প্রতিক্রিয়া

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৬

ইয়াসমিন আক্তার ঝুমা : বাচ্চা এবং বয়স্কদের চলার উপযোগী

কাগজ প্রতিবেদক : রাজধানীর ধূপখোলা থেকে মেলায় এসেছেন ইয়াসমিন আক্তার ঝুমা। কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। মেলা নিয়ে ভোরের কাগজকে বলেন, মেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো। বাইরের ফুটপাতও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। মেলার গণ্ডির ভেতরে কোনো যান চলাচল নেই। এককথায় বাচ্চা এবং বয়স্কদের চলাচলের উপযোগী। আবার ভেতরে অনায়াসেই চলে এসেছি। ভেতরের খোলামেলা পরিবেশও অনেক ভালো। আমি প্রতিবছরই মেলায় আসি। সঙ্গে ছোট বোন-বাচ্চাদের নিয়ে এসেছি। ওদের পছন্দের বই কিনে দেব। আমি নিজেও কিছু পছন্দের বই কিনবো।

সঙ্গি মারিয়া : প্রথমবার মেলায় এসেছি

কাগজ প্রতিবেদক : সঙ্গি মারিয়া। এসও এসহারমান মেইনর স্কুল এন্ড কলেজের ১ম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুল থেকে সবার সঙ্গে মেলা দেখতে এসেছেন। ভোরের কাগজকে বলে, প্রথমবার মেলায় এসেছি। অনেক মজা লাগছে। অনেক বইয়ের মেলা। বই আর বই। ভূতের গল্প আমার অনেক পছন্দ। অনেকগুলো ভূতের বই কিনব। আরো সব মজার মজার গল্পের বই কিনব। সবার সঙ্গে মজা করছি। ঘুরে বেরাচ্ছি, এসব কিছুই ভালো লাগছে।

ডা. রশিদুল হক : মেলার প্রাণকেন্দ্র কোনটা- খুঁজে পাচ্ছি না

কাগজ প্রতিবেদক : ঢাকা মেডিকেলের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রশিদুল হক। মেলায় এসেছেন ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে। ভোরের কাগজকে বলেন, আমি একজন চিকিৎসক। ছাত্রাবস্থায় নিয়মিত আসলেও এখন আর তেমন আসা হয় না। আমার ছেলেকে নিয়ে এসেছি মেলা ঘুরে দেখাতে। সে সঙ্গে ওকে বেশকিছু বইও কিনে দিয়েছি।

আমার কাছে মনে হয় মেলা দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে। মেলার প্রাণকেন্দ্র আসলে কোনটা সেটাই খুঁজে পাচ্ছি না। আগে ঢুকেই বাচ্চাদের স্টল পাওয়া যেত। এখন বাংলা একাডেমিতে আসলাম। তেমন স্টল খুঁজে পেলাম না। সুতরাং ওপারে যেতে হবে। এটা ঝামেলাপূর্ণ বিষয়।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj