কমলাপুর রেলওয়ে হাসপাতাল ৪০ থেকে ১০০ বেডে উন্নীত

শুক্রবার, ১ মে ২০১৫

কাগজ প্রতিবেদক : চল্লিশ শয্যা থেকে শিগগিরই ১০০ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে কমলাপুর রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতাল। একই সঙ্গে হাসপাতালটি রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পাশাপাশি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ে ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে কমলাপুর রেলওয়ে জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগ সেবার উদ্বোধন শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রেলপথমন্ত্রী মুজিবুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফিরোজ সালাউদ্দিন, মহাপরিচালক আমজাদ হোসেন, জিএম ও প্রকল্প পরিচালক সাগর কৃষ্ণ চক্রবর্তী, রেলমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী এস এম কিবরিয়া মজুমদার, সিনিয়র তথ্য অফিসার শরীফুল আলম প্রমুখ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, হাসপাতালটিতে রেলওয়ে কর্মচারীদের জন্য সবধরনের সুবিধা প্রদান করা হবে। তবে এখন থেকে সর্বসাধারণের জন্যও হাসপাতালটি উন্মুক্ত করা হলো। এখানে সবার জন্য সবধরনের সেবা নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, স্বাস্থ্য ও রেল মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রচেষ্টায় পর্যায়ক্রমে হাসপাতালটিতে সবধরনের সেবা নিশ্চিত করে একটি পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, সম্প্রতি সিটি নির্বাচনে প্রার্থীরা মাসব্যাপী পরিশ্রম করল আর বিএনপি নেত্রী খালেদাসহ তার নেতারা ঘরে বসে নির্বাচন বয়কট করার কথা বললেন। যে দুঃখে চট্টগ্রামের মনজুর আলম রাজনীতিই ছেড়ে দেয়ার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে কারচুপির কথা বলে তারা নির্বাচন বয়কট করেছেন। নির্বাচনে যদি কারচুপিই হবে তাহলে তাবিথের মতো একজন ছেলে তিন ঘণ্টায় তিন লাখ ভোট কীভাবে পায়? তিনি বলেন, নির্বাচনে কোনো কেন্দ্রে যদি কারচুপি হয় তাহলে নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নিক। আমরা তাতে ভয় পাই না, কারণ আমরা জনগণকে বিশ্বাস করি। জয়-পরাজয় যাই হোক আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয়। আর বিএনপি নেত্রী জনগণকে বিশ্বাস করেন না বলেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেন না, আর না হয় নির্বাচন বর্জন করেন।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj