চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কিছু পরিসংখ্যান

বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০১৭

সর্বোচ্চ দলীয় রান

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সর্বোচ্চ রান নিউজিল্যান্ডের। দলটি ২০০৪ সালে ওভালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩৪৭ করে। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৩১ রান ভারতের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩২৩ রানের মালিক ইংল্যান্ড।

সর্বনিম্ন দলীয় রান

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সর্বনিম্ন দলীয় রান ৬৫। ২০০৪ সালে সাউদাম্পটনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৪ ওভারে ৬৫ রান করে অলআউট হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এর পরে ৭৭ রান নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় স্থানটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তারা ৮০ রানে অলআউট হয়।

সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবচেয়ে বড় জয় কিউইদের। ২০০৪ সালের আসরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২১০ রানের বিশাল জয় তুলে নেয় দলটি। ওভালে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৩৪৭ রান করে ব্লু্যাক ক্যাপরা। জবাবে মাত্র ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্রের ইনিংস। বড় জয়ের দিকে থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। তারা ২০০২ সালে ২০৬ রানে হারায় নেদারল্যান্ডসকে। তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থানকারী দল দক্ষিণ আফ্রিকা। একই আসরে ১৭৬ রানের জয় তুলে নেয় তারা।

সর্বনিম্ন ব্যবধানে জয়

টুর্নামেন্টটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন ৫ রানের জয় পায় ভারত। গত আসরে ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৫ রানের জয় তুলে নেয় তারা। দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ১০ রানের জয়ও ভারতের। ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় দলটি। একই ব্যবধানে ভারত ছাড়া আরো দুটি দল জয় পায়। এগুলো হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ড।

এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি রান

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬৩৬ রান হয় ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচে। ২০১৩ সালে কার্ডিফে এ রান বন্যা হয়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬২৪ রান হয় ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ২০০৯ সালে। এরপরই তালিকায় আছে নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা ম্যাচ। দল দুটি মোট ৯৬.৪ ওভার খেলে ৫৯২ রান করে ২০০৯ সালে।

এক ম্যাচে সবচেয়ে কম রান : আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এক ম্যাচে সবচেয়ে কম রান হয় অস্ট্রেলিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ম্যাচে। দুটি দল সব মিলিয়ে ৩১.৫ ওভার খেলে ১৩১ রান করে। ঘটনাটি ঘটে ২০০৪ সালে সাউদাম্পটন মাঠে। কম রানের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। দল দুটির মধ্যকার ম্যাচ ১৬৩ রানের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তালিকায় ১৭৫ রান নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-জিম্বাবুয়ে।

এক ম্যাচে সর্বোচ্চ অতিরিক্ত রান

এক ম্যাচে সর্বোচ্চ অতিরিক্ত রান দেয়ার রেকর্ড কেনিয়ার অধীনে। দলটি ২০০৪ সালের আসরে ভারতের বিপক্ষে ৪২ রান অতিরিক্ত দেয়। এরপরই আছে শ্রীলঙ্কা। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তারা অতিরিক্ত দেয় ৩৮ রান। এই তালিকায় ৩৬ রান নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি রান যার

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি রান ক্রিস গেইলের। ১৭টি ম্যাচ খেলে ১৭ ইনিংস থেকে ৫২.৭৩ গড়ে মোট ৭৯১ রান করেন তিনি। এই প্রতিযোগিতায় গেইল মোট ৩টি শতক এবং ১টি অর্ধশতকের মালিক। এর মধ্যে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান অপরাজিত ১৩৩। তিনি সব মিলিয়ে মোট দুটি ম্যাচে অপরাজিত ছিলেন। ২০০২ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ১০১টি চার ও ১৫টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। ২২ ম্যাচের ২১ ইনিংস থেকে তার মোট রান ৭৪২। আর সমান ম্যাচের সমান ইনিংস থেকে ৬৮৩ রান নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন কুমার সাঙ্গাকারা।

সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস

এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১৪৫ রানের ইনিংস খেলেন নাথান এসলে। নিউজিল্যান্ড তারকা অবশ্য ম্যাচটিতে অপরাজিত ছিলেন। ২০০২ সালের আসরে ওভালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১৫১ বল খেলে ১৩টি চার ও ৬টি ছক্কার সাহায্যে দুর্দান্ত এ সেঞ্চুরিটি করেন। এরপর একই রান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন জিম্বাবুয়ান তারকা অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার। ১৪৫ রান হওয়া সত্ত্বেও আউট হয়ে যাওয়ার কারণে শীর্ষে জায়গা পাননি তিনি। অপরাজিত ১৪১ রান নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন সৌরভ গাঙ্গুলী।

সবচেয়ে বেশি শতক

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি শতকের রেকর্ড রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা হার্সেল গিবসের অধীনে। তিনি সবচেয়ে কম, ১০টি ম্যাচ খেলে ৩টি শতকের কোটা পূরণ করেন। সমপরিমাণ সেঞ্চুরি নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। তবে এ জন্য তার খেলতে হয়েছে ১৩টি ম্যাচ। সবচেয়ে বেশি, ১৭টি ম্যাচ খেলে ৩টি শতকের দেখা পান ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ক্রিস গেইল।

সবচেয়ে বেশি শূন্য

টুর্নামেন্টে সবচেয়ে বেশি শূন্য রানে আউট হন অস্ট্রেলিয়ান তারকা শেন ওয়াটসন। তিনি মোট ৪ বার এ রকম লজ্জাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। এরপর ৩ বার করে শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ড রয়েছে হাবিবুল বাশার, নাথান এসলে, শোয়েব মালিক এবং সনাৎ জয়সুরিয়ার।

টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি ছক্কা

টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি ছক্কার রেকর্ড সৌরভ গাঙ্গুলীর অধীনে। তিনি ১১ ইনিংসে মোট ১৭টি ছক্কার মার মারেন। ১৫টি ছক্কা নিয়ে ক্রিস গেইল দ্বিতীয় অবস্থানে এবং ১২টি ছক্কা নিয়ে ওয়াটসন তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন।

এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা

এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি, ৭টি ছক্কার রেকর্ড নিউজিল্যান্ড তারকা ক্রেইগ ম্যাকমিলান এবং অস্ট্রেলিয়ান তারকা শেন ওয়াটসনের। ম্যাকমিলান যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এবং ওয়াটসন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েন।

টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি কাইল মিলস। নিউজিল্যান্ডের এ তারকা ১৫টি ম্যাচে ১৫ ইনিংস খেলে ২৮ উইকেট তুলে নেন। এরপর ২৪ উইকেট নিয়ে আছেন মুত্তিয়া মুরালিধরন। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন লাসিথ মালিঙ্গা। তার সংগ্রহে আছে ২২ উইকেট।

এক ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেটধারী

এক ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে রেকর্ড গড়েন পারভেজ মাহরুফ। শ্রীলঙ্কান এ তারকা ২০০৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৯ ওভার বল করে ১৪ রান দিয়ে ৬টি উইকেট তুলে নেন।

সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল

উইকেটরক্ষক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের রেকর্ড শ্রীলঙ্কান তারকা কুমার সাঙ্গাকারার অধীনে। তিনি ২০ ইনিংস থেকে মোট ৩৩টি ডিসমিসালের মালিক। ১৩ ইনিংস থেকে ২৫ ডিসমিসাল নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা মার্ক বাউচার। ১৭ ইনিংস থেকে তার ডিসমিসাল সংখ্যা ১৯।

সবচেয়ে বেশি ক্যাচ

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরার রেকর্ড গড়েন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার মাহেলা জয়াবর্ধনে। ২২ ম্যাচ খেলে ১৫টি ক্যাচ লুফে নেন তিনি। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভারতীয় তারকা সৌরভ গাঙ্গুলী। তিনি ১৩ ম্যাচ থেকে ১২ ক্যাচ ধরেন। ১৫ ম্যাচে সমান ক্যাচ ধরে তৃতীয় স্থানে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ডোয়াইন ব্রাভো।

সবচেয়ে বড় জুটি

সবচেয়ে বড়, অপরাজিত ২৫২ রানের জুটি গড়েন শেন ওয়াটসন এবং রিকি পন্টিং। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদ্বয় ২০০৯ সালের আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে অসাধারণ এ পারফরমেন্স দেখান। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শোয়েব মালিক ও মোহাম্মদ ইউসুফের মধ্যকার ২০৬ রানের জুটি। ১৯২ রানের জুটি নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভিরেন্দর শেবাগ ও সৌরভ গাঙ্গুলী।

সবচেয়ে বেশি ম্যাচ

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন শ্রীলঙ্কান তারকা মাহেলা জয়াবর্ধনে এবং কুমার সাঙ্গাকারা। তারা দুজনই ২২টি ম্যাচে মাঠে নামেন। ২০ ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সনাৎ জয়সুরিয়া। তিন নম্বরে অবস্থানকারী রাহুল দ্রাবিড়ের ম্যাচ সংখ্যা ১৯টি।

অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ : অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অংশ নেন রিকি পন্টিং। মোট ১৬টি ম্যাচ খেলে ১২টি জয়ের পাশাপাশি ৩টিতে হারের স্বাদ পান এ তারকা। তার অধীনে অন্য একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। অধিনায়ক হিসেবে ১৫ ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন উইন্ডিজ তারকা ব্রায়ান লারা। তার জয় ১১টিতে এবং হার ৪টিতে। এই তালিকার তৃতীয় স্থান দখলকারী হলেন নিউজিল্যান্ড তারকা স্টিফেন ফ্ল্যামিং। ১৩টি ম্যাচের মধ্যে ৮টি জয়ের পাশাপাশি ৫টিতে হার রয়েছে তার।

আম্পায়ার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ : আম্পায়ার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন ক্যারিবিয়ান আম্পায়ার স্টিভ বাকনর। তিনি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মোট ২১টি ম্যাচ পরিচালনা করেন। ১৬টি করে ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে পাকিস্তানি আম্পায়ার আলিম দার এবং ইংলিশ আম্পায়ার ডেভিড শেফার্ডের। ১৫ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাদের পর অবস্থান করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার রুডি কোয়ার্টজেন এবং অস্ট্রেলিয়ান সাইমন টোফেল।

সবচেয়ে বেশি ডিসমিসাল

উইকেটরক্ষক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ডিসমিসালের রেকর্ড শ্রীলঙ্কান তারকা কুমার সাঙ্গাকারার অধীনে। তিনি ২০ ইনিংস থেকে মোট ৩৩টি ডিসমিসালের মালিক। ১৩ ইনিংস থেকে ২৫ ডিসমিসাল নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকান তারকা মার্ক বাউচার। ১৭ ইনিংস থেকে তার ডিসমিসাল সংখ্যা ১৯।

সবচেয়ে বেশি ক্যাচ

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সবচেয়ে বেশি ক্যাচ ধরার রেকর্ড গড়েন শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার মাহেলা জয়াবর্ধনে। ২২ ম্যাচ খেলে ১৫টি ক্যাচ লুফে নেন তিনি। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভারতীয় তারকা সৌরভ গাঙ্গুলী। তিনি ১৩ ম্যাচ থেকে ১২ ক্যাচ ধরেন। ১৫ ম্যাচে সমান ক্যাচ ধরে তৃতীয় স্থানে আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ তারকা ডোয়াইন ব্রাভো।

সবচেয়ে বড় জুটি

সবচেয়ে বড়, অপরাজিত ২৫২ রানের জুটি গড়েন শেন ওয়াটসন এবং রিকি পন্টিং। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদ্বয় ২০০৯ সালের আসরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে অসাধারণ এ পারফরমেন্স দেখান। এরপর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শোয়েব মালিক ও মোহাম্মদ ইউসুফের মধ্যকার ২০৬ রানের জুটি। ১৯২ রানের জুটি নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন ভিরেন্দর শেবাগ ও সৌরভ গাঙ্গুলী।

সবচেয়ে বেশি ম্যাচ

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন শ্রীলঙ্কান তারকা মাহেলা জয়াবর্ধনে এবং কুমার সাঙ্গাকারা। তারা দুজনই ২২টি ম্যাচে মাঠে নামেন। ২০ ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন সনাৎ জয়সুরিয়া। তিন নম্বরে অবস্থানকারী রাহুল দ্রাবিড়ের ম্যাচ সংখ্যা ১৯টি।

অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ

অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অংশ নেন রিকি পন্টিং। মোট ১৬টি ম্যাচ খেলে ১২টি জয়ের পাশাপাশি ৩টিতে হারের স্বাদ পান এ তারকা। তার অধীনে অন্য একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়। অধিনায়ক হিসেবে ১৫ ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন উইন্ডিজ তারকা ব্রায়ান লারা। তার জয় ১১টিতে এবং হার ৪টিতে। এই তালিকার তৃতীয় স্থান দখলকারী হলেন নিউজিল্যান্ড তারকা স্টিফেন ফ্ল্যামিং। ১৩টি ম্যাচের মধ্যে ৮টি জয়ের পাশাপাশি ৫টিতে হার রয়েছে তার।

আম্পায়ার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ

আম্পায়ার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন ক্যারিবিয়ান আম্পায়ার স্টিভ বাকনর। তিনি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মোট ২১টি ম্যাচ পরিচালনা করেন। ১৬টি করে ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড রয়েছে পাকিস্তানি আম্পায়ার আলিম দার এবং ইংলিশ আম্পায়ার ডেভিড শেফার্ডের। ১৫ ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে তাদের পর অবস্থান করছেন দক্ষিণ আফ্রিকার রুডি কোয়ার্টজেন এবং অস্ট্রেলিয়ান সাইমন টোফেল।

রোল অব অনার

সাল চ্যাম্পিয়ন রানার্সআপ

১৯৯৮ দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ

২০০০ নিউজিল্যান্ড ভারত

২০০২ শ্রীলঙ্কা-ভারত (যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন)

২০০৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইংল্যান্ড

২০০৬ অস্ট্রেলিয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ

২০০৯ অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড

২০১৩ ভারত ইংল্যান্ড

তাহসিনা রাজিয়া

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি-২০১৭'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj