অদ্ভুত বেনজির ঘটনার সাক্ষী হলো কলকাতা!

শনিবার, ১৩ জুন ২০১৫

কাগজ ডেস্ক : অদ্ভুত বেনজির এক ঘটনার সাক্ষী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী শহর কলকাতা। শহরটির শেক্সপীয়র সরণিতে একটি ফ্ল্যাটে এত দিন ছিল ভৌতিক পরিবেশ। ৬ মাস ধরে মৃত মেয়ের কঙ্কালকে আগলে রেখেছিলেন বৃদ্ধ বাবা। পোষা কুকুরের কঙ্কালও সযতেœ রাখা ছিল। গত বুধবার রাতে সেখান থেকেই উদ্ধার হলো সেই বৃদ্ধের অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ। গোটা ঘটনায় তাজ্জব পুলিশ ও পাড়া-প্রতিবেশীরা।

বুধবার রাতে শেক্সপীয়র সরণির ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে পুলিশ ও দমকলে খবর দেন প্রতিবেশীরা। পুলিশ ও দমকল কর্মীরা ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাদের নাকে আসে দুর্গন্ধ। শৌচাগারের বাথটাবে পাওয়া যায় এই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ৭৭ বছর বয়সী অরবিন্দ দে-র অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ। বেডরুমে তখন বসেছিলেন অরবিন্দ বাবুর ছেলে ৩২ বছর বয়সি পার্থ দে। আর তার পাশেই বিছানায় শায়িত ছিল মানুষের কঙ্কাল। পাশেই একটি কুকুরেরও কঙ্কাল রাখা ছিল। কঙ্কালগুলোর পাশেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল কিছু শুকনো খাবার। ঘরের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানোর সময় থমকে যান পুলিশ কর্মীরা। চারপাশে অন্য কোনো মানুষ না থাকলেও, যেই ঘরেই তারা যাচ্ছেন, কোথা থেকে যেন ভেসে আসছে ফিসফিস করে কথা বলার শব্দ। পরে দেখা যায় ওই ফ্ল্যাটের প্রতিটি ঘরে, এমনকি শৌচাগার ও রান্নাঘরেও রয়েছে লুকানো সাউন্ড সিস্টেম। সেখানে পেন ড্রাইভের মাধ্যমে এক মহিলার কিছু মন্ত্রোচ্চারণ ও গান বাজানোর ব্যবস্থা করা আছে। রীতিমতো ভৌতিক এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ওই ফ্ল্যাটের একমাত্র জীবিত সদস্য পার্থ দে-কে জেরা করে উঠে এসেছে আরো মারাত্মক তথ্য। পার্থবাবু জানিয়েছেন, গত বছর আগস্ট মাসে মৃত্যু হয় তাদের পোষা কুকুরটির।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj