টুকি-টাকি

শনিবার, ১১ জুলাই ২০১৫

বাঘ-মানুষের কুস্তি !

কাগজ ডেস্ক : বাঘ ও মানুষের কুস্তি হলে কে জিতবে? উত্তর আসবে- অবশ্যই বাঘ। কিন্তু মানুষের উপকথায় কিন্তু প্রতিপক্ষ হিসেবে সব সময় নাস্তানাবুদ হয়ে এসেছে বাঘ। বাঘের একতরফা শৌর্যের গল্প মানুষের খুব একটা পছন্দ নয়।

শারীরিক ক্ষমতায় বাঘের তুলনায় মানুষ দুর্বল হলেও বাস্তবে অনেক সময় তাকে পরাস্ত হতে দেখা যায় মানুষের কাছে। মানুষের কৌশল, সাহস আর ইচ্ছে শক্তির কাছে পদানত পৃথিবীর সব হিংস্র প্রাণী।

এ রকমই একটি চিত্র দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা রাজ্যের প্যালাটকায়, বন্যপ্রাণীর একটি অভয়ারণ্যে। অভয়ারণ্যটিতে বন্যপ্রাণীদের রক্ষণাবেক্ষণের ভার ছিল লাকিলি কার্ল নামে এক অভয়ারণ্য কর্মীর ওপর। একদিন খাবার দেয়ার জন্য ভেতরে ঢুকলে অভয়ারণ্যটির চতুর পুরুষ বাঘ সিম্পসন ঝাঁপিয়ে পড়ে কার্লের ওপর। এ সময় সামান্য খাবারের টোপ বাঁধা লাঠি নিয়েই প্রতিরোধ গড়ে তোলে কার্ল।

কুস্তি লড়ার একপর্যায়ে সাইবেরিয়ান প্রজাতির বেয়ারা বাঘটিকে পরাস্ত করে সুদক্ষ কার্ল। বাঘটি তার আবাসে ফিরে যায়। এ লড়াইয়ে মোটামুটি অক্ষতই ছিল কার্ল। বিরল এ দৃশ্য ধরা পড়ে এক দর্শনার্থীর ক্যামেরায়।

ভিডিওচিত্রটি ২০১৩-এর জানুয়ারিতে ধারণ করা হলেও সম্প্রতি এটি অনলাইনে প্রকাশ পাওয়ায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিপন্ন প্রাণীদের নিয়ে কাজ করে ‘সিঙ্গল ভিশন’ নামে এমন একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক প্রতিষ্ঠান ভিডিওচিত্রটি প্রকাশ করে।

স্বচ্ছ ভারতের বিজ্ঞাপন ব্যয় ৯৪ কোটি রুপি!

কাগজ ডেস্ক : ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বচ্ছ ভারত অভিযানে ইতোমধ্যেই খরচ হয়েছে ৯৪ কোটি রুপি। এক আরটিআই প্রশ্নে এমনই তথ্য উঠে এসেছে সংবাদমাধ্যমে। এ অভিযানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রণালয়ের পক্ষে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য স্বচ্ছ ভারত অভিযানে খরচ হয়েছে ২.১৫ কোটি রুপি। মুদ্রণ মাধ্যমে খরচ হয়েছে ৭০.৮০ লাখ রুপি, অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে খরচ ৪৩.৬৪ কোটি রুপি, ডিএভিপির মাধ্যমে টিভিতে বিজ্ঞাপনের খরচ ২৫.৮৮ কোটি রুপি। এ ছাড়া বাকি ১৬.৯৯ কোটি রুপি টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন ও ৫.৪২ কোটি রুপি রেডিও বিজ্ঞাপনে খরচ করা হয়েছে।

এর আগে ইউপিএ সরকারের সময় এই একই প্রকল্পের নাম ছিল ‘নির্মল ভারত অভিযান’। মোদি সরকারের আমলে তার নাম দাঁড়ায় ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’।

লখনৌর সমাজকর্মী সঞ্জয় শর্মা তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চাইলে কেন্দ্র এই তথ্য জানায়।

একই সঙ্গে বলা হয়েছে, জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পঞ্চায়েতে টাকা পৌঁছলে এই প্রকল্প অনুযায়ী পঞ্চায়েতই তা খরচ করে। মূলত ভারতের গ্রামীণ এলাকায় উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৪ সালের ২ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই

প্রকল্প চালু করেন।

মালয়েশিয়াকে টায়ার ২-তে উন্নীত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

কাগজ ডেস্ক : মালয়েশিয়াকে এক ধাপ ওপরে উঠিয়ে ‘টায়ার ২’-তে উন্নতি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে জঘন্য মানবপাচারের কেন্দ্রগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম এই অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের তালিকার নিচের দিকে ছিল দেশটি। গত বুধবার প্রকাশিত মার্কিন ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এর ফলে দক্ষিণপূর্ব এশিয়াসহ অন্য ১১টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আরো নমনীয় হবে। ‘টায়ার ২’-তে উন্নীত হওয়ার ফলে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বৈশ্বিক বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে এখন শুধু প্রয়োজন ওবামার স্বাক্ষর। গত মাসে কংগ্রেসে এ সংক্রান্ত একটি বিল পাস হয়।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj