প্রচ্ছদ : অটাম লিফ রঙে

রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৪

অটাম থেকে উইন্টার আর স্প্রিং থেকে সামার, এই দুই মৌসুমকে সামনে রেখে ফ্যাশন ট্রেন্ড সেট হয় পাশ্চাত্যে। পোশাকের নতুন কালেকশনও আসে এ সময়ে। আমাদের দেশে ঋতুভেদে কিছু পোশাক তৈরি হয়, তবে অধিকাংশ উৎসবকে ঘিরে। দেশীয় উৎসব ঘিরেই প্রাধান্য পায় ঘুরেফিরে নির্দিষ্ট কিছু কালার চার্ট। কিন্তু মজার বিষয় হলো, একই সময়ে আন্তর্জাতিক কালার চার্ট আমাদের দেশীয় ফ্যাশনকে সেই অর্থে প্রভাবিত করে না। তাই ফ্যাশন ফোরকাস্টিংয়ে উঠে আসা পাশ্চাত্য রঙের ছোঁয়া এখানে খুব একটা টের পাওয়া যায় না। কিন্তু ইন্টারনেটে তারুণ্যের অবাধ বিচরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব উপস্থিতির কারণে পাশ্চাত্য ফ্যাশন ট্রেন্ড এখন অনেকেরই দৈনন্দিন চর্চার বিষয়। নিজেকে আলাদা লুকে এবং স্বাতন্ত্র্য পোশাক-আশাকে গর্জিয়াসভাবে ফুটিয়ে তোলার আয়োজনও যেন কম নয়। তাই দেশীয় অনেক ব্র্যান্ডগুলোর গৎবাঁধা স্টাইল স্টেটমেন্ট থেকে ফ্যাশন হান্টাররা বের হয়ে যাচ্ছেন উইন্ডো শপিংয়ে। ডে আউট করছেন নতুন পোশাক বা ট্রেন্ড কী আসছে সেই সমীকরণে নিজের লুকটা মেলতে। বহির্বিশ্ব এখন ফল কালারের জাদুতে তৈরি করছে নানা ধরনের পোশাক।

ডিজাইনারদের এক্সপেরিমেন্ট বরাবরই যেন ফল কালার নিয়ে। অনেক স্টাইল বিশ্লেষকরা আবার ফল কালারকে অনেক ক্ষেত্রেই অটাম লিফ কালারও বলে থাকেন। কারণ হেমন্তে গাছ থেকে পাতা ঝরার সময় পাতার রঙে দেখা যায়, লাল, হলুদ, বেগুনি, কালো, অরেঞ্জ, গোলাপি, ম্যাজেন্টা, নীল ও বাদামির বিভিন্ন শেডের ছোঁয়া। তাই প্রকৃতির এই খেয়ালই বারেবারে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠে এসেছে ফ্যাশন ডিজাইনারদের পোশাকে। সামনেই শীত আসছে জেঁকে! তাই উইন্টার ওয়্যারের জন্যও এই রঙগুলো বেছে নেয়া যেতে পারে। শুধু পোশাক নয়, এই ধরনের শেডগুলোর জুতো বা ব্যাগও এখন যথেষ্ট ফ্যাশনেবল।

এ বছর যতোগুলো অভিজাত ফ্যাশন উইক হয়েছে, সবখানেই এবার যেন ঠায় করে নিয়েছে ফল কালারের শেডগুলো। তবে মিস্ট ইয়েলো, লাল, কোবাল্ট ব্লু, রয়্যাল ব্লু, খাকি, কনিয়্যাক ব্রাউন, অরকিডের মতো রঙগুলোই এখন ফোকাস ইন। ডিজাইনাররা জানাচ্ছেন এ মুহূর্তে পোশাকে এম্বেলিশমেন্টের থেকেও কাট ও শিলুটের ওপরে জোর দেয়া হচ্ছে। আর তাই পোশাকের বিভিন্ন আঙ্গিক নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হলে ফল কালারের জুড়ি নেই। আরো একটা কারণে কিন্তু ফল কালার নিয়ে এতো মাতামাতি হচ্ছে। গত দু-তিন বছর ধরে ষাট-সত্তরের ভিন্টেজ লুক ফ্যাশন সাম্রাজ্যকে অনেকটাই শাসন করেছে। সেই ক্লাসিক অথচ কনটেম্পোরারি লুক আনার জন্য ফল কালারের সত্যিই কোনো বিকল্প নেই। শুধু মহিলাদের পোশাকেই নয়, পুরুষদের পোশাকের ক্ষেত্রেও এই রঙগুলো প্রাধান্য পাচ্ছে।

এই রঙের শেডগুলো যে কোনো স্কিনটোনেই মানিয়ে যায়। তবে এই শেডগুলো এমনিতেই খুব উজ্জ্বল, তাই খুব বেশি প্রিন্ট বা লেয়ারিং একেবারেই চলবে না। লেয়ারিং যদি করতেই হয়, তাহলে বেছে নিন কনট্রাস্ট কোনো রঙ। টোন অন টোনও চলতে পারে। তবে মনোক্রমই হলো ফল কালারের জন্য আদর্শ। আসলে মিক্স এন্ড ম্যাচ নয় কো-অর্ডিনেটেড লুকই এ শেডগুলোর জন্য আদর্শ। সবসময় মনে রাখবেন, ফ্যাশন কখনো এক গণ্ডিতে থেমে থাকে না। নিয়মিতই বৃত্তাকারে এগিয়ে চলে এটি। আর ঘুরেফিরে পুরনোই আসে নতুন করে, ভিন্ন রকমভাবে, ভিন্ন আঙ্গিকে। তাই নিজেকে মানিয়ে নিন নিজের মতো করে এবং রাঙিয়ে তুলুন বৈচিত্র্যময়তায়।

যেখানে পাবেন

রাজধানীর প্রায় সব শপিংমলেই পাবেন পাশ্চাত্য ধাঁচের এসব পোশাক। এ ছাড়া নিজের পছন্দমতো কিনতে পারেন ফ্যাশন হাউস ক্যাটস আই, আমবার লাইফস্টাইল, এস্ট্যাসি, ইয়োলো, জেন্টল পার্ক ওমেন, ওটু, ফ্রিল্যান্ড, আর্টিস্টিসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকানে। তবে যারা অনলাইনে বেশি সময় কাটান তারা ইচ্ছে হলে ব্র্যান্ডগুলোর ফেসবুক পেইজেও গিয়ে নিত্যনতুন পোশাকের আপডেট পেতে পারেন। ঠিকানা : যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ঈধঃংঊুবখঃফ?ভৎবভ=ঃং, যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/বপধংঃংুনফ?ভৎবভ=ঃং, যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/সুধসনবৎষরভবংঃুষব?ভৎবভ=ঃং, যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ণবষষড়ঈিষড়ঃযরহম?ভৎবভ=ঃং, যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ড়২ষরভবংঃুষবংঃড়ৎব?ভৎবভ=ঃং , যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/ঢ়ধমবং/অজঞওঝঞও-ঈঙখখঊঈঞওঙঘ/৪৫৩২৪৬০১২৫৮?ভৎবভ=ঃং, যঃঃঢ়ং://িি.িভধপবনড়ড়শ.পড়স/এবহঃষবচধৎশ.ইফ?ভৎবভ=ঃং

:: আশরাফুল ইসলাম রানা

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj