স্বল্প সময়ের নোটিসে কওমি মাদ্রাসা বিল সংসদে উত্থাপন

মঙ্গলবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কাগজ প্রতিবেদক : চলতি অধিবেশনেই আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি’আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের অধীন ‘কওমি মাদ্রাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল)-এর সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি)-এর সমমান প্রদানসংক্রান্ত আইন-২০১৮ সংসদে উত্থাপিত। স্বল্প নোটিশে বিলটি উত্থাপন করায় বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বিরোধিতা করলেও এই অধিবেশনেই বিলটি পাস করার চিন্তাভাবনা থেকেই বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

গতকাল সোমবার রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর অনুমতি নিয়ে বিলটি উত্থাপন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বিরোধিতার জবাব দিতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা জানি এই অধিবেশন স্বল্প সময়ে শেষ হয়ে যাবে। তাই প্রধানমন্ত্রীর অনুমতিতে তার নির্দেশেই বিলটি উত্থাপন করেছি। দিনের কার্যসূচির সম্পূরক সূচিতে বিলটি উত্থাপন করার পর বিরোধিতা করে ফখরুল ইমাম বলেন, নিয়মানুযায়ী ৭ দিন আগে নোটিশ দিয়ে বিল উত্থাপন করলে আমরা বিল সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পারতাম। তাই একটু সময় নিয়ে বিল উত্থাপন করা হলে ভালো হয়। এত কঠিন যার নাম তা পড়তেও সময় লাগবে।

এর জবাবে স্পিকার বলেন, এই বিলটিতে যদি সময়টা ‘ডিসক্রিশন’ না দেয়া যেত, যদি স্বল্পতর নোটিশ না করা হতো, যদি ৭ দিনের নোটিশ সময় বহাল রাখা হতো তাহলে বিলটি এই অধিবেশনের ভেতর পাস করা কঠিন হয়ে যেত। সেই কারণেই এই ডিসক্রিশনটা ব্যবহার করেছি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশে একাধিক ধারার ইসলামি শিক্ষা প্রচলিত আছে। কওমি মাদ্রাসাসমূহে প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী শিক্ষালাভ করেন। কিন্তু বাস্তবে তাদের স্বীকৃত কোনো ডিগ্রি না থাকার ফলে শিক্ষালাভ করার পর তারা বাস্তব কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারেন না। সেজন্য মাদ্রাসাসমূহের দাবিতে এখানে আইনটি করার জন্য বিল নিয়ে আসা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমতিতে তার নির্দেশনায় বিলটি নিয়ে এসেছি। বিলটি স্বল্প সময়ের মধ্যে পাস করা প্রয়োজন। সে কারণেই স্পিকারের ক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj