টুকি-টাকি

শনিবার, ১০ মার্চ ২০১৮

অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় আনছে কোকাকোলা

কাগজ ডেস্ক : কোম্পানির ১২৫ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় উৎপাদন করার পরিকল্পনা করেছে কোকাকোলা। অ্যালকোপপ ধরনের (অ্যালকোহলযুক্ত এক ধরনের কোমল পানীয়) এই পানীয়টি জাপানের বাজারে ছাড়া হবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি। জাপানের স্থানীয় মদ শোচু মিশিয়ে তৈরি করা ক্যানের পানীয় চু-হির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করতেই কোকাকোলার এমন পরিকল্পনা। ওই পানীয়তে সাধারণত তিন থেকে আট শতাংশ অ্যালকোহল থাকে। কোকাকোলা জাপানের প্রেসিডেন্ট হোর্হে গার্দুনো জানিয়েছেন, তাদের নতুন ওই পানীয় আপাতত জাপানের বাইরে বিক্রির সম্ভাবনা কম। চু-হি হলো শোচু হাইবলের সংক্ষিপ্ত নাম। বিয়ারের বিকল্প হিসেবে জাপানে বাজারজাত করা হয় ওই পনীয়। জাপানে নারীদের মধ্যেও চু-হি জনপ্রিয়তা পেয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। তরুণ ক্রেতারা ক্রমেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠতে থাকায় কোকাকোলা তাদের সনাতন ‘ফিজি’ পানীয়ের পাশাপাশি পানি ও চায়ের মতো পণ্যের দিকেও নজর বাড়িয়েছে।

জয় হলো প্রেমের : বৈধতা পেল ‘লাভ জিহাদ’ বিয়ে

কাগজ ডেস্ক : ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম যুবককে বিয়ে করা নিয়ে ভারতে ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কের মুখে পড়া কেরালার মেয়ে হাদিয়ার বিয়ে বৈধ বলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে শেষ পর্যন্ত প্রেমেরই জয় হয়েছে। ধর্মান্তরিত হয়ে ভিন্ন ধর্মের যুবককে বিয়ে করার ঘটনাকে ‘লাভ জিহাদ’ বলে অভিযোগ করে হাদিয়ার কেরালা হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। তার এ অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত গত বছর হাদিয়ার বিয়ে বাতিল করে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার কেরালা হাইকোটের্র সেই রায়ই খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রায়ে শীর্ষ আদালত বলেছে, হাদিয়া ও তার স্বামী শাফিন জাহান একসঙ্গে থাকতে পারবেন। তাদের এ বিয়ে বৈধ। কেরালার একটি হিন্দু পরিবারে ২৪ বছর বয়সী হাদিয়ার জন্ম। তার নাম ছিল আখিলা অশোকান। শাফিনের সঙ্গে বিয়ের আগে আখিলা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাম রাখেন হাদিয়া। এর পরই হাদিয়ার বাবা কেরালা হাইকোর্টে মামলা করেন। তার অভিযোগ ছিল, ধর্মান্তর করে শাফিনকে বিয়ে করতে হাদিয়াকে বাধ্য করা হয়েছে। এ অভিযোগ আমলে নিয়েই কেরালা আদালত হাদিয়ার বিয়ে বাতিল করেছিল। পরে এ রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন হাদিয়ার স্বামী শাফিন। এ আবেদনের প্রেক্ষিতেই হাদিয়া-শাফিনের দাম্পত্য বৈধ বলে রায় দিলে আদালত।

জলবায়ু পরিবর্তনে ‘নারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত’

কাগজ ডেস্ক : জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পুরুষদের চেয়ে নারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে।

জাতিসংঘের পরিসংখ্যান বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের ৮০ শতাংশই নারী। পরিবারের প্রাথমিক যতœদাতা এবং খাবার ও জ্বালানির প্রাথমিক যোগানদাতার ভূমিকায় থাকার কারণে বন্যা ও খরার সময় নারীরাই বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়েন। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে সেন্ট্রাল আফ্রিকার চাদ হ্রদের আয়তন ৯০ শতাংশ হ্রাস পাওয়ার পর ওই অঞ্চলের যাযাবর নৃগোষ্ঠীগুলো ঝুঁকির মুখে পড়ে। হ্রদের তটরেখা সরে যাওয়ার পর নারীদের আরো অনেকটা দূরে হেঁটে গিয়ে পানি সংগ্রহ করতে হতো।

এসোসিয়েশন অব ইনডিজেনাস ওমেন এন্ড পিপল অব চাদ (এএফপিএকটি)-এর সমন্বয়ক হিনদৌ ওউমারৌ ইব্রাহিম বলেন, শুষ্ক ঋতুতে পুরুষরা শহরে চলে যায় এবং সমাজের দায়িত্ব নারীদের হাতে ছেড়ে যায়। এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শুষ্ক ঋতু যখন ক্রমেই লম্বা হচ্ছে পরিবারের ভরণপোষণের জন্য নারীদের আরো কঠোর পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

ইব্রাহিম বিবিসি বলেন, তারা আরো বেশি অরক্ষিত হয়ে পড়ছে, কারণ এটি খুব পরিশ্রমের কাজ।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শুধু প্রত্যন্ত এলাকার নারীরাই ক্ষতির শিকার হচ্ছেন এমন না; বৈশ্বিকভাবেই নারীরা দারিদ্র্যের মুখোমুখি হচ্ছেন এবং আর্থসামজিক ক্ষমতায় পুরুষদের থেকে আরো পিছিয়ে পড়ছেন। ২০০৫ সালে হারিকেন ক্যাটারিনার পর যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার বন্যায় নারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিতে নিউ অর্লিন্সের মতো নিম্নভূমিতে অবস্থিত শহরগুলো ঝুঁকির মধ্যে আছে।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj