প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী : বিএসএমএমইউ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম চিকিৎসাকেন্দ্র

শুক্রবার, ১ মে ২০১৫

কাগজ প্রতিবেদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) একটি সত্যিকারের চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম হিসেবে পরিচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিএসএমএমইউ’র ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি।

চাহিদার তুলনায় ডাক্তারের সংখ্যা কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে চাহিদামতো কিছু বিভাগে ডাক্তার পাওয়া গেলেও এখনো অর্থোপেডিক, অ্যানেস্থিসিয়াসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, এখনো অনেক মেডিকেল কলেজের জন্য শিক্ষক খুঁজে পাই না। গাইনি ডাক্তার পেলেও অর্থোপেডিক ডাক্তার পাই না। অ্যানেস্থিসিয়ারও পর্যাপ্ত ডাক্তারের অভাব রয়েছে।

শহরের অনেক হাসপাতালে চাহিদার চেয়ে বেশি ডাক্তার থাকলেও গ্রামে কাক্সিক্ষত পরিমাণ ডাক্তার পাওয়া যায় না এ কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সব চিকিৎসকই যদি মনে করে শহরে থাকব, তাহলে গ্রামের মানুষ কীভাবে চিকিৎসা পাবে? তিনি বলেন, আমরা নতুন নীতিমালা করে যার যার এলাকাতে নিয়োগ দিয়ে ৬ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিয়েছি। তাদের বাধ্যতামূলকভাবেই গ্রামে রাখা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খানের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত মুন্না, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, বিএমএর সভাপতি অধ্যাপক ডা. মাহমুদ হাসান, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।

রোগীদের সেবার মান বৃদ্ধি করতে ডাক্তারদের আরো বেশি মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের সব কথা আমি শুনব। আপনারা আরো বেশি করে রোগীর সেবা দিন। আপনারা আরো বেশি বেশি হাসপাতালে সকাল-বিকেল রাউন্ড দেবেন। যাতে করে কোনো রোগী সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।

এর আগে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লুকের নিচতলায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় এবং বটতলা থেকে র‌্যালি বের করা হয়। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পায়রা ও বেলুন উড়ানো, স্মরণিকা প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক মুখপাত্র প্রকাশসহ সংবাদপত্রে ক্রোড়পত্র ছাপানো হয়।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj