নারী ও অগ্রগতি : দীপ্তি ইসলাম

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

সমাজ-সংসার তথা গোটা বিশ্ব জুড়েই নারীকুল ছিল ভাত-কাপড় আর সন্তান উৎপাদনের অধস্তন গৃহজীবী। কারণ, তাদের সামাজিক-ধর্মীয় কথোপকথন শোনা ও বোঝার কোনো অধিকার ছিল না। দেবতাদের লিঙ্গ ও শ্রেণি বৈষম্যের সমাজব্যবস্থায় নারী ছিল ভাব-বেদপুরাণের জগতে নিষিদ্ধ। অস্বীকার করা হতো নারীর ধর্মীয়-সামাজিক-স্বর্গীয় ও মনোজগতকে। সৃষ্টির শুরু থেকেই নারী নিষিদ্ধ বলেই বিবেচিত হতো।

দু-চোখ ভরে নারীও দেখতে চেয়েছিল বিশ্বজগতকে। মনে মনে যে বাসনা লালন করত অতি সংগোপনে। ফরাসি বিপ্লব নারীকে এনে দিয়েছিল স্বপ্ন পূরণের সব সম্ভাবনা। নারীকে নারী থেকে মানুষ বিবেচনার ভিত্তির ওপর আঘাত করে। যে আঘাত নারীকে আবিষ্কার করেছে সামাজিক ও সামষ্টিক শক্তি হিসেবে। নারী ধর্মীয় প্রবল আধিপত্য, সামাজ ও সাংসার পতিদের রক্তচক্ষুর শাসন, শাসকদের নির্মম অত্যাচার-অনাচার নিপীড়নকে উপেক্ষা করে শামিল হয়েছে বিশ্বসভ্যতার উন্নয়ন আগ্রযাত্রায়। আজকের প্রযুক্তি নির্ভর সভ্যতাকে এগিয়ে নিতে নারীর সক্রিয় ভূমিকা একদিনে রচিত হয়নি, নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের অধ্যবসায়, শ্রম-সময় ও সংগ্রামের ইতিহাস। নারী বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবনার বিকাশ, চিন্তা ও মতপ্রকাশের লেনদেনে একধাপ এগিয়ে। মাত্র এক শতকের ব্যবধানে আজকের নারীসমাজ একটার পর একটা বিজয়গাথা সাফল্য অর্জন করে চলেছে। একাডেমিক শিক্ষাব্যবস্থায় অর্জন করেছে বৈচিত্র্যময় সফলতা। আলোর জগতে জ্বলিয়েছে প্রদীপ। প্রিন্টিং ও ইলেকট্রিক গণমাধ্যমে সংবাদ সংগ্রহ থেকে শুরু করে পরিবেশনায় রাখছে যুগান্তকারী ভূমিকা। সা¤প্রদায়িক ভাবনার ঊর্ধ্বে থেকে রাষ্ট্র ও রাজনীতি পরিচালনায় নারী নেতৃত্ব জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশের চূড়ান্ত বিজয়। প্রকৌশল ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে নারীর অবস্থান দৃঢ়তার সঙ্গে প্রমাণ করে, মহাবিশ্বের বাড়বিকাশে, জ্ঞানে-বিজ্ঞানে, চিন্তা-চেতনায়, ক্রিয়া-কর্মে নারী এক মহাশক্তির নাম।

থেমে নেই বাংলার প্রান্তিক জনপদের জীবনধারা। প্রান্তিক জীবনযাপনে এসেছে গতি ও কর্মতৎপরতা। শিক্ষা ও কৃষি কাজের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে নারীও পুরুষের সঙ্গে সমানতালে তাল মিলিয়ে অর্থনৈতীকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে। ঘরে ও বাইরে সংসারিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে নিরলসভাবে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে। এ সব ক্ষুদ্র আয়ের মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তানদের দৃষ্টিভঙ্গি বোদলেছে। জীবন গড়ার হাতিয়ার হিসেবে তারা বেছে নিয়েছে শিক্ষাকে। শিক্ষানুরাগী তরুণীরা বৃহত্তর পরিসরে উচ্চ শিক্ষা লাভে ছুটছে প্রন্তিক পথ থেকে শহর ও নগর অভিমুখে। ওদের মধ্যে থেকেই আবার কেউ কেউ উচ্চ ডিগ্রি নিয়ে পাড়ি জমাচ্ছে বিদেশের মাটিতে। শুধু কি তাই, বাঙালি মেধাবী শিক্ষার্থীরা নিউক্লিয়াস ভুবনে শিক্ষানবিস হিসেবে অবস্থান করছে ইউরোপ আমেরিকায়। সৌরজগত ও পারমাণবিক বিজ্ঞান আজ মুখরিত নারী শক্তির পদচারণায়।

সহস্রাব্দের লড়াই শেষে নারী আজ বিচরণ করছে আকাশপথে, সমুদ্রপথে, স্থলপথে। সশস্ত্র বাহিনীতে লড়াকু সৈনিক। নারীর লড়াই এখন শুধু সমানাধিকারের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়। মতাদার্শিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, আইনগত অসঙ্গতি ও ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই নারীর প্রকৃত লড়াই। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নারী কেবল ধর্ষিতা ও বিরাঙ্গনাই হয়নি, প্রতিরোধও করেছে। যেমন, তারামন বিবি এদের মধ্যে একজন। একাত্তরের ঘাতক দালালদের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন জাহানারা ইমাম। তছলিমা নাছরিন নারী কণ্ঠকে প্রগতিশীল করেছেন। ড. সুলতানা কামাল মানবতার প্রশ্নে আপসহীন।

বাঙালি সাহিত্যতত্ত্বের জগতে দুথেকে আড়ই দশকে নারীবাদী সাহিত্যকর্মের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। যার প্রভাব বাঙালি সামাজিক জীবনের ভাবনার রাজ্যকে ওলটপালট করে দিয়েছে। আজকের নারী জাগরণ সে ভাবনারই উত্তরাধিকার। নারীবাদী সাহিত্য পুরুষতান্ত্রিক ধর্মীয় এবং সামাজিক স্বৈরাচারী বিধিনিষেধকে অস্বীকার করে প্রগতিশীল নারী এসে দাঁড়িয়েছে মানবিক বিশ্বের পাশে। পৃথিবীকে গড়েছে লিঙ্গ বৈষম্যহীন করে। পিতৃতান্ত্রিক ভাবনা-চিন্তা, আবেগ-অনুভূতি-উপলব্ধির ক্ষেত্রে মানসিক উন্নতিসাধন করেছে। নারী এখন লিখিত হয় না, লিখে। অঙ্কিত হয় না, আঁকে। ভাস্কর্য হয় না, ভাস্কর হয়। আর এটাই হলো নারীবাদী সাহিত্যের সফলতা।

মনস্তাত্তি¡ক বিশেষণেও দেখা যায়, আদি মানবী হাওয়ার নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণেও নারীর বিচক্ষণতা ও দূরদৃষ্টিসম্পন্নতা। নারী এখানে পুরুষের চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আদমকে চিন্তা-চেতনা-জ্ঞানে-কর্মে সক্রিয় করেছে। আত্মসচেতনেতার পথ উন্মুক্ত করেছে। স্বধীনভাবে জীবনযাপনের ক্ষেত্র রচনা করেছে।

সময় ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ফলে নারী এখন অনেক বেশি আত্মপ্রত্যয়ী। রান্না ও আঁতুড়ঘর থেকে কলকারখানায়, মিটিংয়ে-মিছিলে, নাগরিক সংঘ-সংগঠনে। দৃশ্যমান হচ্ছে সামাজিক শক্তি হিসেবে। পুঁজীবাজারে শ্রমজীবী বাঙালি নারী দক্ষতার সঙ্গে স্বাক্ষর রেখে চলেছে। যেমন বস্ত্রশিল্পীদের কথাই ধরা যাক। পুঁজি বিকাশের জন্য বস্ত্রবালিকারা কাঠখড় লাকড়ির মতো পুড়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে। বিপন্ন আবেদনহীন এই বস্ত্রবালিকারা আজ প্রগতিশীল ও শ্রদ্ধেয়। তারা যুক্ত হয়েছে উন্নয়নের মহাসড়কে। বস্ত্রশীল্পে বিপন্ন নারীর একটি বড় অংশ প্রগতিশীলতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনার বিশাল পদক্ষেপ।

আত্মমর্যাদার ভিত্তিতে আর্থসাবলম্বী নারী পুঁজিবাদী সমাজের শিকল ভেঙে গড়তে চায় নিজের মতো করে মান-মর্যাদা ও মূল্যায়নের সমৃদ্ধ ভুবন। কিন্তু এতসব পরিবর্তন প্রক্রিয়ার ভেতরও সংশয় এবং সমস্যা থেকেই যায়। কারণ, এখনও নারীর উত্থান ও অগ্রগতি মেনে নিতে পারেনি প্রতি প্রজন্মের রক্ষণশীল নারী-পুরুষ। নারীর অগ্রগতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে স্বয়ং নারী। প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিক্রিয়াশীল সমাজ। এ সব সৃষ্টিহীন নারীরা মননে-মগজে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে পিতৃতান্ত্রিক সংস্থা সমাজ, পরিবার, বিয়ে এবং ধর্মের সঙ্গে। তাছাড়া, সব পরিবর্তন যেমন সামাজিক-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক-মনোজাগতিক-উত্তরাধিকার-মালিকানা-উৎপাদন ইত্যাদি পরিবর্তন সমূহকে একসঙ্গে টেনে নিতে পারে না। সামাজিক-সাংস্কৃতিক-মনোজাগতে অনেক পুরনো ধ্যান-ধারণা টিকে থাকে। আধুনিক বেশভুষার আড়ালে রয়ে গেছে পশ্চাৎপদ চিন্তা-চেতনা। যে চেতনা এখনও ধারণ করে আটপৌরে সমাজব্যবস্থা। এই পশ্চাৎপদ সমাজব্যবস্থাই বহুসংখ্যক বাঙালি নারীকে এখনো আড়াল করে রেখেছে মানবিক জীবন থেকে। অভ্যস্ত করেছে মৌলিক জীবনে। বাস্তবতা হলো, মনুষ্য জীবন ও তার দর্শন, এরচেয়েও বেশি কিছু। যে ধারণাটি রয়ে গেছে সঙ্গোপনে। ছকেবাঁধা কর্মাভিজ্ঞতা প্রসারিত করে না তাদের দৃষ্টিভঙ্গি। জীবনবোধকে করে না গতিশীল। পিছুটান সৃজনশীল ভুবনকে করে না শাণিত। বরং পিছুটান প্রবণতা দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে মননশীল জটিলতায়। ‘দেবতা নির্ভর পৃথিবী’ এই চিরাচরিত অন্ধ বিশ্বাসে অটল সমাজ বহমান অনুকৃতিকেই সংস্কৃতি বলে চালিয়ে নেয়। প্রকৃত অর্থে মানবসত্তার আদিম প্রবৃত্তির আধুনিকায়ন ও তার অনুক‚ল পরিবেশে বাস্তবায়নই হলো সংস্কৃতি।

পশ্চাৎমুখী সাংস্কৃতিমনস্ক বাঙালি নারীর জন্য সমাজ সংসারের সব ক্ষেত্র নয় অবারিত। যেখানে সে বিচরণ করতে পারে আপন মনে। সুখী হতে পারে নিজের মতো করে। তাই ঘরমুখী জীবন যাপনেই তারা অধিকতর স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। প্রথাসিদ্ধ নারীকে প্রতিনিয়ত আপস করে চলতে হয়, মন যা চায় না তার সবকিছুর সঙ্গে। তারপরও পরিবারিক পরিমণ্ডল আঁকড়ে থাকার জন্য চলতে থাকে নিরন্তর মানসিক লড়াই। বনেদী আদর্শ, যৌন সাতন্ত্র্যবোধজনিত চিন্তাভাবনা পিছিয়ে পরা বাঙালি নারীকে সমগ্র পৃথিবী থেকে এক প্রকার বিচ্ছন্ন জীবনযাপনে অনুগত রাখে। দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতা জড়িয়ে রাখে দায়বদ্ধতার নানা রকম শৃঙ্খলে। সে পরিণত হয় একটি বৃক্ষের মতো। যার বিকাশ এবং বৃদ্ধি ফুলে, ফলে আর বয়সে। এভাবে কত অগণন নারী সংসার নামের পরাজয় পুরিতে হারিয়েছে, তাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীল ভাবনা। সংসার নামের পাতানো রাজ্যে ছিলেন পোড়ামাটি কিংবা পাথরের ছায়ায় ঢাকা এক টুকরো অঙ্গারের মতো। আমি তাদের মায়া মাধুর্য, অশ্রæ সজল চোখের চারপাশে দেখেছি অন্ধকার। আর এই সমাজের কর্মজীবী নারী সে তো আরেক বেদনার নাম। চাপা ক্রোধের অবরোধ বাসিনী যেন এক সাজানো নিঃশ্বাসের যবানিকা।

আজ একুশশতকী বাংলার ঘরে ঘরে শিক্ষিত মা, আলোকিত নব্য প্রজন্ম, জন্ম সূত্রে আলোকিত। বিত্ত-বিলাশের অভ্যস্ত গতানুগতিক ধারার শিক্ষার আলো, যা নব্য প্রজন্মের মননে প্রবেশ পথ পায় না এবং যে শিক্ষা তাদের মনস্তাত্তি¡ক পরিবর্তন ঘটায় না। শুধু খোলোশ পরিবর্তন হয়।

এখানে নারীরা ফসলের পাতা কিংবা কিটপতঙ্গের মতো অতি তুচ্ছ। আর এই ধারণা কেবল বদলে দিতে পারে সমাজে ন্যায় ও ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত করার মধ্য দিয়ে। পুরুষ বা নারী প্রথমত একজন মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখা এবং তাদের অধিকার নিশ্চত করা রাষ্ট্র তথা সমাজের প্রধান কাজ। বিভেদ বিভাজন করে অধিকার বঞ্চিত করা নয়। যদিও গোটা বিশ্বে পূর্ণ ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত করা যেমন সম্ভব নয়, তেমনি দৈনন্দিন জীবনে যেসব অসাম্য আমাদের ঘিরে থাকে, তা দূর করাও অসম্ভব নয়। তাই কীভাবে নারী পুরুষের মধ্যকার বৈষম্যের মাত্রা কমিয়ে, ন্যায্যতার প্রসার ঘটানো যায়, এটি একটি ভাবনার বিষয়। যে ভাবনাচিন্তা মানুষের মধ্যে জাগ্রত করে ন্যায় অন্যায়বোধ। পারিবারিক, সামাজিক ও বৈশ্বিক লৈঙ্গিকভিত্তিক বৈষম্য দূর করার মধ্য দিয়ে পরিকল্পিত ছকে আসতে পারে উন্নতমানের মুক্তজীবন। সেই সঙ্গে পরিবর্তন ঘটবে প্রথাগত মনোজগত। আর যদি সেইসঙ্গে একটি রাষ্ট্রের মূলনীতি হয় সার্বিকভাবে মানুষের কল্যাণ, তবেই একসঙ্গে বিকশিত হতে পারে সাম্য, স্বাধীনতা ও সমৃদ্ধি।

একুশশতকী নারী বদলে দিতে পারে মধ্যযুগীয় বর্বর অনুভূতি। দিন, মাস, বছর, শতাব্দী থেকে শতাব্দীতে গড়ে ওঠা নিজ গৃহে নিবন্ধিত যুগলের আভিধানিক শয্যা। ভেঙে দিতে পারে ভেতরে ভেতরে জমে থাকা নর্দমার পাহাড় এবং শহর, গ্রাম তথা নাগরীক সমাজের মৌলিক মুখোশ। এতে যদি খসে পড়ে দুষ্ট সমাজের সব শৃঙ্খল, ফুঁসে ওঠে সুশীলবোধ ক্ষমাহীন দ্রোহে তবে, তা হোক না। নারী তুমি ভয়কে চুরমার করে ছুড়ে ফেলে উঠে দাঁড়াও, প্রতিবাদী হাত আর কলম নিয়ে। কারণ তুমিই প্রসারিত বিশ্বের শিকড়। শৈবালের ছায়ার মতো মাতৃত্বের মমতায় মাখা তোমার নীরব মুখের অভিব্যক্তি বৃথা নয়। জঠরের ধন আগলে রাখো আজন্ম একা। তাইতো তোমারই মাঝে কেবল জন্ম নেয় দ্যুতিময়তা। তোমার চিবুকের স্পর্শে অনাথেরা ডানা মেলে পাক পাখালীর মতো। তুমিই গড়ে তুলেছো বিশাল সাম্রাজ্য বিন্দু বিন্দু কষ্ট ক্লেশের অশ্রæ দিয়ে। তুমিই ছড়িয়ে দিয়েছো অনাহূত শিশুর মুখে মুঠো মুঠো মক্তোর ফোঁটা। প্রতিটি ফোঁটা জ্বলে ওঠে আলোকে। মেঘ-বৃষ্টি-বজ্রের আঘাত যা কিছু বিষণœ বিভিষিকা সবই তোমার। ভাঙচুর হৃদয়ে জোড়াতালি দিয়ে রাখো মায়া। তুমিই সুন্দর, তুমিই নারী। তুমিই একুশ শতকী জননী। তুমিই উন্নয়ন অগ্রগতির দিশারী।

২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সংখ্যা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj