প্রচ্ছদ : অফিস পোশাক

রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

শেফালী সোহেল

আগে অফিসে শুধু কাজটাই মুখ্য ছিল। পোশাক-আশাকের দিকে নজর দিত না অনেকে। কর্পোরেট যুগে দক্ষতার পাশাপাশি চাই স্মার্টনেস। কেননা, দেশের পরিবেশে এখনো সবচেয়ে বেশি ড্রেস কোড মেনে অফিসে যেতে হয় ছেলেদের।

চাকরির ইন্টারভিউ থেকে শুরু করে অফিসের বড় কর্মকর্তা হলেও থাকতে হয় মানানসই ফরমাল লুকে। তা চলে পার্টি, মিটিংয়েও।

আগে অফিসে শুধু কাজটাই মুখ্য ছিল। পোশাক-আশাকের দিকে নজর দিত না অনেকে। কর্পোরেট যুগে দক্ষতার পাশাপাশি চাই স্মার্টনেস। তবে, খেয়াল রাখতে হবে অফিসের ফরমাল পোশাক যেন রঙচঙে না হয়। কেননা, দেশের পরিবেশে এখনো সবচেয়ে বেশি ড্রেস কোড মেনে অফিসে যেতে হয় ছেলেদের।

চাকরির ইন্টারভিউ থেকে শুরু করে অফিসের বড় কর্মকর্তা হলেও থাকতে হয় মানানসই ফরমাল লুকে। তা চলে পার্টি, মিটিংয়েও। ক্ল্যাসিক ফ্যাশন সচেতনদের কথা মাথায় রেখে ফ্যাশন হাউসগুলোতে এমন আয়োজন দেখা যায়।

অফিসের ফরমাল পোশাকটি অবশ্যই রঙচঙে হবে না। সব সময় মার্জিত রঙের পোশাক বাছাই করবেন। অনেকে আছেন হাতে আংটি, হাতে ব্রেসলেট পরতে পছন্দ করেন এবং পরেন। কিন্তু অফিস সংস্কৃতির সঙ্গে কি এই জিনিসগুলো যায় কিনা তা বুঝতে হবে। অনেক কর্পোরেট অফিসে এসব অলংকার পরাকে খুবই দৃষ্টিকটু হিসেবে দেখা হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরনের অলংকার পরিহার করা উচিত।

দেশীয় ফ্যাশনে মূলত রেডি টু ওয়্যার ব্র্যান্ডগুলোয় অফিস উপযোগী ফরমাল পোশাক তৈরি করে। শার্ট, প্যান্ট থেকে বেøজার কোন কিছুরই অভাব নেই। মানানসই বটমের সঙ্গে জুতা অথবা লোফারের মতো ট্রেন্ডি কিছুই চাই।

বিজনেস ফরমাল

সাধারণত ফরমাল পোশাক বলতে আমরা যা বুঝি সেটাই হলো বিজনেস ফরমাল, যা পুরোপুরিভাবে অফিসিয়াল পোশাক। আসলে একটি সম্পূর্ণ বেøজার সেট বা স্যুট থাকতে হবে। সাদা, হালকা নীল, ক্রিম ইত্যাদি রংয়ের ফুলহাতা শার্ট পরতে পারেন। হালকা ষ্ট্রাইপ দেয়া শার্টও মানানসই। শার্টের সঙ্গে থাকবে টাই। প্যান্ট এবং বেল্টটিও হতে হবে ফরমাল। সাধারণ ডায়ালের বেল্ট বা চেইন ঘড়ি থাকতে পারে হাতে। অক্সফোর্ড জুতা বেশি মানানসই হলেও পরতে এবং খুলতে অসুবিধাজনক হওয়ায় সাধারণ ফরমাল জুতা বেশি জনপ্রিয়। ঋতুভেদে স্যুট বাদ রেখে শার্ট-প্যান্ট এবং টাই পরতে পারেন।

বিজনেস ক্যাজুয়াল

বিজনেস ক্যাজুয়াল ফ্যাশনে ক্যাজুয়াল লুকের ভেতর একটু ফরমাল ছোঁয়া থাকে। আজকাল অনেকেই অফিসে বিজনেস ক্যাজুয়াল পরে থাকেন। তবে সব অফিস কিন্তু বিজনেস ক্যাজুয়াল পোশাকের অনুমতি দেয় না। এটা নির্ভর করে প্রাতিষ্ঠানিক রীতিনীতির উপর। পোলো টি-শার্ট এবং গ্যাবার্ডিন প্যান্ট এই ক্যাটাগরির জন্য উপযোগী। খেয়াল রাখা প্রয়োজন। টি-শার্টের কলার থাকতে হবে এবং টি শার্ট ও প্যান্ট উভয়ই অপেক্ষাকৃত কম নকশাদার ও শালীন হওয়া প্রয়োজন। অফিসিয়াল ট্যুরে এ ধরনের পোশাক বেশ আরামদায়ক। জুতার ক্ষেত্রে পুরোপুরি ফরমাল জুতা না পরে কিছুটা ক্যাজুয়াল লুকের জুতা বেশি মানানসই হবে।

একদিন ক্যাজুয়্যাল ড্রেসে

রোজ রোজ কেতাদুরস্ত ভারিক্কী পোশাক পরলে একটু বিরক্ত লাগতেই পারে। তাই অনেক অফিসেই দেখা যায় সপ্তাহে একদিন সবাই ক্যাজুয়েল পোশাক পরে আসেন। কিন্তু তাই বলে আবার গোল গলার টি-শার্ট আর স্যান্ডেল পরে যাওয়া যাবে না। চামড়ার জুতা পরা যায়, তবে স্যান্ডেল নয়। অ্যাথলেটিক বা হাইকিং বুটও পরতে যাবেন না। আপনি স্যুট পরতে না চাইলে অন্তত সামার বেøজার পরতে পারেন। হাফ হাতা শার্টও পরতে পারেন। শার্টের রং গাঢ় বা সলিড বা প্রিন্টেরও হতে পারে। আর সঙ্গে পরবেন গাঢ় রঙের প্যান্ট। প্যান্টের মধ্যে লিনেন বা গ্যাবার্ডিন কাপড়ের প্যান্ট পরতে পারেন। প্যান্টের রংটি বাদামি, ছাই বা খাকি হতে পারে।

মোট কথা, আপনি যাই পরুন না কেন, তাতে কর্পোরেট একটা লুক থাকতে হবে। আগে অফিসে শুধু কাজটাই মূখ্য ছিল, পোশাক-আশাকের দিকে নজর দিত না অনেকই কিন্তু আধুনিক এই কর্পোরেট যুগে দক্ষতার পাশাপাশি চাই স্মার্টনেস। আর এই স্মার্টনেসটা কিন্তু আসে উপযুক্ত পোশাক পরিধানেই। তাই অফিসে পোশাক পরিধানে হতে হবে ট্রেন্ডি, স্মার্ট পাশাপাশি মার্জিত ও শালীন।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj