এনএফসিভিত্তিক ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের সীমা ৩০০০ টাকা

শুক্রবার, ১৩ জুলাই ২০১৮

কাগজ প্রতিবেদক : নেয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত ক্রেডিট কার্ডভিত্তিক লেনদেনের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে এ প্রযুক্তির ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা হবে তিন হাজার টাকা। একইসঙ্গে এ সীমার মধ্যে লেনদেনের জন্য এ কার্ডে পারসনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (পিন) ও টু ফেক্টর অথেনটিকেশন (২এফএ) ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে। তবে এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে এ ধরনের প্রতিটি লেনদেনের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহককে অবহিত করতে হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে; যা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরে সব ধরনের মার্চেন্ট অবস্থানে এ প্রযুক্তির লেনদেনের জন্য এ সীমা প্রযোজ্য হবে। তবে এ সীমার বাইরে লেনদেনে কন্টাক্ট এবং পিন ও টু-এফএভিক্তিক হবে। গ্রাহকের পূর্বানুমতি ব্যতিত গ্রাহকের অনুক‚লে ইস্যুকৃত এনএফসি প্রযুক্তিনির্ভর কার্ডে লেনদেন কার্যকর করা যাবে না। গ্রাহক তার পছন্দ অনুযায়ী এনএফসি এর সীমার নিচে লেনদেনও কন্টাক্ট এবং পিন ও টু-এফএ-এর মাধ্যমে লেনদেন করতে পারবে। এ ছাড়া এ ধরনের লেনদেন সম্পাদনের ক্ষেত্রে গ্রাহককে ইস্যুয়িং এবং অ্যাকুইরিং উভয় ব্যাংকই পূর্ণ সহযোগিতা করবে। অর্থাৎ কোনোভাবে গ্রাহককে এনএফসি প্রযুক্তিতে লেনদেনে বাধ্য করা যাবে না।

সার্কুলারে আরো বলা হয়, এনএফসি প্রযুক্তি সংবলিত কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক পছন্দমতো তার নিজস্ব কার্ড গ্রাহকদের এনএফসি প্রযুক্তির লেনদেনের সীমা উল্লিখিত সর্বোচ্চ সীমার নিচেও নির্ধারণ করতে পারবে। এনএফসি কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকসমূহ গ্রাহক সচেতনতার লক্ষ্যে এনএফসি প্রযুক্তিগত সব কার্ড, মার্চেন্ট অবস্থান এবং পয়েন্ট অব সেল মেশিনে দৃশ্যমান ‘কন্টাক্টলেস লোগো’ প্রদর্শনের ব্যবস্থা করবে; যাতে সহজেই এনএফসি প্রযুক্তিগত কার্ড অন্য কার্ড থেকে পৃথক করা সম্ভব হয় এবং এ ধরনের কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন গ্রহণকারী মার্চেন্টকে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। এনএফসি কার্ডের বৈশিষ্ট্য, নিরাপদ ব্যবহার বিধি, লেনদেনের সীমা এবং ঝুঁকি সম্পর্কে গ্রাহককে অবহিত করতে হবে। এ ছাড়া ব্যাংকসমূহের হারিয়ে যাওয়া ও চুরি হওয়া এনএফসি প্রযুক্তিগত কার্ড সম্পর্কে গ্রাহকের কাছে হতে একাধিক উপায়ে তথ্য ও অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। একইসঙ্গে গ্রাহকের কাছ হতে যে কোনো ধরনের অভিযোগ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj