ট্যাক্সি ড্রাইভার : শারমিন মুস্তারী

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০১৫

দুপুুর শেষের রোদ শহরের বড় বড় দালানকোঠার মাথায় ঝিমিয়ে পড়েছে।

গাড়ি চলছে।

বাইরে তাকিয়ে দেখতে দেখতে উন্মনা হয়ে গেল সায়মা।

ব্যস্ত নগরী। কত মানুষ। কত রকমের মানুষ। কত তাদের চেহারা। হাঁটার ভঙ্গি। মুখের অভিব্যক্তি। নিরীহ, পোড় খাওয়া, সংগ্রামী, সুখী সুখী …। বাণিজ্যিক নগরী। পেশাগত কারণে অনেক মানুষ এখন এই শহরে। তাদেরকে সেবা প্রদানের জন্য গড়ে উঠেছে সেবামূলক নানা প্রতিষ্ঠান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। আর একদল আসছে সেখানে। পূর্বাপর সকলের প্রয়োজনে আসছে অপরদল- নিম্নবিত্ত, বিত্তহীন, ছিন্নমূল, সর্বহারার দল…।

সম্বিৎ ফেরে।

জুবিলী রোডের দু’পাশের দোকানপাট দ্রুত সরে সরে যাচ্ছে। গাড়ি চলছে। বিকেলের ¤øান আলো মুখথুবড়ে পড়ে আছে রাস্তায়, দোকানপাট আর গাছপালার মাথায়।

গাড়ি জুবিলী রোড, স্টেডিয়াম ফেলে ভিআইপি টাওয়ারের সামনে এখন।

আমার আফুকে উড়াই নিয়ে যাব!

সায়মা একটা ধাক্কা খেল। বলে কি লোকটা!

তাৎক্ষণিকভাবে পেটের ভেতরটা মোচড় দিয়ে ওঠে। বুকের ভেতরও গুড়গুড় গুড়গুড় শব্দ…।

অবশ্য মুহ‚র্তেই সামলে নিল। মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে চাইলো লোকটার কথা। ধ্যাৎ কোনো মানে আছে! এই জাতীয় লোকদের সব কথা শোনার কোনো অর্থ হয় না। গুরুত্ব দেবার তো প্রশ্নই আসে না। ড্রাইভার, দারোয়ান, এদের সামনে সব সময় সাহস দেখাতে হয়। সাহস না থাকলেও সাহসের ভান করতে হয়। ভয় পেলেই সর্বনাশ।

সায়মা কোনো কথা বলল না।

এমনিতে চুপচাপ স্বভাবের সে। এখন মুখটাকে আরো কঠিন আর গম্ভীর করে আগাগোড়া ¤øান হয়ে রইল।

রাস্তায় জ্যাম। গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।

গাড়ির দরজা দিয়ে দুপাশে তাকালো সায়মা। বাঁয়ে জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ। ডানদিকে আলমাস সিনেমা হল।

সিএনজির দরজায় মুখ বাড়িয়ে সিনেমার বিলবোর্ড দেখতে লাগল। হলের নতুন ছবি সম্ভবত। নায়ক-নায়িকা দু’জনেই নতুন। সায়মার কাছে তাই মনে হলো। নতুন মুখ। অবশ্য বাংলা সিনেমার খোঁজখবর সে খুব একটা জানে না। তবে বাংলা সিনেমায় একটা পরিবর্তন ঘটেছে। পরিবর্তনটা বেশ বোঝা যাচ্ছে। টিভি স্ক্রিনে দেখেছে, পত্রিকা, ম্যাগাজিনেও। এখানে বিলবোর্ডেও দেখলো- ছিমছাম ফিগার। কসটিউমও চমৎকার। আবজাব না। সুন্দর, স্মার্ট। এতদিন ধরে দেখে আসা বাংলা সিনেমার নায়িকাদের থলথলে চর্বি, রঙচঙ্গা পোশাক, উগ্র মেকআপ- কোনোটাই এখানে নেই। ন্যাচারাল লুক। সবকিছু অনেক চেঞ্জ। সবকিছু অনেক ডিজিটালাইজড।

গাড়ি চলতে শুরু করেছে। কিছুদূর এসে আবারো একটা হালকা ধাক্কা।

ওয়াসার মোড়ে জ্যাম।

রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। পানির লাইনের কাজ করছে। এই খোঁড়াখুঁড়ির বিষয়টা মাথায় ছিল না। থাকা উচিত ছিল। তাহলে জ্যামটা এভয়েড করা যেত।

ঠিক সময়ে ঠিক জিনিসটা মাথায় আসে না অনেক সময়। এটাই আফসোস।

কিন্তু ড্রাইভারের তো ব্যাপারটা জানার কথা ছিল। সে তো রাস্তায় থাকে। রাস্তার খোঁজখবর তার জানা থাকা দরকার। কিন্তু সে ঠিকই তাকে এ পথে নিয়ে আসলো। শুধু কথার ফরফরানি। কোনো কাজের না।

আফু সরি

সপ্রশ্ন দৃষ্টি নিয়ে তাকায় সায়মা।

ড্রাইভার দাঁত কেলিয়ে তাকিয়ে আছে তার দিকে।

সায়মা মুখ ঘুরিয়ে অন্যদিকে তাকায়।

আগে জানলে আমার আফুরে অন্যদিক দিয়া উড়াই লই যাইতাম।

সরি আফু।

রাগে সায়মার সারা শরীর রি রি করতে থাকে। এত্ত সাহস। হারামজাদা, বদ। তার সঙ্গে ইয়ার্কিমারা কথাবার্তা! সে কি ড্রাইভারের বান্ধবী লাগে? যত্তসব!

মুখে অবশ্য কিছু বলল না। চুপ করে রইল। চোখ বন্ধ করে রাগটাকে নিয়ন্ত্রণ করলো। কিছু বললেই সমস্যা। লাই পাবে। কথা বলার আরও সুযোগ পাবে। যা দেখা যাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে গল্প শুরু করবে। তারপর গল্পের ডালপালা গজাবে। গল্পের শাখা-প্রশাখা বের হবে। কাজে বাক্য ব্যয় না করে চুপ থাকাটাই ভালো। চুপ করে থাকলে ড্রাইভার কথা বলে আরাম পাবে না। তারপর একসময় থেমে যাবে।

সায়মা এবারো কিছু বলল না।

সিএনজির গøাসে চোখ পড়তে দেখে লোকটা তার কালচে দাঁত বের করে সায়মার দিকে তাকিয়ে আছে। মুখ হাসি হাসি করে।

রাগে সায়মার আপাদমস্তক জ্বলে গেল।

অত্যন্ত বিরক্তি নিয়ে সানগøাসটা চোখে গলিয়ে সিএনজির বাইরে মুখ ফেরাল সে। ডানদিকে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। সায়মা তাকিয়ে দেখল একদল ছেলেমেয়ে সিঁড়িতে আড্ডা দিচ্ছে। বিরক্তি চেপে সায়মা সেদিকে তাকিয়ে রইল।

খুব সুন্দর, টিপটপ আর পরিপাটি বেসরকারি কিশ্ববিদ্যালয়ে পড়–য়া ছেলেমেয়েরা। মেয়েদের গাঢ় লিপস্টিক, স্ট্রেইট চুল আর পুরু ফাউন্ডেশনে প্রাচুর্যের ইঙ্গিত। ছেলেগুলোও কম যায় না। খাটো ফিটিং শার্ট, ন্যাড়ো জিনস, নতুন সব হেয়ার স্টাইল। একদল ছেলেমেয়ে গল্প করছে সিঁড়ির কাছে। একটি মেয়েকে দেখা গেল একটি ছেলের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে আছে।

যতই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অত্যাধুনিক ক্লাসরুমে ওরা ক্লাস করুক। তবুও এদের জন্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী) মায়া না হয়ে যায় না। এই বয়সী ছেলেমেয়েরা ঘুরবে, আড্ডা দেবে, হৈ চৈ করবে, গানবাজনা করবে, সংগঠন করবে। কিন্তু সে অবারিত প্রান্তর কোথায় এদের? মনের সুখে যে একটু প্রেম করবে সে সুযোগটুকুও এদের নেই। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অবারিত খোলা প্রান্তর, গাছতলা, ঝোপঝাড়…. কোনোটাই তো নেই এখানে।

এদের অবসর বিনোদনের একটা বড় অংশ ব্যয় হয় রেস্তোরাঁ আর নেট ব্রাউজ করে।

বেচারারা!!

আফু কি এস্টাডিতে আছেন?

এবার ফিরে তাকাল সায়মা। ট্যাক্সি ড্রাইভার। হাসি হাসি মুখ। তাকিয়ে আছে তার দিকে।

রাগের চোটে কথা বলতে পারল না সায়মা।

এত স্পর্ধা! আলাপ জমানোর চেষ্টা তার সঙ্গে। স্টাডিতে আছি কিনা প্রশ্ন করছে। এর পরেই হয়তো প্রশ্ন করবে বিয়ে করেছি কিনা। তারপর হয়তো জানতে চাইবে ‘বয়ফ্রেন্ড’ আছে কিনা। ভাবভঙ্গি যা দেখা যাচ্ছে, জিজ্ঞেস করতেও পারে। আচ্ছা উপদ্রব হলো- সায়মা মনে মনে ভাবে। মুখে অবশ্য বিছু বলল না। নির্বিকার হয়ে রইল না শোনার ভান করে।

সানগøাসের পেছন থেকে লোকটার হাসিমুখ দেখল সে।

ঝট করে মুখটা সরিয়ে নিয়ে বাইরে তাকালো।

চকিতে শাপলা আপার কথা মনে পড়ে গেল। শাপলা আপা সায়মার ডিপার্টমেন্টর সিনিয়র। খুবই হাসিখুশি প্রাণবন্ত, চটপটে আর স্মার্ট। সবকিছু দারুণ হ্যান্ডেল করতে পারে। সিনিয়র হলেও সায়মার সঙ্গে বেশ ভালো খাতির। শাপলা আপাকে দেখে কোনো সমস্যাকে সমস্যা মনে করে না।

চট করে শাপলা আপার একটা কথা মনে পড়ে গেল। একা একা চলতে গেলে অনেক কিছুই ফেস করা লগে। একা চলতে গিয়ে যখনই পুরুষের মধ্যে ‘ইল মোটিভ’ দেখবি, একদমই ঘাবড়াবি না। খবরদার ভয় পাবি না। ভয় লাগলেও না। ভয় লাগলেও সাহসের ভান করবি। সবচেয়ে ভালো হয় যে তোকে ডিসটার্ব করবে তার সঙ্গে গল্প করা শুরু করবি। পরিস্থিতি সহজ হয়ে যাবে। গল্প জমে উঠলে লোকটার মনে কোনো খারাপ মতলব থাকলেও তা ভুলে যাবে।

তাই কি?

গল্প শুরু করবে লোকটার সঙ্গে?

লোকটার মনে কোনো বদ মতলব থাকলে সেটা মাথা থেকে চলে যাবে তার?

মেঘ কেটে যাবে?

সত্যি কি তাই?

হ্যাঁ তাইতো সায়মাও তো এমনই পড়েছিল।

নিজেকে গুটিয়ে না রেখে প্রকাশ করা প্রয়েজন। চাপ কমে যায়। উৎকণ্ঠা লাঘব হয়। হাসি দিয়ে, কথা দিয়ে জয় করা যায় অনেক কিছু। নেতিবাচককে পরিণত করা যায় ইতিবাচকে। শত্রুকে বন্ধুতে পরিণত করা যায়।

ট্যাক্সি ড্রইভার আবারো বলল-

আফু কি ইস্টুডেন?

সায়মা এবার মাথা নাড়ল…. হু।

কোন কলেজে আছেন?

আমি এমফিল স্টুডেন্ট।

ট্যাক্সি ড্রাইভার কি বুঝল কে জানে। দাঁত কেলিয়ে আর এক দফা হাসল। রাস্তায় প্রচণ্ড জ্যাম। ট্যাক্সির স্টার্ট বন্ধ করে বসে আছে ড্রাইভার।

রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির দিকে ইঙ্গিত করে এবার সে বলল- এই দেশে কিছু হবে না আফু। এখানে কেউ করো কথা শোনে না।

সায়মা অবাক হয়ে তাকালো। অতি সত্য কথা। কিছুদিন আগে একটা সংবাদ বেরিয়েছে খবরের কাগজে। পানির লাইনের কাজে সিটি কর্পোরেশন ও ওয়াসার মধ্যে ব্যাপক সমন্বয়হীনতার বিষয়টি নিয়ে। এ দেশে কোথাও সমন্বয় নেই। সহনশীলতা নেই। সবাই যে যার মতো করে চলে। যে যার সুবিধামতো কাজ করে।

সায়মা অবাক হয়। খেটেখাওয়া মানুষগুলো এখন অনেক রাজনীতি সচেতন। অনেক খোঁজখবর রাখে তারা।

ঘড়িতে সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা। বিকেলটা এরই মধ্যে টুপ করে লুকিয়ে পড়েছে সন্ধ্যার আড়ালে।

গাড়ি চলতে শুরু করেছে।

ওয়াসা, পুলিশলাইন ফেলে গাড়ি জিইসি এসে পৌঁছায়। আবারো জ্যাম।

এবার সিগন্যাল।

চট্টগ্রাম এখন অসম্ভব ব্যস্ত নগরী। মানুষ, গাড়ি, মার্কেট, সুপারশপ, খাবারের দোকান পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। সে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ফকিরের সংখ্যাও। ছোট, মাঝবয়সী, বৃদ্ধ…।

মাঝবয়সী একজন ফকির সিএনজির দরজায় হাত বাড়িয়ে আছে। অন্য হাতটি নেই। কনুই থেকে বিচ্ছিন্ন। ভাঙাচোরা চেহারা। চোখ গর্তে ঢোকা। অথচ সেই চোখে কোনো অভিব্যক্তি নেই। ভিক্ষা করছে। অথচ সে চোখে কোনো অসহায়তা নেই। ছুরির ফলার মতো ধারালো হিংস্র, ভয়ঙ্কর চোখজোড়া। হঠাৎ চোখ পড়লে আঁতকে উঠতে হয়।

ধুর চুলোয় যাক! এত কেন ভাবছে সে একটা ফকিরকে নিয়ে।

সায়মা ঝট করে ব্যাগের সাইড পকেট থেকে পাঁচ টাকার একটা নোট বের করে লোকটির হাতে দিল।

আফু কি বাড়ি বানছেন?

মানে কি?

এখানে কি (চট্টগ্রাম শহরে) বাড়ি বানছেন?

না বান্ধি নাই। বাড়ি বান্ধার মতো এত টাকা আমাদের নেই। আপনি বানছেন?

জি আফু। আমি বাড়ি বানছি। বোয়ালখালী। আর এই যে সিএনজি দেখতেছেন- এটাও আমার নিজের। আমরা দুইজনে মিলে শেয়ারে এটা কিনছি।

মাশাল্লাহ্। এত খুব ভালো খবর। আপনি তো দেখি বিরাট ধনীলোক।

লোকটা দাঁত বের করে আবারো বিগলিত হাসল।

ট্যাক্সি ড্রাইভার সম্পর্কে একটা ভুল তথ্য দেওয়া হলো মনে হয়। লোকটার বয়স আনুমানিক ২৬/২৭ বছর। এই বয়সী একজনকে কি লোক বলা যায়? মনে হয় না। অবশ্য অনেক কম বয়সী মানুষের চেহারার মধ্যেও লোক লোক ব্যাপার থাকতে পারে। এর মধ্যে সেটা নেই। বরং উল্টো। একটা সারল্য আছে ছেলেটার মধ্যে।

এই প্রথম সায়মা তার আত্মমর্যাদাবোধ ঝেড়ে ফেলল।

সায়মার মনে হলো ছেলেটা সত্যি অনেক সরল। কোনো বদ মতলব তার মধ্যে নেই। সরল মনে সে কথা বলে চলেছে। কঠিন জীবন বাস্তবতা তার তারুন্যের উচ্ছ¡াসটুকু কেড়ে নিতে পারেনি। প্রায় সমবয়সী একজনকে পেয়ে তার স্বভাবসুলভ সহজ সারল্য নিয়ে সে কথা বলেছে, গল্প করেছে। কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে নয়।

সিএনজি ড্রাইভারের আচরণ প্রথমবারের মতো নির্দোষ মনে হলো সায়মার।

আফু কি মাইন্ড করতেছেন?

কেন ভাই?

আপনার কি ডিসটাব হইতেছে?

হুমম…. না ডিসটাব হচ্ছে না।

না অনেকে মাইন্ড করে তো! আমরা গরিব ড্রাইভার। কথা বললে অনেকে মাইন্ড করে।

ড্রাইভার ছেলেটার চেহারায় কালো মেঘের ছায়া।

এবার সায়মা কথা বলল- না মাইন্ড করিনি। তবে গাড়ি চালানোর সময় কথা বলা ঠিক না। মনোযোগ নষ্ট হয়। এতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। গাড়ি চলা অবস্থায় মনোযোগ দিয়ে গাড়ি চালানো উচিত।

আফু কোনো চিন্তা করবেন না। আমার আফুরে প্লেনের মতো উড়াই নিয়া যাব।

সায়মা নড়েচড়ে বসে।

উড়াই নিয়ে যাবার প্রয়োজন নেই। যেভাবে যাচ্ছেন সেভাবে যান। শুধু মনোযোগ দিয়ে গাড়িটা চালান।

আবারো সেই হাসি।

অবিশ্যই আফু।

মিনিট দশেকের মধ্যে হাউজিংয়ের ভেতর ঢুকে পড়ল তারা। গলির মুখে সিএনজি থামালো সায়মা। গলিশেষে প্রকাণ্ড চারতলা বাড়িটা দৈত্যের মতো দাঁড়িয়ে আছে।

ভাড়া মিটিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিতেই ড্রাইভার বলল- আমি এই এলাকায় থাকি। দরকার হলে ডাকবেন আফু।

আমার আফুরে আমি তুলে নিয়ে যাব।

সায়মা কিছু বলল না। দ্রুতপদে গলির ভেতর প্রবেশ করল।

ট্যাক্সি ড্রাইভার একগাল হেসে পিচঢালা গলিটা পার হতে হতে বড় রাস্তার বাঁকে হারিয়ে গেল। হ

'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj