বইমেলা একটা সুন্দর ছন্দ খুঁজে পেয়েছে : মনিরুল ইসলাম

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

কাগজ প্রতিবেদক : বইমেলায় এলে কার না ভালো লাগে। আগে বইমেলা ছিল শুধুমাত্র বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। এখন বইমেলা বড় হচ্ছে। বড় হওয়ার সঙ্গে এর বদলও হচ্ছে। মেলা দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। খুব ভালো লাগছে। স্টল বিন্যাস, সাজানো, স্টলগুলোর ডিজাইন সবকিছু মিলিয়ে বইমেলা একটা সুন্দর ছন্দ খুঁজে পেয়েছে। ধুলা, ভিড় এসব আর নেই। ফেব্রুয়ারিতে এত উৎসব, এত অনুষ্ঠান; তার পরও বইমেলা কখনো প্রাণহীন হয় না। বরং মানুষের অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। প্রকাশকের সংখ্যাও বাড়ছে। লেখকের সংখ্যাও বাড়ছে। বই এমন এক জিনিস যা অনেকটা খাদ্যের মতো। যার পড়বার খিদে রয়েছে, সে বই না পড়ে থাকতে পারবে না। তাই বইয়ের আবেদন কোনোদিনও কমবে না।

বইমেলা প্রসঙ্গে ভোরের কাগজের এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী শিল্পী মনিরুল ইসলাম এভাবেই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন। বিশিষ্ট এই শিল্পী আরো বলেন, শুধু মেলা নয়, বইয়ের প্রকাশনাও মানসম্পন্ন হচ্ছে। বইয়ের প্রচ্ছদে প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে। তবে হাতে আঁকা প্রচ্ছদের যে নান্দনিকতা রয়েছে সেটা প্রযুক্তির ছোঁয়ায় যেসব প্রচ্ছদ আসছে তাতে ফুটে উঠতে দেখছি না। হাতে আঁকা প্রচ্ছদের মাঝে একটা দরদ ছিল। সেটা এখানে দেখা যাচ্ছে না। এটা প্রযুক্তির দোষ না। প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে যারা প্রচ্ছদ করছেন তাদের বুঝতে হবে, প্রযুক্তির স্পর্শে মেকানিক্যাল হলে চলবে না। ডিজিটাল ইমেজের যে নান্দনিকতা সেটাকে স্পর্শ করতে হবে, সেই স্বাতন্ত্র্য ফুটিয়ে তুলতে পারলে প্রচ্ছদের আবেদন ফুটবে। প্রচ্ছদ একটা শিল্পকর্ম। এটাকে বুক কভার বলে হেলা করা চলবে না।

বইমেলার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিশিষ্ট এই শিল্পী আরো বলেন, এত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পর কোনো শঙ্কা থাকতে পারে না। মনিরুল ইসলাম স্পেনের রানী ইসাবেলার ‘ক্রস অব দি অর্ডার’ চিত্রকলায় অবদানের জন্য স্পেনের জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন ১৯৯৭ সালে। সম্মানিত হয়েছেন বাংলাদেশেও, ১৯৯৯ সালে পেয়েছেন একুশে পদক।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj