যুগে যুগে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম

মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট ২০১৮

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ঢাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের জাতীয় ও প্রধান স্টেডিয়াম। ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মতিঝিল এলাকায় এটির অবস্থান। স্টেডিয়ামটি আগে ১ নম্বর জাতীয় স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তী সময়ে নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানের সম্মানে এটির নামে বন্ধবন্ধু যোগ করা হয়।

আগে স্টেডিয়ামে সব ধরনের খেলাই অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু বর্তমানে স্টেডিয়ামটিকে কেবল ফুটবল মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ধারণক্ষমতা প্রায় ৩৬,০০০। ২০০৫ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত স্টেডিয়ামটি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিজস্ব মাঠ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম বিশ্বের একমাত্র স্টেডিয়াম যেটিতে দুটি ভিন্ন দেশের উদ্বোধনী টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুটি খেলাতেই প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। প্রথম খেলায় ১৯৫৪-৫৫ সালে তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তান দল ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলার মাধ্যমে টেস্ট অঙ্গনে যাত্রা শুরু করে। এর ৪৬ বছর পর ২৬ জুন, ২০০০ তারিখে, বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর প্রথম টেস্ট খেলায় ভারতের মোকাবেলা করে।

সম্প্রতি আবাহনী ও ভারতের ব্যাঙ্গালুরু এফসির মধ্যেকার এএফসি কাপের ম্যাচের জন্য বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটে বসানো হয়েছিল নতুন বাল্ব। ৩ মাস না পেরুতেই আবার আলোচনায় ফ্লাডলাইট। এবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে। আসছে ৪ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও মর্যাদার এ টুর্নামেন্ট সামনে রেখে আবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সংস্কারের তোড়জোড়। এক ভেন্যুতে টুর্নামেন্ট। প্রতিদিন দুটি করে খেলা। যার অর্থ চারটি সাজঘর প্রস্তুত করতে হবে আন্তর্জাতিক মানের করে। নামে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম হলেও বাস্তবে অনেক কিছুই আন্তর্জাতিক মানের নয়। মাঠ, ড্রেসিং রুম, ফ্লাড লাইট, মেডিকেল রুম কত কিছুই না প্রয়োজন আধুনিকায়নের। তবে সময় কম বলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ড্রেসিং রুম সংস্কার আর ‘অতি জরুরি’ ফ্লাডলাইটের আলো বাড়ানোর দিকেই নজর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের।

সেই পঞ্চাশের দশক থেকে তিলে তিলে বেড়ে উঠে স্টেডিয়ামটি। এক সময় টিন দিয়ে ঘেরা ছিল এর সীমানা। কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর শরীর। সময়ের ¯্রােতে পেয়েছে কংক্রিটের ছোঁয়া। ২০০৫ সাল পর্যন্ত ৫৮টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজিত হয়েছে। ফুটবল, ক্রিকেট, হকি মিলিয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা শতক ছাড়িয়ে। ক্রিকেটে রেকর্ড বইয়ে জ্বলজ্বল করছে ৫৮টি ওডিআই আর পাকিস্তান ও বাংলাদেশ মিলিয়ে ১৭টি টেস্ট ম্যাচের কথা। ১৯৫৫ সাল থেকে ১৯৭০ পর্যন্ত পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দল ও মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল যে কয়টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে যোগ-বিয়োগ করে সে হিসাবটা ১০০ ছাড়িয়েও যেতে পারে। লিওনেল মেসি, অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, সার্জিও আগুয়েরো, গঞ্জালো হিগুয়েইন কিংবা হাভিয়ের মাচেরানোরা এই মাঠেই খেলে গিয়েছেন। খেলেছেন নাইজেরিয়ার ওবি মিকেল, ভিনসেন্ট এনিমিয়ারা। ২০০৬ সালে জিনেদিন জিদান হেঁটেছিলেন এই মাঠে।

২০০৫ সালের জানুয়ারি মাসে ক্রিকেটকে বিদায় জানায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। দারুণ ছিল সেই বিদায়। ক্রিকেটের শেষ ম্যাচটায় বাংলাদেশ জিতেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। শেষ ম্যাচটার দিন হরতাল ছিল। কিন্তু গ্যালারিতে দর্শকের কমতি ছিল না। কানায় কানায় ভরা দর্শক। তাদের সামনেই আফতাব আহমেদের সে কী মার!

এককভাবে ফুটবলের হয়ে যাওয়ার পর ২০০৬ সালের এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে রং মেখে রঙিন করা হয় বঙ্গবন্ধুকে । এরপর ২০১০-এর এসএ গেমসে, ২০১১ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটা খুব বড় আয়োজন করা হয়। কিন্তু ফুটবল নিয়ে গ্যালারি মেতে ওঠা স্টেডিয়ামে এখন কালেভদ্রে একটু দর্শক হয়। লিগে গ্যালারি খাঁ খাঁ করে। শেষবার গ্যালারি ভরেছিল সেই ২০১৫ সালে, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া ফাইনালে।

বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের বুকে কী না হয়েছে। ফুটবলের পাশাপাশি আর্চারি, অ্যাথলেটিকস, ক্রিকেট, হকি সবই। হকির মাঠ নয়। তবুও ১৯৮৫ সালে এখানে হয়েছে জমজমাট এশিয়া কাপ হকি। সে বছরেরই দ্বিতীয় সাফ গেমসের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রচিত হয়েছিল নতুন ইতিহাস। কেবল খেলা নয়, টাট্টু শো, লেজার শো, কনসার্ট, জাতীয় শিশু সমাবেশ, কী হয় না এখানে! দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গেও জড়িয়ে আছে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরপর এই মাঠেই তাঁবু খাটিয়েছিল মুক্তিসেনার দল। মুক্তিযোদ্ধারা স্টেডিয়ামের বুকেই সমর্পণ করেছিল নিজেদের যুদ্ধকালীন অস্ত্র।

একাত্তর-পূর্ববর্তী সময়ে পাকিস্তানের সাতটি টেস্টম্যাচ আয়োজনের অভিজ্ঞতা-সমৃদ্ধ এই মাঠে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ১৬ বছরের মাথায় প্রথম আয়োজিত হয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী দিনে এই মাঠে মুখোমুখি হয়েছিল জাভেদ মিয়াদাদের পাকিস্তান ও রঞ্জন মাদুগালের শ্রীলঙ্কা। সেবার এশিয়া কাপের মোট পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে (তৎকালীন ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম)। বাংলাদেশের টেস্ট ও ওয়ানডে মর্যাদা না থাকায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এর পরের একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচটি আয়োজিত হতে লেগে যায় পাক্কা দশটি বছর। ১৯৯৮ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচ দিয়ে এই মাঠে আবারো গড়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ততদিনে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা না পেলেও পেয়েছে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলার স্বীকৃতি।

১৯৯৮ সালের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের পদভারে আবারো ব্যস্ত হয় ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই মাঠ। ১৯৯৮ সালে মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে এই মাঠে নেমেছিল পৃথিবীর সবকটি টেস্ট খেলুড়ে দেশ। ২০০৫ সালের ১ মার্চ থেকে এই মাঠ পুরোপুরি চলে যায় বাংলাদেশের ফুটবলের মালিকানা। তবে ২০১১ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ক্রিকেট-নস্টালজিয়ায়। জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ ম্যাচ দিয়ে শুরু হওয়া এই ভ্যেনুতে আয়োজিত সর্বশেষ একদিনের ম্যাচটিও বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ এই মাঠকে এনে দেয় অন্য স্তরের মর্যাদা।

বহু ঐতিহ্য, সংগ্রাম আর কালের সাক্ষী বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। ক্রিকেট থেকে ফুটবল, ফুটবল থেকে ক্রিকেট। আবার ক্রিকেট থেকে ফুটবল। এভাবেই বছরের পর বছর কতই না অনুষ্ঠান আর খেলার সাক্ষী এ স্টেডিয়াম। তবে অর্ধশতাধিক বছর পেরোলেও দেশের অন্যতম পুরনো এ স্টেডিয়াম নিয়ে আয়োজন করা হচ্ছে না কোনো অনুষ্ঠানের।

১৯৫৪ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নির্মাণ করা হয় ঢাকা স্টেডিয়াম। পরের বছরেই উপমহাদেশের টেস্ট খেলুড়ে দুই দেশ পাকিস্তান ও ভারত ঢাকা স্টেডিয়ামে অভিষেক টেস্ট খেলে। এ ছাড়া ২০০০ সালে বাংলাদেশ তাদের উদ্বোধনী টেস্ট ম্যাচও খেলে এই ভেন্যুতে ভারতের বিপক্ষে, যা পৃথিবীর টেস্ট ইতিহাসে প্রথম। দু-দুটো দেশের উদ্বোধনী টেস্ট ম্যাচ হয় এ স্টেডিয়ামে। দুটি ম্যাচেই স্বাগতিক দুদেশের প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। যদিও ১৯৭৬-৭৭ সালে সফরকারী ইংল্যান্ডের এমসিসি দলের বিপক্ষে একটি অনানুষ্ঠানিক টেস্ট ম্যাচ এখানে খেলেছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। পরে অবশ্য শ্রীলংকা ক্রিকেট দল কিছু ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে এখানে। এমনকি দুদিন ও তিনদিনের কিছু অনানুষ্ঠানিক ম্যাচ খেলেছে লঙ্কানরা বিসিসিবি (বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড) একাদশ ও জাতীয় দলের বিপক্ষে।

শুধু ক্রিকেটই নয়, এ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফুটবল, হকি এবং বক্সিংও। ১৯৭৮ সালে কিংবদন্তি বক্সার মোহাম্মদ আলী স্থানীয় একজন ১২ বছরের ছেলের সঙ্গে প্রদর্শনী বক্সিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন ঢাকা স্টেডিয়ামে। ফুটবলের যৌবন এখানে দেখেছে দেশবাসী। ফুটবলে জয়-পরাজয় নিয়ে ক্লাব সমর্থকদের মধ্যে তুলকালাম কাণ্ডের সাক্ষী এ স্টেডিয়াম। বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর এ স্টেডিয়ামেই ভারতের বিপক্ষে প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ টেস্ট ম্যাচ খেলে। যে ম্যাচে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি পান আমিনুল ইসলাম বুলবুল (১৪৫)। অভিষেক টেস্টের প্রথম ইনিংসে স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা ভারতকে ছুড়ে দেন ৪০০ রানের ইনিংস। ক্রিকেটকে দুহাত ভরে দিয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। ২০০৪-০৫ সালেই সর্বশেষ ক্রিকেট ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সফরকারী জিম্বাবুয়ের সঙ্গে টেস্ট এবং ওয়ানডে ম্যাচ খেলে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

টেস্ট ম্যাচ ড্র হয়। ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম ও শেষ ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের আট উইকেটের সিরিজ নিজেদের করে নেয়ার মধ্য দিয়ে ক্রিকেটযাত্রা শেষ করে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। বিগত পাঁচ বছরে স্টেডিয়ামে ফুটবল খেলা হলেও মাঝেসাঝে ফিরেছে ক্রিকেট। ২০১১ ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে এখানে। ২০১০ ঢাকা এসএ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ভেন্যু ছিল এ স্টেডিয়াম। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম বিশ্ববাসীর কাছে আরো বেশি পরিচিতি পেয়েছে ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনা-নাইজেরিয়ার প্রীতি ম্যাচের জন্য। যে ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছিলেন পাঁচবার ফিফা ব্যালন ডি’অর জেতা বার্সেলোনার লিওনেল মেসি।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন সাবেক প্রশাসক মো. ইয়াহিয়া। ১৯৭৬ সালে এখানে ফুটবল খেলেছেন তিনি। স্বাধীনতার পর প্রথম বাংলাদেশ গেমসেও দৌড়েছেন অ্যাথলেটিকসে। ইয়াহিয়া ছিলেন স্টেডিয়ামের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ইতিহাস টেনে এনে তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে এ স্টেডিয়ামে খেলে বড় হয়েছি। কালের সাক্ষী এ স্টেডিয়াম।

আমার হৃদয়ে স্টেডিয়ামটি এতটাই জায়গাজুড়ে আছে যে, বছরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে একদিনের জন্যও এখানে না এসে থাকতে পারি না। এমনকি ঈদের দিনও এখানে ছুটে আসি। আজো সগৌরবে ঢাকার বুকে দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতির ঐতিহ্যবাহী এ স্টেডিয়াম। ২০৫৪ সালেই শতবর্ষে পা দেবে আমাদের প্রিয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম।

এক ভেন্যুত সব ক্লাবের খেলা-পেশাদার ফুটবলে এমন নজির হয়তো শুধু বাংলাদেশেই। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সব ক্লাবেরই পছন্দ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। দেশের প্রধান এ ভেন্যু থেকে নড়তে চায় না ক্লাবগুলো। যে কারণে ঘুরেফিরে ঢাকাবন্দি হয় পেশাদার লিগ। এবার এ জট খুলতে যাচ্ছে, আবার ঢাকার বাইরে ছড়িয়ে যাচ্ছে ঘরোয়া ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ।

:: আ ত ম মাসুদুল বারী

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj