এবার কার ভাগ্যের শিকে ছিঁড়বে

মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮

এস এম সায়েম : বিশ^কাপ উন্মাদনায় মেতে উঠেছে সারা বিশে^র অগণিত ফুটবলপ্রেমীরা। সবার একটাই কৌত‚হল কোন দলের হাতে উঠবে রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা! অফিস, বিশ^বিদ্যালয়, পাবলিক বাস থেকে শুরু করে রাস্তার পাশের চায়ের দোকান পর্যন্ত সর্বত্রই আলোচনা চলছে- কারা জিতবে বিশ^কাপ, সবচেয়ে শক্তিশালী দল গড়েছে কোন দেশ, কোনো দলে শিরোপা জেতানোর মতো তারকা খেলোয়াড়ের উপস্থিতি রয়েছে এসব বিষয় নিয়ে। যেখানে ব্রাজিল সমর্থকদের দাবি এবারের শিরোপা জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের লালিত হেক্সা জেতার স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাবেন নেইমাররা, অন্যদিকে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা বলছে ফুটবল জাদুকর লিওনেল জাদুকরী ফুটবল নৈপুণ্যে আর্জেন্টিনার দীর্ঘ ৩২ বছরের শিরোপা খরা কাটবে এবার, অপরদিকে জার্মান সমর্থকরা আবার বলছে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ^সেরার মুকুট অর্জন করে সেলেকাওদের সর্বোচ্চ পাঁচবারের শিরোপা জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাবে টমাস মুলাররা। শুধু ব্রাজিল, জার্মানি কিংবা আর্জেন্টিনার সমর্থকরাই নন; ২১তম বিশ^কাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে আরো বহু দেশ।

এ কথা ঠিক যে অংশ নেয়ার সুযোগ পাওয়া ৩২টি দেশই স্বপ্ন দেখছে শিরোপা জয়ের। এ তালিকায় বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে প্রথমবারের মতো বিশ^কাপে অংশ নেয়ার সুযোগ পাওয়া আইসল্যান্ডও। তবে স্বপ্ন দেখলেই তো হয় না। দলে সে স্বপ্নের বাস্তব রূপ দিতে পারে এমন ফুটবলারেরও উপস্থিতি থাকা লাগে। তা ছাড়া দলটির সাম্প্রতিক পারফরমেন্স, দল পরিচালনার জন্য দক্ষ কোচ এসব বিষয়ও বিবেচ্য। সবদিক বিবেচনা করে কোন দলের হাতে উঠতে পারে রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা সেটিই জানানোর চেষ্টা করা হয়েছে এ লেখায়।

অতীত রেকর্ড, সাম্প্রতিক পারফরমেন্স, দলে ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য রয়েছে এমন ফুটবলারের উপস্থিতি, যোগ্য কোচ এসব বিষয় বিবেচনায় রাখলে রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার ব্রাজিল। পাঁচবারের বিশ^ চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল হেক্সা জয়ের লক্ষ্য নিয়েই রাশিয়ায় পা রেখেছে এতে কোনো সন্দেহ নেই। ২০১৪ সালে নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ^কাপের সেমিফাইনালে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে একবুক হতাশা নিয়ে বিশ^কাপ থেকে বিদায় নিতে হয় ব্রাজিলকে। বিশ^কাপের পর দুই বছর কোচ কার্লোস ডুঙ্গার অধীনে খুব একটা ভালো খেলতে পারেনি ব্রাজিলিয়ানরা। এমনকি এক সময় র‌্যাঙ্কিংয়েও কিছুটা তলানীতে ছিল নেইমারদের অবস্থান। এমন অবস্থায় ২০১৬ সালের জুনের ২০ তারিখ তিতের ওপর ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেয় দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। এরপর আবারো হারানো ছন্দ ফিরে পেতে শুরু করে নেইমাররা। তিতের অধীনে ব্রাজিল দল কতটা অপ্রতিরোধ্য তা পরিসংখ্যান দেখলেই প্রমাণ পাওয়া যায়। এখন পর্যন্ত তিতের অধীনে ২১ ম্যাচ খেলে ১৭টিতেই জয় পেয়েছে ব্রাজিল। এ ছাড়া হেরেছে মাত্র ১টি ম্যাচে এবং ড্র করেছে বাকি ৩টি ম্যাচ। শুধু তাই নয়, বিশ^কাপ বাছাইপর্বের ১৮ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ১টি ম্যাচে হেরেছে ব্রাজিল। যেখানে ১২ ম্যাচে জয় এবং ৫ ম্যাচে ড্র করে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সবার আগে রাশিয়ার টিকেট পেয়েছে সেলেকাওরা। বর্তমান ব্রাজিল দলের আক্রমণভাগের নেতৃত্বে রয়েছেন বিশে^র সবচেয়ে দামি ফুটবলার নেইমার। এ ছাড়া আক্রমণভাগে নেইমারের সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন গ্যাব্রিয়েল জিসুস, উইলিয়ান ও রবার্টো ফিরমিনোর মতো ফরোয়ার্ডরা। রাশিয়া বিশ^কাপে তিতের দলের মাঝমাঠে রয়েছেন বার্সা তারকা পলিনহো ও কুটিনহো, রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কাসেমিরো ও ম্যানসিটি তারকা ফার্নান্দিনহো। এদের সবাই নিজ নিজ ক্লাবের হয়ে দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটিয়ে জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গেছেন রাশিয়ায়। আক্রমণভাগ এবং মাঝমাঠের মতো শক্তিশালী ব্রাজিলের রক্ষণভাগও। কেননা রক্ষণভাগ সামলানোর দায়িত্বে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা মার্সেলো, পিএসজি তারকা থিয়াগো সিলভা ও মার্কিনহোস এবং ম্যানসিটি তারকা ডানিলোর মতো অভিজ্ঞ সব ডিফেন্ডাররা। এ ছাড়া গোলপোস্ট সামলানোর দায়িত্বে আছেন ইতালিয়ান ক্লাব রোমার গোলরক্ষক এলিসন বেকার। যার অসাধারণ গোলকিপিংয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সর্বশেষ আসরের সেমিফাইনালে উঠেছে রোমা। তারকা খেলোয়াড়দের উপস্থিতির পাশাপাশি ব্রাজিলিয়ানদের আত্মবিশ^াস জোগাবে বিশ^কাপে তাদের অতীত রেকর্ড। এখন পর্যন্ত বিশ^কাপের সফলতম দল ব্রাজিল। বিশ^কাপের সবগুলো আসরে অংশ নেয়া একমাত্র দলটি এখন পর্যন্ত রেকর্ড পাঁচবার শিরোপা জিতেছে। ব্রাজিল প্রথম বিশ^কাপ জিতে ১৯৫৮ সালে। ১৯৬২ সালে ইতালির পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুটি বিশ^কাপের শিরোপা জেতার কীর্তি গড়ে ব্রাজিল। এরপর ১৯৭০ সালে তৃতীয় এবং ১৯৯৪ সালে চতুর্থ বিশ^কাপ শিরোপা জিতে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি। ব্রাজিল সর্বশেষ বিশ^কাপ জিতেছে ২০০২ সালে। সে হিসেবে দীর্ঘ ১৬ বছরের আক্ষেপ ঘুচানোর পালা এবার। ফুটবল পাগল ব্রাজিলিয়ানদের হেক্সা জয়ের আনন্দের উপলক্ষ এনে দেয়ার মতো যথেষ্ট শক্তিশালী দল নিয়েই এবার রাশিয়া পা রেখেছে বর্তমানে র‌্যাঙ্কিংয়ের দ্বিতীয়স্থানে থাকা ব্রাজিল সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা জয়ের ক্ষেত্রে ফেবারিটের তালিকায় ব্রাজিলের পরেই রাখতে হয় জার্মানিকে। কোচ জোয়াকিম লোর অধীনে ২০১৪ সালের বিশ^কাপের শিরোপা জেতা দলটি সাম্প্রতিক সময়েও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে। বিশ^কাপের জন্য আাক্রমণভাগ, মাঝমাঠ এবং রক্ষণভাগ মিলিয়ে দারুণ ভারসাম্যপূর্ণ দল গড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। জার্মানের আক্রমণভাগে রয়েছেন টমাস মুলার, টিমো ওয়ার্নার এবং মারিও গোমেজ। অন্যদিকে রক্ষণভাগে আছেন জেরোমি বোয়েটিং, ম্যাটস হোমেলস, নিকোলাস শোলে এবং জসুয়া কিমিচের মতো পরীক্ষিত সব ডিফেন্ডাররা। তবে বিশ^কাপে সবচেয়ে শক্তিশালী জার্মানির মধ্যমাঠ। টনি ক্রস, মেসুত ওজিল, জুলিয়ান ড্রাক্সলার ও সামি খেদিরার মতো মিডফিল্ডারদের নিয়ে গড়া জার্মানির মাঝ মাঠকে অনায়াসে বিশে^র অন্যতম সেরা মধ্যমাঠ বলা যায়। এ ছাড়া গোলপোস্ট সামলাবেন ম্যানুয়েল নুয়্যার। যার বিশ^স্ত গোলকিপিয়য়ে গত বিশ^কাপের শিরোপা জিতেছে জার্মানি। মাঠে এসব ফুটবলারদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করার জন্য রয়েছেন জোয়াকিম লোর মতো কোচ। যার অধীনে ২০১৪ বিশ^কাপের শিরোপা জিতেছে জার্মানি। এ ছাড়া ২০০৬ সাল থেকেই জার্মানির কোচের দায়িত্ব পালন করা জোয়াকিম লোর অধীনে গত ১২ বছর ধরে বেশ ভালো খেলছে জার্মান দল। এখন পর্যন্ত তার অধীনে ১৬২ ম্যাচের মধ্যে ১০৭ ম্যাচেই জয় পেয়েছে জার্মানি। বিশ^কাপে জার্মানির অতীত রেকর্ডও বেশ ভালো। রাশিয়া বিশ^কাপ ব্যতীত এখন পর্যন্ত ১৭টি বিশ^কাপে অংশ নিয়ে চারবার (১৯৫৪, ১৯৭৪, ১৯৯০ ও ২০১৪) সালের বিশ^কাপের শিরোপা জিতেছে তারা। বর্তমানে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা দলটির টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে এবার।

তৃতীয় যে দলটির রাশিয়া বিশ^কাপের চ্যাম্পিয়নের মুকুট জয়ের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে সেটি হলো স্পেন। ২০১০ সালের চ্যাম্পিনদের এবার শিরোপা জয়ের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে বলে মানেন ফুটবলবোদ্ধারাও। স্পেন দলটির সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা হলো একক কোনো খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল নয় দলটি। দলে গোল করার দায়িত্বটা পালন করতে হবে মূলত দিয়েগো কস্তা অথবা ইয়াগো আসপাসকে। এ ছাড়া রয়েছেন ইস্কো ও মার্কো এসেন্সিওর মতো ফরোয়ার্ড। আন্ড্রেস ইনিয়েস্তা, সার্জিও বুসকেটস ও ডেভিড সিলভার মতো বিশ^সেরা মিডফিল্ডারদের উপস্থিতি সমৃদ্ধ করেছে স্পেনের মাঝ মাঠ। এ ছাড়া রক্ষণভাগে সময়ের সেরা ডিফেন্ডার সার্জিও রামোসের সঙ্গে আছেন ডানি কারভাহল, জেরার্ড পিকে, ন্যাচো ও জর্ডি আলভার মতো ফুটবলার। বিশ^কাপে কোচ হুলেন লুপেতেগুয়ের দলের গোলপোস্ট সামলাবেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক ডেভিড ডি গিয়া। দলে এসব তারকা ফুটবলারদের উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক পারফরমেন্স দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখাতেই পারে স্প্যানিশদের।

পল পগবা, কিলিয়ান এমবাপ্পে, এন্তোনি গ্রিজম্যান, উসমান ডেম্বেলের মতো সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত কয়েকজন ফুটবলারের উপস্থিতি দ্বিতীয়বারের মতো বিশ^কাপ জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সকে। এছাড়া দিদিয়ের দেশ্যামের মতো কোচের অধীনে ফ্রান্স বর্তমানে যেভাবে খেলছে তাতে বলা যায় দীর্ঘ ২০ বছরের শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপটা এবার হয়তো মেটাতে পারে ফরাসিরা। দলটির গোলপোস্ট সামলাবেন অভিজ্ঞ হোগো লরিস। রক্ষণভাগে আছেন বার্সা তারকা স্যামুয়েল উমতিতি, রিয়াল মাদ্রিদ তারকা রাফায়েল ভারানে ও পিএসজি তারকা প্রেসনেল কিমপেম্বের মতো ডিফেন্ডাররা। ফ্রান্সের সবচেয়ে শক্তির জায়গা মধ্যমাঠ ও আক্রমণভাগ। কারণ মধ্যমাঠে আছেন পল পগবা, কোরেন্টিন টলিসো ও ব্লুাইসে মাটুইডি এবং আক্রমণভাগে রয়েছেন অলিভার জেরার্ড, এন্তোনি গ্রিজম্যান, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান ডেম্বেলের মতো তারকা। ইতোমধ্যে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করা এসব ফুটবলাররা বিশ^কাপে নিজেদের ভালোভাবে মেলে ধরতে পারলে শিরোপা জয় অসম্ভব হবে না কোচ দিদিয়ের দেশ্যামের দলের।

অনেক ফুটবলবোদ্ধাই দুবারের বিশ^ চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা জয়ের জন্য ফেবারিটের তালিকায় রাখতে নারাজ। তবে যে দলে লিওনেল মেসি রয়েছেন সে দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা নেহাত উড়িয়ে দেয়া যায় না। কোচ জর্জ সাম্পাওলির দলের বিশ^কাপ বাছাইপর্বের পারফরমেন্স তেমন ভালো না হলেও সম্প্রতি বেশ ছন্দে রয়েছে আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। র‌্যাঙ্কিংয়ের চার নম্বরে থাকা দলটি কেবল মেসি নির্ভর বললে ভুল হবে। কেননা দলে রয়েছে ডি মারিয়া, জাভিয়ের মাসচেরানো, পাওলো দিবালা, সার্জিও আগুয়েরো, গঞ্জালো হিগুয়েন ও ক্রিস্টিয়ান পাভনের মতো তারকা। এ ছাড়া সাম্পাওলির অধীনে ১১ ম্যাচের ৬টিতে জয় ও মাত্র ২টিতে হারের পরিসংখ্যানটা ৩২ বছরের শিরোপা খরা কাটানোর স্বপ্ন দেখাচ্ছে বর্তমান রানার-আপদের।

দীর্ঘ পাঁচ দশকের শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ মেটানোর লক্ষ্যে রাশিয়ায় পা রেখেছে ১৯৬৬-এর বিশ^ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। কোচ গ্যারেথ সাউটগেথের দলটিকে শিরোপা জয়ের জন্য সবদিক থেকেই যোগ্য বলা যায়। কেননা দলটির রক্ষণভাগে আছে ম্যানসিটি তারকা কাইল ওয়াকার ও জন স্টোনস, লিভারপুল তারকা আলেকজান্ডার আরনল্ড, ম্যানইউ তারকা অ্যাশলে ইয়ং ও চেলসি তারকা গ্যারি কাহিলের মতো ডিফেন্ডার। এ ছাড়া মিডফিল্ডে আছেন লিভারপুল অধিনায়ক জর্ডান হ্যান্ডারসন, টটেনহ্যামের এরিক ডিয়ার ও ম্যানইউর জেসে লিঙ্গার্ডের মতো ফুটবলাররা। তাছাড়া আক্রমণভাগে রয়েছেন হ্যারি কেন, জেমি ভার্দি ও ড্যানি ওয়েলব্যাকের মতো খেলোয়াড়রা; যারা যে কোনো দলের রক্ষণভাগকেই পরাস্ত করতে সক্ষম। কোচ সাউটগেথের অধীনে ১৮ ম্যাচে ১০টি জয়ের বিপরীতে মাত্র ২টি ম্যাচে হেরেছে ইংল্যান্ড। যা রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে ইংলিশদের।

এ তালিকায় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল, এডেন হ্যাজার্ডের বেলজিয়াম, হামেস রদ্রিগেজের কলম্বিয়া এবং লুইস সুয়ারেজের উরুগুয়েকেও রাখা যায়। তবে অতীত রেকর্ড, দলে তারকা খেলোয়াড়ের উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক পারফরমেন্স বিচারে ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ডেরই রাশিয়া বিশ^কাপের শিরোপা জয়ের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে।

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj