কমুউনিটি ক্লিনিকের মেরামত না করেই সব টাকা আত্মসাৎ

রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৪

“স্বাস্থ্য সেবায় মডেল কমুউনিটি ক্লিনিক, দরকার আরো মনিটরিং” শিরোনামে গত ২০শে নভেম্বর একটি প্রতিবেদন অত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি কিছু কিছু কর্মকর্তার অসাধুসতার কারণে স্বাস্থ্য সেবায় মডেল কমুউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম ভেস্তে যেতে বসেছে। পটুয়াখালি জেলায় দুমকি উপজেলায় পাংগাসিয়া ইউনিয়নে ১৯৯৯-২০০০ অর্থ বছরে বাশবুনিয়া কমুউনিটি ক্লিনিকের নির্মাণ কাজ হাতে নেয়া হয়। কাজটি বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ভূতপূর্ব সিএমএমইউ), বরিশাল বিভাগ নিয়োজিত ছিল। অজ্ঞাত কারণে কাজটির নির্মাণ শেষ না করেই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার তখন চলে যান। পরবর্তীতে কাজটি শেষ করার জন্য মেসার্স এমএম এন্টারপ্রাইজ, ৭২/১, ডি আই টি রোড, মালিবাগ, ঢাকাকে ৩,৩০,৩০৪.৮৯ টাকার কার্যাদেশ দেয়া হয়। কিন্তু এবার একটি টাকা খরচ না করেই সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের যোগসাজশে ঠিকাদার কর্তৃক সম্পূর্ণ টাকা তুলে ভাগ বাটোয়ারা করে নেন বরিশাল বিভাগে নিয়োজিত স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। স্থানীয় অধিবাসী জনাব আমীর হোসেন অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলেন সরকার সবার জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য এসব কমুউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করে অন্যান্য জায়গায় বিনামূল্যে ঔষধসহ চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে, কিন্তু এখানে এ ব্যাপারটা দেখার জন্য কেউ নেই। কমুউনিটি ক্লিনিকটি থাকলে স্থানীয় জনগণ খুব উপকৃত হ’ত। গত ৩০/০৪/২০১৪ তারিখে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগীয় মাসিক সমন্বয় সভায় ডাঃ মোঃ নওশের আলী, সিভিল সার্জন, পটুয়াখালী জেলা, এরূপ আরো কয়েকটি কমুউনিটি ক্লিনিক যেমন সদর উপজেলায় তুষখালী, বড়বিঘাই (সিকদারবাড়ী), পশ্চিম হেতালিয়া, বাজারঘোনা, দুমকি উপজেলায় আংগারিয়া, মির্জাগঞ্জ উপজেলায় গোলখালী, কলাপাড়া উপজেলায় তেগাছিয়া, কুমিরমারা, হাজীপুর, মাঝের হাওলা, পাঁচজুনিয়া ও পাটুয়া কমুউনিটি ক্লিনিকগুলোর মেরামত কাজ না করেই ঠিকাদার চলে গেছেন বলে উল্লেখ করেন। এক্ষেত্রেও ঠিকাদারগণ প্রকৌশলীদের যোগসাজশে টাকা উঠিয়ে নিয়ে গেছেন বলে জানা যায়। এ ব্যাপারে বরিশাল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংশ্লিষ্ট কাজের পর্যাপ্ত তথ্যের জন্য ফাইলপত্র পাচ্ছেন না বলে জানান।

সিটি-২৫৩১/১৪ (র্৪র্ ী৩)

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj