টুকি-টাকি

শনিবার, ৬ মে ২০১৭

নারী-পুরুষে সমতা চান মধ্যপ্রাচ্যের এক-চতুর্থাংশ পুরুষ

কাগজ ডেস্ক : আরব এলাকাগুলোর অন্তত এক-চতুর্থাংশ পুরুষ কিছু বিষয়ে নারী-পুরুষের সমতার পক্ষে মত দিয়েছেন। কিন্তু বাকি অধিকাংশ পুরুষ মনে করেন, প্রাথমিক ভূমিকা রাখার ক্ষেত্রে একজন নারীর ঘরকেই প্রাধান্য দেয়া উচিত। সম্প্রতি এক জরিপে এমন চিত্র ফুটে উঠেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

মিসর, লেবানন, মরক্কো ও ফিলিস্তিনি অঞ্চলগুলোতে নেয়া পুরুষদের সাক্ষাৎকারে দেখা গেছে, তরুণরা তাদের বয়স্ক পিতাদের মতোই রক্ষণশীল। তবে এসব অঞ্চলের পুরুষরা জানিয়েছেন, বাড়ির সবকিছুর যোগানদাতা হিসেবে তারা ‘অতিরিক্ত চাপের মুখে’ আছেন। বিশেষ করে যুদ্ধ কবলিত এলাকাগুলোতে বিষয়টি সত্যি বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে।

এসব এলাকার ২০ থেকে ৫০ বছর বয়সী ১০ হাজার পুরুষের ওপর করা জরিপে অধিকাংশ জানিয়েছেন, কর্মহীনতা ও অর্থের অভাবে নিজ পরিবারের মুখোমুখি হতে লজ্জা পান তারা।

দ্য ইন্টারন্যাশনাল মেন এন্ড জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি স্টাডি ইন দ্য মিডল ইস্ট এন্ড নর্থ আফ্রিকার (আইএমএজিইএস এমইএনএ) এই জরিপে দেখা গেছে, এসব এলাকার অধিকাংশ পুরুষ (কোনো কোনো এলাকায় ৯০ শতাংশ) তাদের স্ত্রীদের স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করার প্রত্যাশা রাখেন। এসবের মধ্যে স্ত্রীরা কী কাপড় পরবেন তা থেকে শুরু করে তাদের যৌনজীবনও অন্তর্ভুক্ত।

মাত্র অর্ধেক বা তারও কিছু কম পুরুষ মনে করেন, বিবাহিত নারীদেরও পুরুষদের মতো কাজ করার সমান অধিকার আছে। তবে সব জায়গার অধিকাংশ পুরুষই আশা করেন, তাদের স্ত্রীদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও তাদের মতো নারী হবে।

দেখা গেছে, পুরুষরা কর্মজীবী নারীদের তখনই মেনে নিতে প্রস্তুত আছেন যখন তিনি সংসারের প্রধান উপার্জনকারী হিসেবে আছেন এবং তার স্ত্রী ঘরের দায়দায়িত্বকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সী চার হাজার ৮৩০ জন পুরুষের মধ্যে করা এক জরিপে দেখা গেছে, এদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশ বা তারও কিছু বেশি পুরুষ কিছু ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

ক্যামেরাবন্দি মৃত্যুমুহূর্ত

কাগজ ডেস্ক : আফগানিস্তানে এক বিস্ফোরণে নিহত হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করে গেছেন যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর একজন আলোকচিত্রী।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৩ সালের ২ জুলাই প্রশিক্ষণের সময় একটি মর্টার শেল বিস্ফোরিত হলে ২২ বছর বয়সী আলোকচিত্রী হিলডা ক্লেটন এবং চার আফগান সৈনিক নিহত হন।

লাগমান প্রদেশে ওই দুর্ঘটনার মুহূর্তটি ক্লেটনের ক্যামেরায় ধরা পড়ে, যা এতদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারি রিভিউ ম্যাগাজিনে প্রকাশ করা হয়েছে।

যে আফগান সৈনিককে হিলডা ক্লেটন প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন, তার ক্যামেরার একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেই আফগানও বিস্ফোরণে নিহত হন।

বিবিসি জানিয়েছে, জার্জিয়া রাজ্যের মেয়ে ক্লেটন ছিলেন সেনাবাহিনীর ভিজুয়াল ইনফরমেশন স্পেশালিস্ট। তার পরিবারের অনুমতি নিয়েই ওই ছবি প্রকাশ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর একটি আলোকচিত্র পুরস্কার চালু করেছে হিলডা ক্লেটনের নামে।

টেলিভিশন বিতর্কে সব বিষয়ে লি পেন-ম্যাক্রোঁর বিপরীতমুখী অবস্থান

কাগজ ডেস্ক : ফ্রান্সের আসন্ন দ্বিতীয় দফার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী অ্যান মার্চ! আন্দোলনের নেতা ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টি নেতা ম্যারিন লি পেন বুধবার রাতে এক টেলিভিশন বিতর্কে অংশ নেন। এ বিতর্কে তারা সব বিষয়েই বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছেন। খবর বার্তা সংস্থা তাসের।

বিতর্কের শুরুতেই লি পেন বলেন, ফ্রান্সের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ নির্বাচিত হলে দেশে সামাজিক সংঘাত বেধে যাবে। তিনি বিদেশিদের কাছে ফ্রান্সকে টুকরো টুকরো করে বেচে দেবেন।

দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থীই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। তারা এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ইউরো জোনের কথা উল্লেখ করেন।

লি পেন বলেন, আমাদের দেশীয় মুদ্রা ফ্রাঁতে ফিরে যাওয়া প্রয়োজন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ইউরো জোন থেকে ফ্রান্সের বেরিয়ে আসার এবং দেশে ফ্রাঁর ব্যবহার পুনরায় চালু করার বিষয়ে আমি পদক্ষেপ নেব। এ ক্ষেত্রে ইউরো আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

অপর দিকে ম্যাক্রোঁ বলেন, ইউরো ফ্রান্সের জনগণ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এ ক্ষেত্রে তার মত হচ্ছে, কোম্পানিগুলো তাদের প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেনে ফ্রাঁ ব্যবহার করতে পারবে না এবং বৈদেশিক লেনদেনের মাধ্যম হবে ইউরো।

সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের বিষয়ে কথা বলার সময় ন্যাশনাল ফ্রন্ট নেতা বলেন, ফ্রান্সের মোকাবেলা করা প্রধান হুমকিগুলোর অন্যতম হলো সন্ত্রাসবাদ।

লি পেন আরো বলেন, আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি দ্রুত এই সমস্যা

মোকাবেলা করবেন।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj