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবী মহলের সাম্প্রতিকতম উপলব্ধি হলো তাদের দেশের (পাকিস্তানের) উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা! যেখানে রাষ্ট্র থাকবে ধর্ম থেকে আলাদা এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষকে সমান গুরুত্ব দেয়া হবে! বাংলাদেশের এই অভাবনীয় উন্নতি সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। পাকিস্তানি বুদ্ধিজীবীদের এমন উপলব্ধি হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমরা যারা বাংলাদেশে আছি তারা জানি, নিজের মাতৃভূমির উন্নতিতে অনেক বাংলাদেশীই খুশি হতে পারছে না। স্বাধীন বাংলাদেশে অবস্থানকারী পাকিস্তান আদর্শের অনুসারীদের পরিবর্তিত হওয়া এখন সময়ের প্রয়োজন। পাশাপাশি যে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই মহান আদর্শের নাম ব্যবহার করে যারা প্রতারণা ও জালিয়াতি করেছে এবং এখনো করছে তাদেরও চিহ্নিত করা এখন সময়ের প্রয়োজন! এ ধরনের বাংলাদেশিরা বাংলাদেশে বসবাসকারী ছদ্মবেশী পাকিস্তানি। যাদের অন্তরে পাকিস্তান বাইরে বাংলাদেশ। যা হোক, এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের ছদ্মবেশী ও প্রকাশ্য পাকিস্তানপ্রেমীদের জন্য সাম্প্রতিক একটি জরিপের ফলাফল উল্লেখ করা যেতে পারে। এই জরিপে দেখা যাচ্ছে দেশের ৬৬ শতাংশ নাগরিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগ দলটির প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন দেশের শতকরা ৬৪ জন নাগরিক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের পক্ষে সেন্টার ফর ইনসাইটস ইন সার্ভে রিসার্চ এবং ক্রিয়েটিভ রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট কর্তৃক সম্পন্নকৃত ঘধঃরড়হধষ ঝঁৎাবু ড়ভ ইধহমষধফবংযর চঁনষরপ ঙঢ়রহরড়হ শীর্ষক এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে এ মাসের ৫ তারিখে। এ বছরেরই এপ্রিল ১০ থেকে মে ২১ পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশের ৮টি বিভাগ এবং ৬৪টি জেলায় মাল্টিস্টেজ স্ট্রাটিফায়েড নমুনার ভিত্তিতে ইন্-পার্সন, ইন্-হোম সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে এই জরিপটি করা হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, শেখ হাসিনার প্রতি এ দেশের মানুষের এই সমর্থনের কারণ কী? এর উত্তর যদি হয় ‘দেশের উন্নয়ন এবং জনগণের কল্যাণ’ তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আর একটি প্রশ্ন করা যেতে পারে তা হলো এই অবিস্মরণীয় উন্নয়নইবা তিনি কীভাবে সম্ভব করে তুলেছেন? ষড়যন্ত্র এবং জীবনের ঝুঁকি সত্ত্বেও তিনি কীভাবে বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলছেন?

বাবা-মা, ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী সবাইকে রেখে বোন শেখ রেহানাসহ গিয়েছিলেন জার্মানিতে। কিছুদিন পরই জানতে পারেন যাদের তিনি রেখে গিয়েছিলেন তাদের সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সমগ্র বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য এক শোকাবহ দিন। এদিন শুধু ক্ষমতা নয় সমগ্র বাংলাদেশটাকেই পাকিস্তানিকরণের প্রচেষ্টা শুরু হয়। তারপর তিনি যাতে দেশে ফিরতে না পারেন তার জন্য সে সময়ের সামরিক এক নায়ক জিয়াউর রহমান সব ধরনের চেষ্টা করেছে। ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ স্বদেশে তিনি যেদিন দিল্লি থেকে ফিরে এসেছিলেন সে সময় আমি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্র ছিলাম। সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকের দায়িত্ব পালন করতে হয়েছিল। পরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের পাশে মিরপুর রোডে তাকে নেতাকর্মীদের নিয়ে মিলাদ পড়তে হয়েছে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকার সময় প্রায় ২২ বার তাকে হত্যার চেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। অতএব, শেখ হাসিনা অনেক দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে এ পর্যন্ত এসেছেন এবং দেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছে দিয়েছেন। তার জন্য এ বিষয়টি ‘আসলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন’ এমন ছিল না। দেশ ও জনগণের উন্নয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সফলতার পেছনে অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষা কাজ করেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন ও যৌবনের সবকিছু ত্যাগ করেছেন। কারাবরণ করেছেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছেন। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার দেশ, আমি বাঙালি। ফাঁসি দেয়া হলে মৃতদেহটা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেছেন তিনি পাকিস্তানের সামরিক শাসকদের। বাংলা ভাষা, বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির প্রতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অকৃত্রিম ভালোবাসার কারণেই জনগণ তাঁর ডাকে ‘সাড়া দিয়ে আপন ইচ্ছায় রাজপথে বেরিয়ে’ আসত। বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার আন্তরিকতার প্রতিও এ দেশের জনগণের আস্থা প্রমাণিত হয়েছে। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে আইআরইয়ের জরিপের ফলাফলে। তবে ষড়যন্ত্র এখনো বর্তমান সরকার তথা শেখ হাসিনার পিছু ছাড়েনি।

সাম্প্রতিক বাংলাদেশের রাজনীতির খবর যারা রাখেন তারা নিশ্চই এটি স্বীকার করবেন যে, বর্তমান সরকারের সফলতায় ঈর্ষান্বিত একটি মহল ক্ষমতার লোভে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাটও সম্পৃক্ত। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখে বার্নিকাট ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত হিসেবে যোগদান করেছিলেন। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর এ বছরের আগস্ট মাসের ৩১ তারিখে তার ওয়াশিংটনে রিপোর্ট করার কথা ছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতের পাশাপাশি বার্নিকাট অন্যদের কাছ থেকেও বিদায় নিয়েছিলেন। ড. ইউনূসের সঙ্গে বার্নিকাট ‘আমেরিকান ক্লাবে’ প্রায় দুই ঘণ্টার ‘বিদায়ী সাক্ষাৎ’ করেছিলেন। এমনকি বার্নিকাটের স্থলাভিষিক্ত হওয়া ক‚টনীতিকের নামও যথারীতি ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি হচ্ছেন রবার্ট মিলার। কিন্তু হঠাৎ করেই বার্নিকাটের ঢাকার দায়িত্বে থাকার মেয়াদ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে ঢাকার মার্কিন রাষ্ট্রদূত বিগত ছয় মাস ধরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি প্রভাবিত করার জন্য চেষ্টা করছেন। ইতোপূর্বে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন সম্পর্কে বার্নিকাট বিরূপ মন্তব্য করেছেন, ‘ডিপ্লোমেটিক সিকিউরিটি ম্যানুয়েল’ ভঙ্গ করে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সেক্রেটারি ড. বদিউল আলম মজুমদারের মোহাম্মদপুরের বাসভবনে গিয়েছিলেন নৈশভোজের দাওয়াত খেতে। সেখানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা বার্নিকাটের গাড়িতে আক্রমণ করেছে। যা নিঃসন্দেহে নিন্দনীয়। তবে বার্নিকাট অক্ষত অবস্থায় ফিরে এসেছেন। কতটুকু সিরিয়াস হলে নিয়মকানুনের তোয়াক্কা না করে আক্রমণের মুখে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করা অব্যাহত রাখতে পারে এ সব ঘটনা তারই প্রমাণ! মার্কিন দূতাবাসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনায় বাংলাদেশ পুলিশের তৎপরতার প্রশংসা করা হয়েছে। ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট যখন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের ধাওয়া খেলেন, তার মাত্র কয়েকদিন পর প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ঢাকার প্রতিনিধি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা বরিশালে এক সফরে গিয়ে জনগণের কাছ থেকে বিপুলভাবে সংবর্ধিত ও আপ্যায়িত হয়েছেন। সফরের সময় হাইকমিশনার বলেছেন, ‘নির্বাচন বাংলাদেশের একটি অভ্যন্তরীণ ব্যাপার!’

নির্বাচিত হয়ে ২০০৯ সালে এবং ধারাবাহিকভাবে ২০১৪ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার যখন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন সেই সময়গুলো থেকে বর্তমানের অর্থাৎ ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। ‘আজকের বাংলাদেশ আত্মপ্রত্যয়ী বাংলাদেশ।’ বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৮৬ শতাংশ। আগামীতে এই হার ৮ শতাংশ এবং এই ধারা অব্যাহত থাকলে দুই ডিজিটেও এক সময় এটা পৌঁছবে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে বলে আশা করছে সরকার। অর্থনীতি ও সামাজিক সূচকের অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার এবং নি¤œ আয়ের দেশগুলোকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। দারিদ্র্যের হার অর্ধেকে কমে এসেছে। দেশের অর্থনীতি এখন শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের এই অগ্রগতি নিঃসন্দেহে একটি রোল মডেল হিসেবে গণ্য করা যায়। পাশাপাশি এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তাও অনস্বীকার্য।

লি কুয়ান ইউর সিঙ্গাপুর প্রথমে ১৯৬৩ সালে যুক্তরাজ্য থেকে, পরে ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়া থেকে স্বাধীন হবার সময়ে এমন কোনো মডেল ছিল না যা লি পরবর্তীকালে তৈরি করেছিলেন। ১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দিকে লি শ্রীলঙ্কা থেকে জ্যামাইকা পর্যন্ত সাবেক ব্রিটিশ ঔপনিবেশসমূহে ভ্রমণ করে সাফল্যের কাহিনী অনুসন্ধান করেছেন। সৌভাগ্যবশত তিনি ভিন্ন মডেল অনুসরণ করেছিলেন। তিনি নেদারল্যান্ডসের নগর পরিকল্পনা এবং ভূমি উদ্ধার এবং রাজকীয় ডাচ শেল কোম্পানির ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং উপযুক্ত কৌশল-প্রণয়ন সম্পর্কে অধ্যয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন। কীভাবে সিঙ্গাপুর স্টাইলে সামর্থ্যরে মধ্যে গৃহায়ন এবং বিশাল পেনশন ব্যবস্থা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দরকার সে সম্বন্ধে কলাম্বিয়া বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতির প্রফেসর জোসেফ স্টিগলিৎস ২০১৩ সালে প্রবন্ধ প্রকাশ করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। এ ছাড়া ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের র‌্যাঙ্ক অনুযায়ী, লি কুয়ান ইউ সিঙ্গাপুরকে টোকিওর পরে, বিশে^র দ্বিতীয় নিরাপদতম নগরীতে পরিণত করেছিলেন।

বাংলাদেশও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পাশাপাশি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। একবিংশ শতাব্দীতে বিশে^র আর কোনো দেশ উন্নতির এমন অসাধ্য সাধন করতে পারেনি, যেমন পেরেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের স্বাধীনতাও এক সময় অসাধ্য ছিল কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তা সম্ভব হয়েছে। একটি স্বল্পোন্নত দেশ থেকে, নি¤œ মধ্যম আয়ের পথ পেরিয়ে, বাংলাদেশ এখন ‘উন্নয়নশীল’ রাষ্ট্রের মর্যাদায় আসীন। উন্নত বাংলাদেশে পরিণত হওয়ার দিকে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলার কাণ্ডারি, দেশরতœ শেখ হাসিনা। তার নেতৃত্বে দেশে যেসব ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে সেগুলোর মধ্য থেকে কয়েকটি এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, বৈশাখী ভাতা, ফেয়ার প্রাইজ কার্ড, পদ্মা সেতু, ফ্লাই ওভার নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ, বিনামূল্যে বই বিতরণ, উপবৃত্তি প্রদান, গ্রামীণ রাস্তাঘাট উন্নয়ন, ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক, বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ, রাজাকারের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার, জেলেদের খাদ্য সহায়তা, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, মোবাইলের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি, ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি, সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি, দারিদ্র্যতার হার নি¤œ পর্যায়ে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি, জনশক্তি রপ্তানি, শিশু মৃত্যু হার রোধ, পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান, সমুদ্র সীমা জয়, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, খ্যাদ্য উদ্বৃত্ত, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি, সমুদ্র বিজয়, নারীর ক্ষমতায়ন, ছিটমহল বিনিময়।

এভাবে একবিংশ শতাব্দীর বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের উন্নতি এখন বিশে^ রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছে। যে পাকিস্তানিরা এক সময় বাঙালিদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করত তারা এখন বাংলাদেশের মতো হতে চাচ্ছে। বাংলাদেশের এই অভাবনীয় অগ্রগতির মূল কারণ হচ্ছে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব। লি কুয়ান ইউ ধারাবাহিকভাবে তিন দশক সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে উন্নতির শীর্ষে তার দেশকে পৌঁছে দিয়েছেন। বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্যও দেশরতœ শেখ হাসিনা ধারাবাহিকভাবে আরো কয়েক মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকা প্রয়োজন।

অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী : চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ^বিদ্যালয়।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
মো. সজিবুর রহমান সজীব

মানবতা যে ঘরে পদদলিত

মযহারুল ইসলাম বাবলা

ক্ষমতার রাজনীতি ও কাশ্মির সংকট

মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

কর আদায় নয় আহরণ

আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার

বায়ুদূষণ রোধে করণীয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

রাষ্ট্রের স্বভাব ও চরিত্র

মাহফুজা অনন্যা

পেঁয়াজ সংকট কোন পথে?

মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ

দিল্লিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে ঢাকা

মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

একজন সৃজনশীল সুভাষ দত্ত

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

ধূসর আকাশ, বিষাক্ত বাতাস

Bhorerkagoj