আবাদি জমিতে কলকারখানা

রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৪

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : রায়গঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে আবাদি জমিতে গড়ে উঠছে মিলকারখানা। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কৃষিজমিতে মিলকারখানা গড়ে উঠলেও এ বিষয়ে কোনো অধিদপ্তর দেখভাল করছে না। ফলে প্রতি বছর রায়গঞ্জে আবাদি জমি ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের ৯টি ইউনিয়ন। কৃষিতেই চলে প্রায় সাড়ে চার লাখ লোকের আশি ভাগ মানুষের। কৃষিজমিতে আবাদ করেই এসব মানুষ জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। কিন্তু একশ্রেণির অসাধু দালাল চক্রের মাধ্যমে কৃষিজমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে মিল ও কারখানা। এসব এলাকায় জমির মূল্য কম থাকায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কোটিপতি ব্যবসায়ীদের নজর কারছে এসব জমি।

অল্পমূল্যে জমি কিনে রাতারাতি বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে কৃষিজমি দখল করা হচ্ছে। অনেক টাউট দালাল জমির মালিকদের উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন এবং বেশি দামে জমি বিক্রির লোভ দেখিয়ে জমি হাতিয়ে নিচ্ছে। জমি দখলে যাওয়ার পর অথবা মিলকারখানা স্থাপনের পরে সেসব টাউট দালালদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

সম্প্রতি ধামাইনগর ইউনিয়নের নওপা এলাকায় হাজার হাজার একর কৃষি জমি নষ্ট করে এসব মিলকারখানা গড়ে তোলা হচ্ছে। অথচ এ বিষয়ে দেখভাল করার কোনো অধিদপ্তর এগিয়ে আসছে না। ভূমি অফিসগুলোতে এসব জমির নামজারির সময় কৃষিজমি উল্লেখ করলেও অবাধে গড়ে তোলা হচ্ছে মিলকারখানা।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এ বিষয়ে নজর দিচ্ছে না। তাহলে এভাবেই কি বছরের পর বছর হারিয়ে যাবে কৃষিজমি।

এ ব্যাপারে রায়গঞ্জের কৃষি কর্মকর্তা জাানান, কৃষিজমিতে বাড়িঘর, ইটভাটা, রাস্তা নির্মাণ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। মিলকারখানা স্থাপনের তো প্রশ্নই ওঠে না। তবে এ বিষয়ে সরাসরি তাদের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের এখতিয়ার নেই। এগুলো দেখার জন্য প্রশাসন রযেছে।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj