আপনি যেভাবে সুখি হবেন…

রবিবার, ২৬ আগস্ট ২০১৮

অসংখ্য বাজে অভ্যাস রয়েছে যেগুলো আমাদের অসুখি করে তোলে। এই বাজে অভ্যাসগুলো ত্যাগ করলে আপনি অল্প সময়ের মধ্যেই আপনার সুখের পরিমাণ বাড়াতে পারবেন-

নেতিবাচক লোকদের সঙ্গে গাটছড়া বাঁধা: সারাক্ষণ নানা বিষয়ে অভিযোগকারী এবং নেতিবাচক মনোভাবাপন্ন লোকেরা দুঃসংবাদ। কারণ এরা সব সময় সমস্যায় ডুবে থাকেন কিন্তু সমাধান খুঁজে পান না। এরা নিজেদের দলে অন্যদেরকেও ভেঁড়াতে চান। যাতে নিজেদের দলে ভারী ভাবার মাধ্যমে নিজেদের ব্যাপারে ভালো অনুভব করতে পারেন। সুতরাং অভিযোগকারীদের কথা শুনতে গিয়ে আপনিও নেতিবাচক আবেগের জালে জাড়িয়ে পড়বেন না যেন।

নিজের তুলনা করা: হ্যাপিনেস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা মাসে অন্তত একসপ্তাহ ফেসবুক ব্যবহার বন্ধ রাখেন তারা, যারা সবসময়ই ফেসবুক ব্যবহার করেন তাদের চেয়ে বেশি সুখি। যারা ফেসুবক কম ব্যবহার করেছেন তারা নিজেদের জীবন নিয়ে বেশি সন্তুষ্ট এবং কম দুঃখ ও একাকীত্বে ভুগছেন। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, নিয়মিত ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মানসিক চাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও ৫৫% বেশি। ফেসবুক এবং সামাজিক গণমাধ্যম সম্পর্কে সাধারণভাবে যে বিষয়টি সবসময়ই মাথায় রাখতে হতে তা হলো এতে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে খুব কম।

বিস্মিত না হওয়া: আপনার চারপাশেই প্রতিদিনই বিস্ময়কর সব ঘটনা ঘটে চলেছে। চোখ কান খোলা রাখলেই আপনি তা দেখতে পাবেন। কিন্তু প্রযুক্তিগত বিপ্লবের ফলে আমাদের জগতটাও ছোট হয়ে এসেছে। এছাড়া প্রযুক্তি আমাদেরকে জগতের অনেক কিছু দেখারও সুযোগ করে দিয়েছে। এর ফল কিন্তু ভালো হয়নি। কারণ আমরা এখন বিস্মিত হওয়ার

ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছি।

নিঃসঙ্গতা: নিজেকে সামাজিক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা অসুখি হওয়ার একটি সচরাচর কারণ। প্রচুর সংখ্যক গবেষণায় বলা হয়েছে, আপনার জন্য এর চেয়ে বাজে কাজ আর কিছু হতে পারে না। এটি মারাত্মক একটি ভুল। উপভোগ্য না হলেও সামাজিকতা মেজাজ মর্জি বা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj