উচ্চশিক্ষার জন্য জাপান

বৃহস্পতিবার, ১৬ আগস্ট ২০১৮

উচ্চশিক্ষার জন্য এখন অনেক শিক্ষার্থীই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশে যাচ্ছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য জাপান শিক্ষার্থীদের পছন্দের শীর্ষে। জাপানে যেতে পারেন ব্যাচেলর্স ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি ও ডক্টরেট করার জন্য। জাপানে সাধারণত দুটি সেমিস্টারে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রথম সেমিস্টার এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত; দ্বিতীয় সেমিস্টার অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে পড়ালেখার জন্য সরকারি বেসরকারি সব বিশ্ববিদ্যালয়েই আর্থিক সহায়তা পাওয়া যায়। এ ছাড়াও শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে পর্যাপ্ত বৃত্তির ব্যবস্থা।

ভর্তির যোগ্যতা : জাপানে পড়াশোনা করতে হলে জাপানি ভাষা অবশ্যই জানতে হবে। এ জন্য জাপানি ভাষার ওপর কমপক্ষে ৬ মাসের কোর্স সম্পন্ন করতে হবে। এর বাইরেও কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য টোফেল সিবিটি স্কোর ১৫০-এর বেশি অথবা টোফেল আইবিটি স্কোর ৫২-এর বেশি থাকতে হবে। ভাষাগত যোগ্যতা প্রমাণে আন্তর্জাতিক ছাত্র হিসেবে জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। আপনি যদি এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তবে ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে এবং ব্যাচেলর্স ডিগ্রিতে উত্তীর্ণ হলে মাস্টার্সে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারেন। অ্যাসোসিয়েটেড ডিগ্রি, ব্যাচেলর্স ডিগ্রি, মাস্টার্স ডিগ্রি ও ডক্টরেট প্রোগ্রামে পড়াশোনা ও গবেষণার জন্য আপনি জাপানে যেতে পারেন।

সেমিস্টার পদ্ধতি : সাধারণত দুটি সেমিস্টারে জাপানে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। প্রথম সেমিস্টার এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত; দ্বিতীয় সেমিস্টার অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত। কিছু প্রতিষ্ঠানে সেপ্টেম্বর অথবা অক্টোবর ফল সেমিস্টার শুরু হয়।

যেসব বিষয়ে ব্যাচেলর্স ও মাস্টার্স করতে পারেন : হিউম্যান স্টাডিজ, লিঙ্গুইস্টিক স্টাডিজ, হিস্টোরিক্যাল স্টাডিজ, হিউম্যান সায়েন্স, এডুকেশনাল সায়েন্স, ল অ্যান্ড সোসাইটি, পাবলিক ল অ্যান্ড পলিসি, ইকোনমিক্স, ম্যানেজমেন্ট, অ্যাকাউন্ট্যান্সি, ফিজিক্স, অ্যাস্ট্রোনমি, জিওফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, আর্থ সায়েন্স, মেডিকেল সায়েন্স, ডিজঅ্যাবিলিটি সায়েন্স, ডেন্টিস্ট্রি, ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি, বায়োফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স, লাইফ সায়েন্স, মেকানিক্যাল সিস্টেমস অ্যান্ড ডিজাইন, ন্যানোমেকানিক্স, অ্যারোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং, কোয়ান্টাম সায়েন্স অ্যান্ড এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং, অ্যাপ্লায়েড ফিজিক্স, অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োসলিকিউলার ইঞ্জিনিয়ারিং, মেটেরিয়াল সায়েন্স, মেটেরিয়ালস প্রসেসিং, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্কিটেকচার অ্যান্ড বিল্ডিং সায়েন্স, ম্যানেজমেন্ট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, বায়োলজিক্যাল রিসোর্সেস সায়েন্স, বায়োসায়েন্স অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, এরিয়া স্টাডিজ, এডুকেশনাল ইনফরমেটিক্সসহ নানা বিষয়ে পড়ার জন্য জাপান যেতে পারেন।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj