জাবিভাকা ও অন্যান্য মাসকট

শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাশিয়া বিশ^কাপের মাসকটের নাম জাবিভাকা। বিশ^কাপ ফুটবলে প্রথম মাসকট ব্যবহারের রীতি চালু হয় ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ^কাপে। ওই বিশ^কাপের মাসকটটির নাম ছিল ‘ওয়ার্ল্ড কাপ উইলি’। এর আগের বিশ^কাপগুলোতে কোনো মাসকট ছিল না।

ওয়ার্ল্ড কাপ উইলি : এটি বিশ^কাপের প্রথম মাসকট। মাসকটটি ব্যবহৃত হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ইংল্যান্ড বিশ^কাপে। ওয়ার্ল্ড কাপ উইলি ছিল মূলত একটি সিংহ, যা ব্রিটিশদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটির গায়ে ছিল ইংল্যান্ডের পতাকার রংয়ে তৈরি জার্সি এবং এর ওপর লেখা ছিল ‘ওয়ার্ল্ড কাপ’।

জোয়ানিতো : ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটটির নাম জোয়ানিতো। এটি ছিল এক বালক, যার পরনে ছিল মেক্সিকোর জার্সি এবং এতে লেখা ছিল ‘মেস্কিকো ৭০’। ‘জোয়ানিতো’ নামটি এসেছে ‘জোয়ান’ শব্দ থেকে।

টিপ এন্ড টাপ : ১৯৭৪ সালের জার্মান বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম টিপ এন্ড টাপ। টিপ এন্ড টাপ হলো দুই বালক, যাদের গায়ে ছিল জার্মানির জার্সি এবং জার্সিতে লেখা ছিল ডব্লিওএম (ওয়েল্টমিস্টারচাফট)।

গাওচিতো : ১৯৭৮ সালের আর্জেন্টিনা বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম গাওচিতো। গাওচিতো ছিল একজন বালক, যার গায়ে ছিল আর্জেন্টিনার জার্সি। গাওচিতোর মাথায় পরিধান করা হ্যাটে লেখা ছিল ‘আর্জেন্টিনা ৭৮’।

নারাঞ্জিতো : নারাঞ্জিতো হল ১৯৮২ সালের স্পেন বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম। স্পেনের অন্যতম জনপ্রিয় ফল কমলা। যাকে স্প্যানিশ ভাষায় বলা হয় নারাঞ্জিতো। কমলার আদলে তৈরি এ মাসকটের গায়ে ছিল স্বাগতিক দেশ স্পেনের জার্সি।

পিকে : ১৯৮৬ সালে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ^কাপ ফুটবলের আসর বসে মেক্সিকোতে। ওই বিশ^কাপের মাসকটের নাম ছিল পিকে। পিকে নামটি এসেছে ‘পিচেটেন’ শব্দ থেকে, যার অর্থ এক প্রকারের মসলা।

চিয়াউ : চিয়াউ হলো ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম।

স্ট্রাইকার, দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ : ১৯৯৪ সালে বিশ^কাপের আসর বসেছিল যুক্তরাষ্ট্রে। ওই বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম ছিল স্ট্রাইকার, দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ। এটি ছিল একটি কুকুর, যা আমেরিকানদের খুবই পছন্দের একটি পোষা প্রাণী।

ফোটিক্স : ১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম ফোটিক্স। যা দেখতে ছিল মোরগের মতো। মোরগ হলো ফ্রান্সের অন্যতম একটি জাতীয় প্রতীক। ফ্রান্সের জার্সিতেও মোরগের ছবি আঁকা রয়েছে।

এটো, কায, নিক : ২০০২ সালে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ^কাপে একই সঙ্গে ৩টি মাসকট দেখা গিয়েছিল। এর মধ্যে এটো ছিল হলুদ রংয়ের এবং কায ও নিক ছিল বেগুনি ও নীল রংয়ের।

গোলেও ০৬ এবং পিলে : ২০০৬ সালের জার্মান বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম গোলেও ০৬ এবং পিলে।

জাকুমি : ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম জাকুমি। জাকুমি ছিল মূলত একটি চিতাবাঘ, যার পরনে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ফুটবল দলের জার্সি।

ফুলেকো : ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম ফুলেকো। আরমাডিলো নামক একটি ব্রাজিলিয়ান প্রাণীর দৈহিক গড়নের আদলে মাসকটটির ডিজাইন করা হয়েছে।

জাবিভাকা : ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ^কাপের জন্য তৈরি মাসকটের নাম জাবিভাকা। নেকড়ের দৈহিক গড়নের আদলে তৈরি করা হয়েছে মাসকটটি।

আরও সংবাদ...'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj