চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বাংলাদেশ দল

বৃহস্পতিবার, ১ জুন ২০১৭

মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক)

মাশরাফি বিন মর্তুজা ১৯৮৩ সালের ৫ অক্টোবর নড়াইলে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে তিনি ওয়ানডে খেলা শুরু করেন ২০০১ সালের ২৩ নভেম্বর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত ১৭১টি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। এর মধ্যে তার সংগৃহীত উইকেট সংখ্যা ২৩০টি এবং ব্যাট হাতে ১ হাজার ৫৫৭ রান করেন তিনি।

সাকিব আল হাসান

বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ১৯৮৭ সালের ২৪ মার্চ মাগুরায় জন্মগ্রহণ করেন। টাইগারদের হয়ে তিনি ওয়ানডে খেলা শুরু করেন ২০০৬ সালের আগস্টে। এখন পর্যন্ত দেশের হয়ে ১৭৩টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন এ তারকা। এর মধ্যে ৬টি শতক ও ৩৪টি অর্ধশতকের সাহায্যে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৪ হাজার ৮১৫ রান। বল হাতে তার উইকেট আছে ২২৪টি।

তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল ১৯৮৯ সালের ২০ মার্চ চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাঁহাতি এ ব্যাটসম্যানের দেশের হয়ে ওয়ানডে অভিষেক ঘটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, ২০০৭ সালে। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ১৬২টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন তিনি। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ৮টি সেঞ্চুরি এবং ৩৬টি হাফ সেঞ্চুরিতে তার মোট রান ৫ হাজার ৪৫০।

মুশফিকুর রহিম

বাংলাদেশের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম ১৯৮৭ সালের ৯ জুন বগুড়ায় জন্ম নেন। দেশের হয়ে তার ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। টাইগারদের হয়ে এ পর্যন্ত ১৭২টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যার মধ্যে ৪টি সেঞ্চুরি ও ২৪টি হাফ সেঞ্চুরির সাহায্যে ৪ হাজার ২৩৫ রান সংগ্রহ করেন।

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৯৮৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। দেশের হয়ে ওয়ানডেতে সর্বপ্রথম তিনি মাঠে নামেন ২০০৭ সালে। এ পর্যন্ত ১৪১টি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়েছে তার। এর মধ্যে ২টি শতক ও ১৭টি অর্ধশতকের পাশাপাশি মোট ৩ হাজার ১৮ রান রয়েছে তার। বল হাতে তিনি নিয়েছেন ৭০ উইকেট।

ইমরুল কায়েস

বাংলাদেশি ওপেনার ইমরুল কায়েস ১৯৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মেহেরপুর জেলায় জন্ম নেন। বামহাতি এ ব্যাটসম্যান ওয়ানডে খেলা শুরু করেন ২০০৮ সালে। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ৬৫ ম্যাচ খেলে ২টি শতক ও ১৩টি অর্ধশতকের সাহায্যে ১ হাজার ৮৭৩ রান করেন।

রুবেল হোসেন

টাইগারদের পেস আক্রমণের অন্যতম সদস্য রুবেল হোসেন ১৯৯০ সালের ১ জানুয়ারি বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন। দেশের হয়ে তার ওয়ানডে অভিষেক ঘটে ২০০৯ সালে। এরপর থেকে মোট ৭৩ ম্যাচে দেশের হয়ে বল করার সুযোগ পেয়েছেন এ তারকা। আর সব মিলিয়ে তিনি তুলে নিয়েছেন ৯১টি উইকেট।

সৌম্য সরকার

বাংলাদেশের ওপেনার সৌম্য সরকার ১৯৯৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরায় জন্ম নেন। তার ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০১৪ সালে। সেই থেকে ২৭ ম্যাচ খেলে ১টি সেঞ্চুরি ও ৬টি হাফ সেঞ্চুরির সাহায্যে ৯২৫ রান করেন এ তারকা।

শফিউল ইসলাম

শফিউল ইসলাম ১৯৮৯ সালের ৬ অক্টোবর বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশের হয়ে ওয়ানডেতে প্রথম বোলিং করার সুযোগ পান ২০১০ সালে। সেই থেকে ৫৬ ম্যাচ খেলে ৬৩ উইকেট পান এ পেস বোলার।

সাব্বির রহমান

বাংলাদেশের সবচেয়ে আগ্রাসী ব্যাটসম্যান সাব্বির রহমান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৯১ সালের ২২ নভেম্বর। ২০১৪ সালে দেশের হয়ে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামেন তিনি। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৯ ম্যাচ খেলে ৫টি হাফ সেঞ্চুরির সাহায্যে ৮৫১ রান সংগ্রহ করেন সাব্বির।

তাসকিন আহমেদ

বাংলাদেশের অন্যতম পেস বোলার তাসকিন আহমেদ ১৯৯৫ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। দেশের হয়ে তার ওয়ানডে অভিষেক ঘটে ২০১৪ সালে। এরপর সব মিলিয়ে ২৭টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান এ গতি তারকা। এই ম্যাচগুলো থেকে ৪১ উইকেট নিজের করে নিতে সমর্থ হন তিনি।

মোস্তাফিজুর রহমান

একেবারে অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশি পেস বোলার হিসেবে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করা একমাত্র বোলার হলেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১৯৯৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরায় জন্ম নেয়া এ তারকা দেশের হয়ে এ পর্যন্ত ১৮টি ম্যাচ খেলেন। এর মধ্যে তিনি তুলে নিয়েছেন ৪৩টি উইকেট। তার ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০১৫ সালের ১৮ জুন ভারতের বিপক্ষে।

মোসাদ্দেক হোসেন

মোসাদ্দেক হোসেন ১৯৯৫ সালের ১০ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন। দেশের হয়ে তিনি ওয়ানডে খেলা শুরু করেন গত বছর। এখন পর্যন্ত ১৫টি ম্যাচ খেলে একটি অর্ধশতকের সাহায্যে ২৬৪ রান করেন। এর মধ্যে তিনি ১৪টি ম্যাচে বল করে উইকেট নিয়েছেন ৭টি।

মেহেদী হাসান মিরাজ

বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ ১৯৯৭ সালের ২৫ অক্টোবর খুলনায় জন্মগ্রহণ করেন। দেশের হয়ে তিনি প্রথম ওয়ানডে খেলার সুযোগ পান গত মার্চে। এখন পর্যন্ত তিনি ৫টি ওয়ানডে খেলেছেন। এর মধ্যে ২৮.৫০ গড়ে সংগ্রহ করেন ৫৭ রান। এ ছাড়া ৪টি ম্যাচে বল করে তিনি তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট।

সানজামুল ইসলাম

সানজামুল ইসলাম ১৯৯০ সালের ১৭ জানুয়ারি রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন। জাতীয় দলের হয়ে কেবল একটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। সে ম্যাচে ৫ ওভার বল করে ২২ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফিকশ্চার

তারিখ দল ভেন্যু সময়

১ জুন বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড কেনিংটন ওভাল, লন্ডন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

২ জুন অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড এজবাস্টন বার্মিংহাম বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

৩ জুন শ্রীলঙ্কা-দক্ষিণ আফ্রিকা কেনিংটন ওভাল, লন্ডন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

৪ জুন ভারত-পাকিস্তান এজবাস্টন বার্মিংহাম বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

৫ জুন বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া কেনিংটন ওভাল, লন্ডন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট

৬ জুন ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড সোফিয়া গার্ডেন্স, কার্ডিফ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

৭ জুন পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা এজবাস্টন, বার্মিংহাম সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট

৮ জুন ভারত-শ্রীলঙ্কা কেনিংটন ওভাল, লন্ডন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

৯ জুন বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সোফিয়া গার্ডেন্স, কার্ডিফ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

১০ জুন ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া এজবাস্টন, বার্মিংহাম বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

১১ জুন ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা কেনিংটন ওভাল, লন্ডন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

১২ জুন শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান সোফিয়া গার্ডেন্স, কার্ডিফ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

১৪ জুন সেমিফাইনাল-১ সোফিয়া গার্ডেন্স, কার্ডিফ বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

১৫ জুন সেমিফাইনাল-২ এজবাস্টন, বার্মিংহাম বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

১৮ জুন ফাইনাল কেনিংটন ওভাল, লন্ডন বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি-২০১৭'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj