ইসলামিক স্টেটের লক্ষ্য এবং সাফল্যের রহস্য

শনিবার, ২০ জুন ২০১৫

কাগজ ডেস্ক : ইরাক দিয়ে শুরু। তারপর সিরিয়া, তার পর? কোন দিকে এগোবে ইসলামিক স্টেট? ইরাক এবং সিরিয়ায় তাদের আপাত সাফল্যের রহস্য কী? উত্তর দুটো, এক. সাদ্দাম হোসেনের অনুগত সেনা কর্মকর্তারা, দুই. ধর্মীয় উন্মাদনা। এক বছর আগে ইসলামি খিলাফত কায়েমের লক্ষ্যের কথা বলে ইরাকে হামলা শুরু করেছিল জঙ্গি সংগঠন (আইএস)। শুরুতে অপ্রস্তুত, অগোছালো ইরাকি সেনাবাহিনী প্রায় বিনা বাধায় মোসুল ছেড়ে দিয়ে সুন্নিদের জঙ্গি সংগঠনটির অগ্রযাত্রা সহজ করে দিলেও পরে সুসংগঠিত হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। শিয়া আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আরব বিশ্ব এবং পাশ্চাত্যের কয়েকটি দেশ বিমান থেকে বোমা হামলা শুরু করে আইএসের বিরুদ্ধে। তার পরও ইরাক এবং সিরিয়ার বেশ বড় একটা অংশ দখলে নিয়েছে আইএস। রহস্যটা কী? কোথায় আইএসের মূল শক্তি?

অনেক বিশ্লেষকের পর্যবেক্ষণ বলছে, আইএসের অগ্রযাত্রার পেছনে ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের অনুগত সেনা কর্মকর্তাদের বড় একটা ভূমিকা রয়েছে। ইসলামি জিহাদবিষয়ক তাত্তি¡ক আবু মোহাম্মদ আল-মাকদিসিও তাদের একজন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেছেন, ওরা সামরিক ক্ষেত্রে সফল হচ্ছে, কারণ ওদের সঙ্গে বাথ পার্টির কর্মকর্তারা রয়েছে।

ইরাক এবং সিরিয়ায় এ মুহূর্তে কমপক্ষে ৪০ হাজার যোদ্ধা এবং ৬০ হাজার বাইরে থেকে

আসা সমর্থক রয়েছে বলে

ধারণা করা হয়।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj