দেশ পরিচিতি

শুক্রবার, ১৫ জুন ২০১৮

মিসর

গোলরক্ষক

ইশাম আল হাদারি, মোহাম্মদ এল-শেনাওয়ায়ি ও শেরিফ ইকরামি।

ডিফেন্ডার

আহমেদ ফাতিহ, সাদ সামির, আয়মান আশরাফ, মাহমুদ হামদি, মোহাম্মদ আবদেল শাফি, আহমেদ হেগাজি, আলি গাবর, আহমেদ এলমোহামেদি ও ওমর গাবের।

মিডফিল্ডার

তারেক মাহমুদ, শিকাবালা, আবদাল্লাহ সাঈদ, স্যাম মরসি, মোহাম্মদ এলনেনি, মাহমুদ কাহরাবা, রামাদান সবহি, মাহমুদ হাসান ও আমর ওয়ার্দা।

ফরোয়ার্ড

মারওয়ান মোহসেন ও মোহাম্মদ সালাহ।

কোচ

হেক্টর কুপার

মোহাম্মদ সালাহকে ঘিরে স্বপ্ন দেখছে পুরো মিসর। কিন্তু ইনজুরিতে থাকায় এখানো বিশ্বকাপ নিশ্চিত নয় এ লিভারপুল তারকার। কিন্তু তারপরেও আশা ছাড়েনি মিসরের দলের আর্জেন্টাইন কোচ হেক্টর কুপার। ১৯৫৫ সালের ১৬ নভেম্বর আর্জেন্টিনার সান্তা ফে শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৪ সালে দেশের জার্সিগায়ে অভিষেক কুপারের। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনটি ম্যাচ।

রাশিয়া

গোলরক্ষক

ইগর আকিনফেভ (অধিনায়ক), ভøাদিমির গাবুলভ, সসলান জাহানায়েভ ও আন্দ্রে

লুনিয়ভ।

রক্ষণভাগ

ভøাদিমির গ্রানাত, রুসলান কামবলভ, ফেদর কুদরিয়াসভ, লিয়া কুতেপভ, রোমান নিউসতাদতের, কনস্টান্টিন রাউস, আন্দ্রে সেমেনভ, ইগোর স্মলনিকভ ও মারিও ফার্নান্দেস।

মধ্যমাঠ

ইউরি গাজিনস্কি, আলেকজান্ডার গলোভিন, অ্যালান জাগোয়েভ, আলেকজান্ডার ইরোখিন, ইউরি ঝিরকভ, দালের কুজইয়ায়েভ, রোমান জবনিন, আলেকজান্ডার সামেদভ, অ্যান্তন মিরানচুখ, আলেকজান্ডার তাশায়েভ ও ডেনিস চেরিশেভ।

আক্রমণভাগ

আর্তেম জুভা, আলেক্সে মিরানচুক ও ফিউডর স্মোলভ।

কোচ

স্তানি¯øাভ চেরচেশভ

বিশ^কাপকে সামনে রেখে ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট স্তানি¯øাভ চেরচেশভকে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় রাশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। স্তানি¯øাভ চেরচেশভের জন্ম ১৯৬৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর। খেলোয়াড়ি জীবনে ছিলেন গোলরক্ষক এবং রাশিয়া জাতীয় দলের হয়ে ১৯৯২ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত খেলেছেন তিনি। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত স্তানি¯øাভ চেরচেশভের অধীনে ১৯টি ম্যাচ খেলে ৫টি জয় পেয়েছে রাশিয়া।

সৌদি আরব

গোলরক্ষক

মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, ইয়াসির আল মোসাইলেম ও আবদুল্লাহ আল মায়ুফ।

ডিফেন্ডার

মনসুর আল হারাবি, ইয়াসির আল শাহরানি, মোহাম্মেদ আল ব্রেইক, মোটাস হাওয়াসি, ওসামা হাওয়াসি, ওমর হাওয়াসি ও আলি আল বুলাইলি।

মিডফিল্ডার

আবদুল্লাহ আল কাইবারি, আবদুল মালেক আল কাইবারি, আবদুল্লাহ ওতাইফ, তাইসির আল জসিম, হোসাইন আল মুগাই, সালমান আল ফারাজ, মোহামেদ কান্নো, হাতেম বাহেবরি, সালেম আল দাসেরি, ইহাহিয়া আল সেহেরি ও ফাহাদ আল মোলাদ।

ফরোয়ার্ড

মোহাম্মদ আল সালোই ও মোহাম্মদ আসসিরি।

কোচ

আন্তোনিও পিজ্জি

সৌদি আরব জাতীয় ফুটবল দলের কোচ আন্তোনিও পিজ্জি আর্জেন্টিনার সান্তাফে শহরে ১৯৬৮ সালের ৭ জুন জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু ফুটবল ক্যারিয়ারে তিনি স্পেনের হয়ে খেলতেন। স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ২২টি ম্যাচে করেছেন ৮টি গোল। এ ছাড়াও স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে দীর্ঘদিন ফুটবল মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেন। কোচ জীবনে কোলন সান্তা ফের সঙ্গে প্রথমে যুক্ত হন।

উরুগুয়ে

গোলরক্ষক

মার্টিন ক্যাম্পনা, ফার্নান্দো মোসলেরা ও মার্টিন সিলভা।

ডিফেন্ডার

মার্টিন কাসেয়ার্স, সেবাস্তিায়ান কোটস, হোসে মারিয়া জিমেনেস, দিয়াগো গোডিন, ম্যাক্সিমিলিয়ানো পেরেইরা, গ্যাস্টন সিলভা ও গুইয়েরমো ভালেরা।

মিডফিল্ডার

জর্জিয়ান দি অ্যারাসকায়েতা, রদ্রিগো ভেনতাসার, দিয়েগো ল্যাক্সাল্ট, নাহিতান নান্দেজ, ক্রিশ্চিয়ান রদ্রিগেজ, কার্লোস সানচেজ, লুকাস তোরেইরা, মার্টিয়াস ভ্যাকিনো ও জনার্থন উরেতাভিসকায়া।

ফরোয়ার্ড

এডিনসন কাভানি, ম্যাক্সিমিলিয়ানো গোমেজ, লুইস সুয়ারেজ ও ক্রিস্টিয়ান স্টুনাই।

কোচ

অস্কার তাবারেজ

উরুগুয়ের কোচ অস্কার তাবারেজের জন্ম ১৯৪৭ সালের ৩ মার্চ উরুগুয়ের মন্টেভিডিওতে। ২০০৬ সাল থেকে উরুগুয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। অবশ্য এর আগে ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ের কোচের দায়িত্ব ছিলেন তাবারেজ। তার অধীনে বিশ^কাপের বাছাইপর্বে বেশ ভালো খেলেছে সুয়ারেজরা। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দ্বিতীয় স্থানে থেকে রাশিয়ার টিকেট পেয়েছে তারা।

পর্তুগাল

গোলরক্ষক

অ্যান্তোনি লোপেজ, বেতো ও রোই প্যাট্রিসিয়া।

ডিফেন্ডার

ব্রুনে আলভেজ, কেডরিক সুয়ারেজ, হোসে ফন্তে, মারিও রোই, পেপে, রাফায়েল গুয়েরেইরো, রিকার্ডো পেরেইরা ও রুবেন ডিয়াজ।

মিডফিল্ডার

অ্যাড্রিয়েন সিলভা, বার্নারদো সিলভা, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, হোয়াও মারিও, জোয়াও মুতিনহো, ম্যানুয়েল ফার্নান্দেজ ও উইলিয়াম কারভাহাল।

ফরোয়ার্ড

আন্ড্রে সিলভা, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, জেলসন মার্টিন্স, গনক্যালো গুয়েদেস ও রিকার্ডো ক্যারিসমা।

কোচ

ফার্নান্দো সান্তোসের জন্ম ১৯৫৪ সালের ১০ অক্টোবর পর্তুগালের লিসবনে। ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্তুগালের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। ফার্নান্দো সান্তোসের অধীনে বেশ ভালোই খেলছে পর্তুগাল। ২০১৬ সালে তার অধীনেই ইউরো কাপের শিরোপা জিতেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোরা। ফার্নান্দো সান্তোসের অধীনে এখন পর্যন্ত ৫০টি ম্যাচ খেলেছে পর্তুগাল।

মরক্কো

গোলরক্ষক

মুনির আল কাজুই, ইয়াসিন বোনু ও আহমাদ রেদা।

ডিফেন্ডার

মেধি ভেনাধিয়া, রোমান সেইস, ম্যানুয়েল দ্য কস্তা, বাদ্র বেনোন, নাবিল দিরার, আশরাফ হাকিমি ও হামজা মেন্দিল।

মিডফিল্ডার

এমবার্ক বোসুফা, করিম এল আহমাদি, ইউসুফ আইত বেনাসের, সুফিয়ান আমরাবাত, ইউনুস বেলহানদা, ফ্যাকেল ফাজর ও আমিন হারিত।

ফরোয়ার্ড

খালিদ বোতাইব, আজিজ বোহাদ্দুজ, আইয়ুব এল কাবি, নরদিন আমরাবত, মেহদি সারসেলা ও হাকিম জিয়েচ।

কোচ

হার্ভি রেনার্ড

মরক্কো জাতীয় দলের কোচ হার্ভি রেনার্ড ১৯৬৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের অ্যাক্স-লেস-বেইন্স শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ফুটবল ক্যারিয়ারে দীর্ঘ ১৫ বছরে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেন। ১৯৯৯ সালে কোচিং জীবনের সূত্রপাত ঘটে। এরপর ক্রমেই বিভিন্ন ক্লাবের দায়িত্ব পালন করেন। সেই সঙ্গে জাম্বিয়া জাতীয় দলের দুই বার কোচের দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও অ্যাঙ্গোলা এবং আইভরি কোস্টের সঙ্গে কাজ করেন এ ফ্রেঞ্চ তারকা।

ইরান

গোলরক্ষক

আলিরেজা বেইরেনভান্দ, রাশিদ মাজাহেরী ও আমির আবেদজাদেহ।

ডিফেন্ডার

আলি ঘোলিজাদেহ, মাজিদ হোসেইনি, মিলাদ মোহাম্মদী, মোহাম্মাদ খানজাদেহ, মোর্তেজা পুরালিগাঞ্জি, পেজমান মোন্তাজেরি, রামিন রেজাইন ও রুজবেহ চেশমি।

মিডফিল্ডার

এহসান হাজি সাফি, কারিম আনসাফিরাদ, মাসুদ শোজাই, মাহদি তোরাবি, ওমিদ ইব্রাহিমি ও সাইদ ইজাতোলাহি।

ফরোয়ার্ড

আলিরেজা জাহানবকশ, আসকান ডেজাগাহ, মেহেদি তারেমি, রেজা গুচানেজাদ, সামান ঘুদ্দুস, সরদার আজমাউন ও ভাহিদ আমিরি।

কোচ

কার্লোস কুইরোজ

ফুটবল কিংবদন্তি কার্লো কুইরোজ ১৯৫৩ সালের ১ মার্চ পর্তুগালের নামপুলা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পর্তুগাল জাতীয় দলের খেলার সুযোগ না পেলেও বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেন কুইরোজ । তবে তার কোচিং জীবন অনেকটা সমৃদ্ধ। ইরান দলের যোগ দেয়ার আগে পর্তুগাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সঙ্গে তার কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত তার অধীনে ৮৬টি ম্যাচ খেলেছে ইরান।

স্পেন

গোলরক্ষক

পেপে রেইনা, ডেভিড ডি গিয়া ও কেপা আরিজাবালাগা।

ডিফেন্ডার

ন্যাচো ফার্নান্দেজ, সার্জিও রামোস, ডানি কারভাজল, জেরার্ড পিকে, জর্ডি আলবা, আলভারো ওদ্রিজোলা, নাচো মনরিয়েল ও সেজার আজপিলিকোয়েটা।

মিডফিল্ডার

আন্ড্রেস ইনিয়েস্তা, সার্জিও বুসকেটস, সওল নিগুয়েজ, কোকে, ইস্কো, মার্কো আসেনিসও, থিয়াগো আলকানতারা ও ডেভিড সিলভা।

ফরোয়ার্ড

ইয়াগো আসপাস, রদ্রিগো, দিয়েগো কস্তা ও লুকাস ভাসকেজ।

কোচ

হুলেন লোপেতেগি

দ্বিতীয়বারের মতো বিশ^কাপের শিরোপা জয়ে লক্ষ্য নিয়ে কোচ হুলেন লোপেতেগুইয়ের অধীনে রাশিয়া বিশ^কাপে খেলতে যাচ্ছে ২০১০ সালের বিশ^ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। হুলেন লোপেতেগিয়ের জন্ম ১৯৬৬ সালের ২৮ আগস্ট স্পেনের আস্টিয়াসো শহরে। খেলোয়াড় হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনার মতো বড় ক্লাবে খেলেছেন তিনি। এ ছাড়া স্পেন জাতীয় দলের হয়েও খেলেছেন এ গোলরক্ষক।

ফ্রান্স

গোলরক্ষক

হোগো লরিস, স্টিভ মান্দানা ও আল ফোন্সো আরিওলা।

ডিফেন্ডার

লুকাস হার্নান্দেজ, প্রেসনেল কিমপেম্বে, বেঞ্জামিন মেন্দি, বেঞ্জামিন পাভার্ড, আদিল রামি, জিব্রিল সিদিবে, স্যামুয়েল উমতিতি ও রাফায়েল ভারানে।

মিডফিল্ডার

এনগুলো কান্তে, ব্লুায়েস মাতুইদি, স্টিভেন এনজোনজি, পল পগবা ও ক্লোরেনতিন তোলিসো।

ফরোয়ার্ড

উসমান ডেম্বেলে, নাবিল ফেকির, অলিভার জিরু, এন্তোনি গ্রিজম্যান, থমাস লেমার, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ফ্লোরিয়ান থাওভিন।

কোচ

দিদিয়ের দেশ্যাম

ফ্রান্সকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ^ চ্যাম্পিয়ন করার স্বপ্ন দেখাচ্ছেন দলটির কোচ দিদিয়ের দেশ্যাম। দেশ্যামের জন্ম ১৯৬৮ সালের ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের বায়োন্নে নামক জায়গায়। ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে ১৯৮৯ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত খেলেছেন তিনি। কোচ হিসেবে ক্যারিয়ারের শুরুতে মোনাকো, জুভেন্টাস এবং অলিম্পিয়াক মার্সেইয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন দিদিয়ের দেশ্যাম।

পেরু

গোলরক্ষক

পেড্রো গেলেসে, কার্লোস কাসেদা ও হোসে কারভালো।

ডিফেন্ডার

আলবার্টো রদ্রিগেজ, ক্রিশ্চিয়ান রামোস, মিগুয়েল আরাউজো, অ্যান্ডারসন সান্তামারিয়া, লুইস অ্যাডভিনচুলা, অ্যাদো করজো, মিগুয়েল ত্রাউকো ও নিলসন লয়োলা।

মিডফিল্ডার

পেদ্রো অ্যাকুইনো, উইলডার ক্যার্টাগেনা, ইয়োশিমার ইয়োতুন, রেনাতো তাপিয়া, ক্রিশ্চিয়ান চুয়েভা, পাওলো হার্তাদো, অ্যান্ডি পোলো ও এডিসন ফ্লোরেজ।

ফরোয়ার্ড

জেফারসন ফারপান, আন্ড্রে ক্যারিলো, রাউল রুইদিয়াজ ও পাওলো গুয়েরেরো।

কোচ

রিকার্ডো গারেকা

পেরুর কোচ রিকার্ডো গারেকার জন্ম ১৯৫৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার টাপিয়ালেসে। ২০১৫ সালে পেরুর জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নেন তিনি। দায়িত্ব নেয়ার পর পেরুর ফুটবলকে যেন ক্রমেই বদলে দিতে শুরু করেন রিকার্ডো গারেকা। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের কঠিন বাধা পার হয়ে পেরুর বিশ^কাপের মূলপর্বে উঠে আসার পেছনে মূল অবদান নিঃসন্দেহে রিকার্ডো গারেকার। পেরু সর্বশেষ বিশ^কাপে খেলেছে ১৯৮২ সালে।

ডেনমার্ক

গোলরক্ষক

কেসপার স্যামাইকেল, জোনাস লুসি ও ফ্রেডেরিক রোনো।

ডিফেন্ডার

সিমোন কাজায়ের, আন্ড্রেস ক্রিসটেনসেন, ম্যাথিয়াস জার্গেনসেন, জেনিক ভেস্টারগার্ড, হেনরিক ডালসগার্ড, জেনস স্ট্রিগার ও জোনাস নোডসেন।

মিডফিল্ডার

উইলিয়াম কিভিস্ট, থমাস ডেলানে, লুকাস লেরাগার, ল্যাসে সোন, ক্রিশ্চিয়ান এরিকসন ও মিখাইল ক্রন।

ফরোয়ার্ড

পিয়োনে সিস্টো, মার্টিন ব্রেথওয়েট, আন্ড্রেস কর্নিওলাস, ভিক্টর ফিশ্যার, ইউসুফ পাউলসেন, নিকোলাই জার্গেনসন ও কাসপার ডলবার্গ।

কোচ

আ্যগে হেরেইদে

ডেনমার্কের কোচ অ্যাগে হেরেইদের জন্ম ১৯৫৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নরওয়েতে। ক্যারিয়ারের শুরুতে স্থানীয় বেশ কয়েকটি ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ক্লাব পর্যায়ে তার সাফল্য বিবেচনা করে ২০০৩ সালে তাকে নরওয়ের জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় দেশটির ফুটবল ফেডারেশন । ৫ বছর নরওয়ের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অ্যাগে হেরেইদে ডেনমার্কের কোচ হিসেবে নিয়োগ পান ২০১৬ সালের মার্চের ১ তারিখ।

অস্ট্রেলিয়া

গোলরক্ষক

ব্রাড জোনস, ম্যাথ রিয়ান ও ড্যানি ভোকোবিচ।

ডিফেন্ডার

আজিজ ভেহিচ, মিলোস ডেগেনেক, ম্যাথিউ জুরমান, জেমস মেরেদিথ, জস রিসডন ও ট্রেন্ট সেন্সবারি।

মিডফিল্ডার

জ্যাকসন আরভিন, মিল জেদিনাক, রবি ক্রুস, মাসিমো লুনগো, মার্ক মিলিগান, অ্যারন মোই, টম রজিক ও টিম কাহিল।

ফরোয়ার্ড

ড্যানিয়েল আরজানি, টমি জুরিখ, ম্যাথিউ ল্যাকি, এন্ড্রু নাবাউট, দিমিত্রি পেট্রাটোস ও জেমি ম্যাকলারেন।

কোচ

বার্ট ফন মারউইক

এবার বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে সৌদি আরবের কোচের দায়িত্বে ছিলেন ডাচ জাতীয় দলের সাবেক মিডফিল্ডার বার্ট ফন মারউইক। তিনি ১৯৫২ সালের ১৯ মে নেদারল্যান্ডসের দেভেন্তার শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে নেদারল্যান্ডস দলের হয়ে অভিষেক হয় মারউইকের। কোচিং জীবনে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে কাজ করার পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস, সৌদি আরব এবং বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।

আর্জেন্টিনা

গোলরক্ষক

সার্জিও রোমেরো, উইলফ্রোদো কাবাইয়েরো ও ফ্র্যাঙ্কো আরমানি।

ডিফেন্ডার

গ্যাব্রিয়েল মার্কাদো, ফেদেরিকো ফাজিও, নিকোলাস ওতামেন্ডি, মার্কোস রোহো, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস আকুনা, ক্রিস্টিয়ান আনসালদি ও জাভিয়ের মাসচেরানো।

মিডফিল্ডার

এভার বানেগা, লুকাস বিগলিয়া, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, জিওভানি লো সেলসো, ম্যানুয়েল লানজিনি, ক্রিস্টিয়ান পাভন, ম্যাক্সিমিলিয়ানো মেজা ও এডওয়ার্ডো সালভিও।

ফরোয়ার্ড

লিওনেল মেসি, পাওলো দিবালা, সার্জিও আগুয়েরো ও গঞ্জালো হিগুয়েন।

কোচ

জর্জ সাম্পাওলি

জর্জ সাম্পাওলির অধীনেই তৃতীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে রাশিয়া বিশ^কাপে খেলতে যাচ্ছে মেসিরা। জর্জ সাম্পাওলির জন্ম ১৯৬০ সালের ১৩ মার্চ আর্জেন্টিনার ক্যাসিলডা নামক এলাকায়। ২০১৭ সালের ১ জুন আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। এখন পর্যন্ত তার অধীনে ১১টি ম্যাচ খেলেছে মেসিরা। যেখানে জিতেছে ৬টি ম্যাচ। এ ছাড়া ড্র করেছে ৩টি ম্যাচ এবং হেরেছে বাকি ২টি ম্যাচ।

নাইজেরিয়া

গোলকিপার

ইকেচিকো ইজেনবা, ড্যানিয়েল আকপি ও ফ্রান্সিস উঝো।

ডিফেন্ডার

উইলিয়াম স্ট্রস্ট-ইকং, শেহু আবদুল্লাহি, লিয়ন বালোগান, কেনেথ ওমেরু, ব্রায়ান ইডোয়ো, এলডারসন ইচিজিলে ও টাইরোনে ইবুয়েহি।

মিডফিল্ডার

জন অভি মিখেল, ওগেনি ওনাজি, জন ওগু, উইলফ্রিড এনডিডি, অকেনেকারো ইকাবো ও জোয়েল ওবি।

ফরোয়ার্ড

ওডিওন ইগাল, আহমেদ মুসা, কেলেচি ইহেনাচো, অ্যালেক্স ওবি, সিমেয়ন এওয়ানকো ও ভিক্টর মোসেস।

কোচ

গারনত রোর

নাইজেরিয়া জাতীয় ফুটবল দলের কোচ গারনত রোর পশ্চিম জার্মানির মানহেইম শহরে ১৯৫৩ সালের ২৮ জুন জন্মগ্রহণ করেন। জার্মানির সাবেক ডিফেন্ডার তিনি। বায়ার্ন মিউনিখসহ বিভিন্ন ক্লাবের জার্সিগায়ে মাঠে মাঠেন। কোচিং জীবন শুরু হয় বোর্ডেক্স ক্লাবের দায়িত্ব নেয়ার পর। এরপর বিভিন্ন ক্লাবের পাশাপাশি নাইজার দলেরও মূল কোচ ছিলেন তিনি। ২০১৬ সালে সুপার ঈগলদের দায়িত্ব নেন রোর। তার অধীনেই এবার ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেবে নাইজেরিয়া।

আইসল্যান্ড

গোলরক্ষক

হ্যানেস থর হ্যালডরসন, রুনার অ্যালেক্স রুনারসন ও ফ্রডেরিক স্ক্রাম।

ডিফেন্ডার

ক্যারি আরনার্সন, অ্যারি ফ্রেয়ার স্কুলাসন, বির্কির সায়েভারসন, এসভেরির ইনগি ইগাসন, হোর্ডার ম্যাগনাসন, হোলমার ওর্ন আইজলফসন ও যাগনার সিগার্ডসন।

মিডফিল্ডার

জোহান গুডমান্ডসন, বির্কির বিজারনেসন, অ্যারনর ইংভি ট্রস্টাসন, এমিল হ্যালফ্রেডসন, জিলফি সিগার্ডসন, ওলাফুর ইঙ্গি স্কুলাসন, রুরিক জিলাসন, স্যামুয়েল ফ্রিডজনসন ও অ্যারন গুনারসন।

ফরোয়ার্ড

আলফ্রেড ফিনবোরেগসন, বোজর্ন বার্গম্যান সিগার্ডাসন, জন দ্যাদি বোদভার্সন ও আলবার্ট গুডমান্ডসন।

কোচ

হেইমির হলগ্রিমসন

আইসল্যান্ডের কোচ হেইমির হলগ্রিমসনের জন্ম ১৯৬৭ সালের ১০ জুন আইসল্যান্ডের ভেস্টমান্যাইজার শহরে। তিনি আইসল্যান্ডের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৩ সালে। তার অসাধারণ কোচিংয়েই প্রথমবারের মতো বিশ^কাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছে আইসল্যান্ড। প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দুবছর আইসল্যান্ড জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন হেইমির হলগ্রিমসন।

ক্রোয়েশিয়া

গোলরক্ষক

দানিজেল সোবাসিচ, লভ্রে কালিনিচ ও ডমিনিক লিভাকোভিচ।

ডিফেন্ডার

ভেদরান চোরলুকা, দমাগোই ভিদা, ইভান স্ত্রিনিচ, দিয়ান লভরেন, সিমে ভ্রাসালজিকো, ইয়োসিপ পিভারিচ, তিন ইয়েদভাই ও দুয়ে চালেতাকার।

মিডফিল্ডার

লুকা মড্রিচ, ইভান রাকিতিচ, ম্যাথেও কোভাকিচ, মিলান বাদেই, মার্সেলো ব্রোজোভিচ ও ফিলিপ ব্রাদারিচ।

ফরোয়ার্ড

মারিও মানজুকিচ, ইভান পেরিশিচ, নিকোলা কারিনিচ, আন্দ্রে ক্রামারিচ, মার্কো পিয়াসা ও আন্তে রেবিচ।

কোচ

জøাতকো দালিচ

ক্রোয়েশিয়ার কোচ জøাতকো দালিচের জন্ম ১৯৬৬ সালের ২৬ অক্টোবর যুগো¯øাভিয়াতে। ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশ কয়েকটি ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ক্লাবের কোচ হিসেবে তার সাফল্য বিবেচনা করে ২০১৭ সালের ৭ অক্টোবর জাøতকো দালিচকে ক্রোয়েশিয়ার কোচের দায়িত্ব দেন দেয় দেশটির ফুটবল ফেডারেশন। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত তার অধীনে মাত্র ৬টি ম্যাচ খেলেছে ক্রোয়েশিয়া। যেখানে জয় পেয়েছে ৩টিতে।

গোলরক্ষক

অ্যালিসন, এডারসন ও ক্যাসিও।

ডিফেন্ডার

মার্সেলো, দানিলো, ফিলিপে লুইস, ফ্যাগনার, মারকুইনহোস, থিয়াগো সিলভা, মিরান্দা ও পেদ্রো গেরোমেল।

মিডফিল্ডার

ফিলিপে কুতিনহো, উইলিয়ান, ফার্নান্দিনহো, পলিনহো, কাসেমিরো, রেনাতো আগাস্তো ও ফ্রেড।

ফরোয়ার্ড

নেইমার, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রবার্তো ফিরমিনহো, ডগলাস কস্তা ও টাইসন।

কোচ

তিতে

রাশিয়া বিশ^কাপে নেইমারদের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তিতে। তিতের জন্ম ১৯৬১ সালের ২৫ মে ব্রাজিলের ক্যাক্সিয়াসে। ২০১৪ সালের বিশ^কাপে কার্লোস ডুঙ্গার অধীনে ব্রাজিলিয়ানদের ব্যর্থতা এবং বিশ^কাপ পরবর্তী সময়েও ডুঙ্গার অধীনে তেমন কোনো সাফল্য না পাওয়ায় ২০১৬ সালের ২০ জুন তিতের ওপর ব্রাজিল জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেয় ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন। তিতের অধীনে বাছাইপর্বে দারুণ খেলেছে ব্রাজিল।

সুইজারল্যান্ড

গোলরক্ষক

ইয়ান সমার, রোমান বার্কি ও ইভন এমভোগো।

ডিফেন্ডার

স্টিফেন লিচটেইনার, মিশেল লং, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, ফ্রান্সিস মোবান্দজে, ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, জোহান ডোরো, ফাবিয়ান শার, নিকো এলভেদি, ভেলন বেহরামি, বেøরিম ডিজেমাইলি, ড্যানিশ জাকারিয়া ও গেলসন ফার্নান্দেজ।

মিডফিল্ডার

জর্ডান সাকিরি, স্টিভেন জোবার, ব্রিল এমবোলো, সিলভান উইডমার ও রেমো প্রিয়োলার।

ফরোয়ার্ড

হ্যারিস সেফেরোভিক, মারিও গাভরানেভিক ও জোসিফ ডার্মিক।

কোচ

ভøাদিমির পেতকোভিচ

সুইজারল্যান্ডের কোচ ভøাদিমির পেতকোভিচের জন্ম ১৯৬৩ সালের ১৫ আগস্ট। ২০১৪ সালের ১ জুলাই সুইজারল্যান্ড জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব নেন তিনি। এখন পর্যন্ত তার অধীনে ৩৯টি ম্যাচ খেলে ২৪টিতে জয় পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। এ ছাড়া হেরেছে ৮টি ম্যাচ এবং ড্র করেছে ৭টি ম্যাচ। সুইজারল্যান্ডের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে ইতালিয়ান ক্লাব ল্যাজিওর কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন ভøাদিমির পেতকোভিচ।

সার্বিয়া

গোলরক্ষক

ভøাদিমির স্টোকোভিচ, ফ্রেডরাক রাজকোভিচ ও মার্কো ডিমিটরোভিচ।

ডিফেন্ডার

আলেকজান্ডার কলোরোভ, ব্রানি¯øাভ ইভানোভিচ, ডাস্কো টসিক, এন্তোনিও রোকাভিনা, মিলোস ভেলকোভিচ, মিলান রডিচ, উরস স্পাজিক ও নিকোলা মিলেনকোভিচ।

মিডফিল্ডার

নেমাঞ্জা ম্যাটিক, লুকা মিলিভোজেবিচ, সার্জেই মিলিনকোভি- স্যাভিক, মার্কো গ্রোজিক, আদেম ল্যাজিক, ডুসান টাডিক, ফিলিপ কস্টিক, আন্ড্রিজা ঝিভকোভিচ ও নেমাঞ্জা রাডোনিজিক।

ফরোয়ার্ড

আলেকজান্ডার মিত্রোভিচ, আলেকজান্ডার প্রিজোভিচ ও লুকা জোভিচ।

কোচ

¤øাদেন ক্রস্তাইচ

সার্বিয়ার কোচ ¤øাদেন ক্রস্তাইচের জন্ম ১৯৯৪ সালের মার্চ যুগো¯øাভিয়ার জেনিকা শহরে। সার্বিয়ার জাতীয় দলের হয়ে ১৯৯৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত খেলেছেন এ ডিফেন্ডার। তিনি সার্বিয়ার কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৭ সালে। তার অসাধারণ কোচিংয়ে উয়েফা অঞ্চলের বাছাইপর্বে আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস এবং অস্ট্রিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে হারিয়ে রাশিয়ার টিকেট পেয়েছে সার্বিয়া। বাছাইপর্বের ধারাবাহিকতা বিশ^কাপেও ধরে রাখতে চান সার্বিয়ার কোচ ¤øাদেন ক্রস্তাইচ।

কোস্টারিকা

গোলরক্ষক

কেইলর নাভাস, প্যাট্রিক প্যাম্বারটন ও লিওনেল মোরেইরা।

ডিফেন্ডার

ইয়ান স্মিথ, রোনাল্ড মাতারিকা, ব্রাইন অভিয়েরো, অস্কার ডুয়াটে, ফ্রান্সিসকো কলভো, কেন্দাল ওয়াস্টন ও জনি অ্যাকোস্টা।

মিডফিল্ডার

ডেভিড গুহম্যান, ইয়েলসিন তেজেদা, চেলসো বোর্গেস, রান্দাল আজোফেইফা, রডনি ওয়ালেশ, ব্রায়ান রুইজ, দানিয়েল কলিন্দ্রেস, ক্রিশ্চিয়ান বোলানোস, জিয়ানকার্লো গঞ্জালেস ও ক্রিশ্চিয়ান গ্যাম্বোয়া।

ফরোয়ার্ড

জোহান ভেনেগাস, জোয়েল ক্যাম্পবেল ও মার্কাস ওরেনা।

কোচ

অস্কার রামিরেজ

কোস্টারিকা জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক মিডফিল্ডার অস্কার রামিরেজ ১৯৬৪ সালের ৮ ডিসেম্বর সান এন্টেনিও দি বেলেন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৫ সালে ২১ বছর বয়সে কোস্টারিকা জাতীয় দলে জায়গা পান সাবেক এ মিডফিল্ডার। দীর্ঘ ১৩ বছর দেশের জার্সি গায়ে প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি। ফুটবল ক্যারিয়ারে দেশের হয়ে ৭৫ ম্যাচে ৬টি গোল করতে সক্ষম হন রামিরেজ। দেশীয় ক্লাব বেলেনের হয়ে কোচ জীবন শুরু করেন।

জার্মানি

গোলরক্ষক

ম্যানুয়েল নুয়্যার, মার্ক আন্ড্রে টের-স্টেগান ও কেভিন ট্রাফ

ডিফেন্ডার

জেরোমি বোয়েটিং, ম্যাটস হিমুয়েল, নিকলাস সুলে, আন্টোনিও রুডিগার, ম্যাথিয়াস গিন্টার, জোনাস হেক্টর, জশুয়া কিমিচ ও মারভিন প্লাটেনহার্ডট

মিডফিল্ডার

টনি ক্রুস, সামি খেদিরা, ইলকাই গুন্ডোগান, লিয়ন গোরেৎজকা, সেবাস্টিয়ান রুডি, মেসুত ওজিল, , জুলিয়ান ব্র্যান্ড, জুলিয়ান ড্রাক্সলার ও মার্কো রয়েস।

ফরোয়ার্ড

টমাস মুলার, মারিও গোমেজ ও টিমো ভার্নার

কোচ

জোয়াকিম লো

শিরোপা ধরে রাখা এবং পঞ্চম শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে জোয়াকিম লোর অধীনে রাশিয়া বিশ^কাপে অংশ নিতে যাচ্ছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। জোয়াকিম লোর জন্ম ১৯৬০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম জার্মানির শোহোনোতে। কোচ হিসেবে ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশ কয়েকটি ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পাালন করেছে তিনি। জোয়াকিম লো জার্মান জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০০৬ সালের ১২ জুলাই।

মেক্সিকো

গোলরক্ষক

গুইলের্মো ওচোয়া, আলফ্রেডো তালাভেরা ও জিসুস করোনা।

ডিফেন্ডার

কার্লোস স্যালসেদো, দিয়েগো রেয়েস, হেক্টর মোরিনো, হুগো আয়ালা, এডসন আলভারেজ, হেসুস গ্যালার্ডো ও মিগুয়েল লায়ুন।

মিডফিল্ডার

রাফায়েল মার্কুয়েজ, হেক্টর হেরেরা, জোনাথন ডস সান্তোস, জিওভানি ডস সান্তোস, আন্দ্রেস গুয়ারদাদো ও মার্কো ফেবিন।

ফরোয়ার্ড

জাভিয়ের হার্নান্দেজ, রাউল জিমেনেজ, ওরিবে পেরালতা, ম্যানুয়েল করোনা, কার্লোস ভেলা, জাভিয়ের অ্যাকুইনো ও হার্ভিং লোজানো।

কোচ

কার্লোস ওসোরিও

মেক্সিকোর জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জুয়ান কার্লোস ওসোরিও ১৯৬১ সালের ৮ জুন কলম্বিয়ার সান্তা রোসা ডি ক্যাবল শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ফুটবল ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এ কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার। আমেরিকান ক্লাব মেট্রোস্টার্সের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোচ জীবন শুরু হয়। এরপর দীর্ঘদিন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের অক্টোবরে মেক্সিকো জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত হন।

দক্ষিণ কোরিয়া

গোলরক্ষক

কিম সাং জিয়ুই, কিম জিন ইউন, চো হিউন ও।

ডিফেন্ডার

কিম ইয়ং উন, জ্যাং হিউন সু, জিং সিং ইউন, উন ইয়েং সন, ওহ বান সুক, কিম মিন উ, পার্ক জো হু, হং চুল, গো ইয়ুহান ও লি ইয়ং।

মিডফিল্ডার

কি সাং ইয়ং, জিওং উ ইয়ং, জু সি জং, কো জা সল, লি জাই সুং, লি সিউং উ ও মুন সুনমিন।

ফরোয়ার্ড

কিম শিন উক, সন ইয়ং মিন ও ওয়াং হি চান।

কোচ

সিন-তায়ে ইয়ং

দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক মিডফিল্ডার সিন-তায়ে ইয়ং ১৯৬৯ সালের ১১ এপ্রিল ইয়ংডিঅক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রথম পর্যায়ে দক্ষিণ কোরিয়ার জার্সি গায়ে বয়সভিত্তিক দলগুলোতে খেলেন। সেখানে ভালো করলে ১৯৯২ সালে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পান। কোচিং জীবনের প্রথমে দক্ষিণ কোরিয়া ফুটবল দলের স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে তাকে জাতীয় দলের কোচ নিয়োগ দেয়া হয়।

সুইডেন

গোলরক্ষক

রবিন অলসেন, কার্ল জোহান জনসন ও ক্রিস্টোফার নর্দফেলদট।

ডিফেন্ডার

মাইকেল লাস্টিগ, ভিক্টর লিন্দেলফ, আন্দ্রেস গ্রানকভিসট, মার্টিন ওলসন, লাডউগি অগাস্টিনসন, ফিলিপ হেলেন্ডার, এমিল ক্রাফট ও ফান্টস জনসন।

মিডফিল্ডার

সেবিস্টিয়ান লারসন, আলবিন ইকডাল, এমিল ফরসবার্গ, গস্টভ সভিসন, অস্কার হিলজেমার্ক, ভিক্টর ক্লেসন, মার্কাস রোদেন ও জিমি ডারমাজ।

ফরোয়ার্ড

মার্কাস বার্গ, জন গুইডেট্টি, ওলা টয়বোনেন ও ইসাক কেইসে।

কোচ

ইয়ান অ্যান্ডারসন

সুইডেনের কোচ ইয়ান অ্যান্ডারসনের জন্ম ১৯৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সুইডেনের হালস্টাডে। তিনি সুইডেন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৬ সালের ২৩ জুন। এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে ১৯টি ম্যাচ খেলে ৯টিতেই জিতেছে সুইডেন। এ ছাড়া ড্র করেছে ৪টি ম্যাচ এবং হেরেছে ৬টি ম্যাচে। বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস এবং বুলগেরিয়ার মতো দলকে পেছনে ফেলে রাশিয়ার টিকেট পেয়েছে দলটি।

ইংল্যান্ড

গোলরক্ষক

জর্ডান পিকফর্ড, নিক পোপ ও জ্যাক বুটল্যান্ড।

ডিফেন্ডার

কাইল ওয়ালকার, কিয়েরান ট্রিপায়ার, ট্রেন্ট অ্যালেকজান্ডার-আর্নল্ড, গ্যারি চাহিল, ড্যানি রোজ, জন স্টোনস, হ্যারি মাগুইরে, ফিল জোনস ও অ্যাশলে ইয়ং।

মিডফিল্ডার

এরিক ডায়ার, ফ্যাবিয়ান ডেলফ, জর্ডান হ্যান্ডারসন, ডেলে আলি, রুবেন লোফটা¯øচিক, রাহিম স্টার্লিং ও জেসে লিঙ্গার্ড।

ফরোয়ার্ড

হ্যারি কেন, জেমি ভার্দি, মার্কাস রাসফোর্ড ও ড্যানি ওয়েলব্যাক।

কোচ

গ্যারেথ সাউথগেট

কোচ গ্যারেথ সাউথগেটের অধীনে রাশিয়া বিশ^কাপে খেলতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। গ্যারেথ সাউথগেটের জন্ম ১৯৭০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ডের ওয়াটফোর্ডে। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত খেলেছেন এ ডিফেন্ডার। গ্যারেথ সাউথগেট ইংল্যান্ড জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর। তার অধীনে এখন পর্যন্ত ১৭টি ম্যাচ খেলে ৯টিতে জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। এ ছাড়া ড্র করেছে ৬টি ম্যাচ এবং হেরেছে বাকি ২টি ম্যাচে।

বেলজিয়াম

গোলরক্ষক

কোন কাস্তিল, থিবাউট কোর্তেইস ও সাইমন মিগনোলেট।

ডিফেন্ডার

টবি আল্ডারওয়েরেইলড, ডেডরিক বোয়েইটা, ভিনসেন্ট কোম্পানি, টমাস মিউনিয়ার, টমাস ভারমায়েলেন ও জন ভেরটনগেন।

মিডফিল্ডার

ইয়েনিক ক্যারাস্কো, কেভিন ডি ব্রুইন, মোসা ডেম্বেলে, লিন্ডার ডেরডনকার, মারোয়ানে ফেলাইনি, এডেন হ্যাজার্ড, টরগান হ্যাজার্ড, এডনান জানোজাজ, ড্রায়েস মার্টেন্স, ইউরি টেইলেমান্স ও অ্যাক্সেল উইটসেল।

ফরোয়ার্ড

মিচি বাটচুয়াই, নাসের চাডলি ও রোমেলু লুকাকু।

কোচ

রবার্টো মার্টিনেজ

বেলজিয়ামের কোচ রবার্টো মার্টিনেজের জন্ম ১৯৭৩ সালের ১৩ জুলাই স্পেনের বালাগুয়েরেতে। ক্যারিয়ারের শুরুতে ইংলিশ ক্লাব সোয়েন্সি সিটি এবং এভারটেেনর মতো ক্লাবের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। রবার্টো মার্টিনেজ বেলজিয়ামের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট। তার অধীনে ইউরোপের মতো কঠিন অঞ্চলের বাছাইপর্বের বাধা পার হয়ে রাশিয়া বিশ^কাপের টিকেট পেয়েছে বেলজিয়াম।

তিউনিসিয়া

গোলরক্ষক

আইমেন মাথলউইথি, বিন মোস্তফা ফারুক ও মোয়েজ হোসেন।

ডিফেন্ডার

হামদি নাগুয়েজ, দাইলান ব্রুন, রামি বেদোই, জোহান বিনওলোন, সিয়াম বিন ইউসুফ, ইয়াসিন মেরিয়াহ, ওসামা হাদ্দাই ও আলি মালোল।

মিডফিল্ডার

ইলিয়াস খিরি, মোহাম্মদ আমিন বিন ওমর, ঘাইলেন চালালি, ফারজানি সাসি, আহমেদ খলিল ও সেঈফদিন খুই।

ফরোয়ার্ড

ফখরুদ্দিন বিন ইউসুফ, ওয়ারি খাজরি, সাবির খলিফা, আনিস বদ্রি, বাসিম সারফি ও নাঈম লিতি।

কোচ

নাবিল মালুল

তিউনিসিয়া জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক মিডফিল্ডার নাবিল মালুল ১৯৬২ সালের ২৫ জুলাই তিউনিস শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৫ সালে জাতীয় দলের জার্সিগায়ে তার অভিষেক হয়। এরপর ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১১ বছর নিষ্ঠার সঙ্গে দলের হয়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেন। মোট ৭৪টি ম্যাচ খেলে ১১টি গোল করতে সক্ষম হয় এ তিউনিস কিংবদন্তি। তিউনিসিয়া জাতীয় দলের হয়ে দ্বিতীয় বারের মতো কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

পানামা

গোলরক্ষক

জেমি পেনেডো, হোসে ক্যালডিরন ও আলেক্স রদ্রিগেজ।

ডিফেন্ডার

ফিলিপ বালোই, হ্যারল্ড কামিন্স, এরিক ডেভিস, ফিদেল এসকোবার, আডোলফো মাকাদো, মিকায়েল মুরিও, লুইস ওভায়ে ও রোমান তোরেস।

মিডফিল্ডার

এডগার বারকিনাস, আরমান্দো কুপার, এনিডাল গুডেই, গ্যাব্রিয়েল গোমেজ, ভ্যালেন্টিন পিমেন্টাল, আলবার্তো কুইনতেরো ও হোসে লুইস রদ্রিগেজ।

ফরোয়ার্ড

আবদিয়েল আরোয়ো, ইসমাইল দিয়াজ, ব্লুাস পেরেজ, লুইস তেজেদা ও গ্যাব্রিয়েল তোরেস।

কোচ

হার্নান দারিও গোমেজ

পানামা জাতীয় ফুটবল দলের কোচ হার্নান দারিও গোমেজ ১৯৫৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি কলম্বিয়ার মেদেলিন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ফুটবল ক্যারিয়ারে কলম্বিয়ার বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেছেন। কলম্বিয়ান প্রফেশনাল ক্লাব অ্যাথলেটিক ন্যাশিওনালের হয়ে প্রথম কোচের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫-৯৮ সাল পর্যন্ত কলম্বিয়া ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৯৯-২০০৪ সাল পর্যন্ত ইকুয়েডরের সঙ্গে কাজ করেন। ২০১০ সালে দ্বিতীয় বার ফের কলম্বিয়ার দায়িত্ব নেন।

কলম্বিয়া

গোলরক্ষক

ডেভিড অস্পিনা, ক্যামিলো ভার্গাস ও হোসে ফার্নান্দো কুয়াদ্রাদো।

ডিফেন্ডার

সান্তিয়াগো অ্যারিয়াস, ফ্যাঙ্ক ফ্যাব্রা, ডেভিসন সানচেজ, ক্রিশ্চিয়ান জাপাতা, ইয়েরি মিনা, ইয়োহান মোজিকা ও অস্কার মুরিলো।

মিডফিল্ডার

অ্যাবেল অ্যাগুইলার, উইলমার ব্যারিওস, হামেস রদ্রিগেজ, কার্লোস সানচেজ, জেফারসন লার্মা, জোয়ান ফার্নান্দো কুইন্তেরো, জোয়ান গুইলের্মো, হোসে ইজকোয়ের্দো ও মাতেউস উরিব।

ফরোয়ার্ড

রাদামেল ফ্যালকাও, মিগুয়েল বোরজা, লুইস মুরিয়েল ও কার্লোস বাক্কা।

কোচ

হোসে পেকারম্যান

কলম্বিয়ার কোচ হোসে পেকারম্যানের জন্ম ১৯৪৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আর্জেন্টিনার ভিয়া ডোমিনগুইজে। ২০১২ সাল থেকে কলম্বিয়া জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তার অধীনে ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ^কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছে কলম্বিয়া। এখন পর্যন্ত হোসে পেকারম্যানের অধীনে কলম্বিয়া ৭৩টি ম্যাচ খেলেছে। যেখানে জয় পেয়েছে ৪০টি ম্যাচে এবং হেরেছে ১৪টি ম্যাচে। এ ছাড়া ড্র করেছে বাকি ১৯টি ম্যাচ।

জাপান

গোলরক্ষক

এজি কোয়াসিমা, মাসাকি হিগাশিগুচি ও কসোকে নাকামুরো।

ডিফেন্ডার

ইউতো নাগাতোমো, তোমোয়াকি মাকিনো, ওয়াতারো এন্দো, মায়া ইউশিদা, হিরোকি সাকাই, গুটোকো সাকাই, জেন শুজি ও নাউমিচি ওয়েদা।

মিডফিল্ডার

মাকিতো হাসেবে, কেইসুকে হোন্ডা, তাকাচি আইনুই, শিনজি কাগাওয়া, হোতারু ইয়ামাগুইচি, জেনকি হারাগুইচি, তাকাশাই উচামি, গাকো সিবাসাকি ও রয়তা ওশিমা।

ফরোয়ার্ড

শিনজি ওকাজাকি, ইয়োইয়া ওসাকো ও ইউশিনোরি মুতো।

কোচ

আকিরা নিশিনো

জাপান জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার এবং বর্তমান কোচ আকিরা নিশিনো ১৯৫৫ সালের ৮ এপ্রিল জাপানের সাইতামা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ফুটবল ক্যারিয়ারে ১৯৭৭-১৯৭৮ সালে জাপান দলের জার্সি গায়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের হয়ে ১২টি ম্যাচ খেলে একটি গোল করেছেন আকিরা নিশিনো। জাতীয় দল থেকে অবসর নেয়ার পর ১৯৯০ সালের দিকে কোচিং জীবনের সূত্রপাত ঘটে।

পোল্যান্ড

গোলরক্ষক

বার্তোজ বিয়ালকোস্কি, লুকাজ ফ্যাবিয়ানস্কি ও ওজসিয়াখ এসচিজনি।

ডিফেন্ডার

জ্যান বেন্ডনারেক, বার্তোজ বেরেসজিনস্কি, থিয়াগো সিওনেক, কামিল গিøক, আর্তার জেদরেজেজিক ও মাইকেল পাদজান।

মিডফিল্ডার

জ্যাকব ব্লুাসজিকোস্কি, জ্যাক গোরালস্কি, কামিল গ্রোসিকি, গ্রিজগোর্জ ক্রাইচোউইক, ক্যারোল লিনেত্তি, ¯øাওমির পেসজকো, ম্যাকিয়েজ রাইবাস, পিওতর জিয়েলিনস্কি ও লুকাস পিসজেক।

ফরোয়ার্ড

দাউদ কুয়োনাকি, রবার্ট লেভেনডোস্কি, আর্কাডিউস মিলিক ও লুকাজ টিওডোরজস্কি।

কোচ

আডাম নাভাউকা

পোল্যান্ডের কোচ আডাম নাভাউকার জন্ম ১৯৫৭ সালের ২৩ অক্টোবর পোল্যান্ডের ক্রাকো শহরে। খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি ছিলেন মিডফিল্ডার। পোল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত খেলেছেন নাভাউকা। তিনি পোল্যান্ড জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ২০১৩ সালের অক্টোবরে। তার অধীনে এখন পর্যন্ত ৪৫টি ম্যাচ খেলে ২৪টিতে জয় পেয়েছে পোল্যান্ড। এ ছাড়া ড্র করেছে ১৪টি ম্যাচ এবং হেরেছে ৭টি ম্যাচে।

সেনেগাল

গোলরক্ষক

আবদুল্লাহ দিয়াইলো, আলফ্রেড গোমিস ও খাদিম এনদিয়াই।

ডিফেন্ডার

লামিন গাসামা, সালিউ সিস, খালিদু কোয়িলিবালি, কারা বোদি, ইউসুফ সাবালি, সালিফ সানে ও মুসা ওয়াগ।

মিডফিল্ডার

ইদ্রিসা গুইয়ে, চেইকহো কোয়েইতে, আলফ্রেড দিয়াই, বাদো দিয়াই, চেইখ দোয়ে ওইসমাইলা সার।

ফরোয়ার্ড

কেইটা বালদে, মামে বিরাম দিউফ, মুসা কোনাতে, সাদিও মানে, এমবায়ে নিয়াং, দিয়াফ্রা সাখো ও মুসা সো।

কোচ

অ্যালিউ সিসে

সেনেগালের ফুটবল কিংবদন্তি অ্যালিউ সিসে ১৯৭৬ সালের ২৪ মার্চ জিগুইনচর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে আফ্রিকান দেশটি। আর সিসে ছিলেন ২০০২ সালের বিশ্বকাপ খেলা সেনেগালের ফুটবলার। ১৯৯৯-২০০৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় দলের হয়ে মোট ৩৫টি ম্যাচে মাঠে নামেন সাবেক এ ডিফেন্ডার। সিসে বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে মাঠে প্রতিনিধিত্ব করেন।

আরও সংবাদ...'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj